শিরোনামঃ
২০৩৪ সালের মধ্যে অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে হবে : ববি হাজ্জাজ ঢাকার সব ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক ধারাবাহিক চীন সফর দুদেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেবে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ১২ লাখ রোহিঙ্গার বোঝা একা বহন করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়: আইনমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের কারণেই বর্তমানে বিদ্যুৎ সংকট: চিফ হুইপ নিউমুরিং টার্মিনাল চুক্তিকে দেশ বিক্রির সঙ্গে তুলনা ভিত্তিহীন: বাণিজ্যমন্ত্রী ইজিবাইকে লিথিয়াম ব্যাটারি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: অনিন্দ্য ইসলাম বিদেশি কোম্পানির হাতে টার্মিনাল ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্ন খেলাপি আতঙ্কে থমকে প্রণোদনা নতুন আলোচনা রিকনসিলিয়েশন
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন

শরীরে ট্যাটু আঁকা নিয়ে ইসলাম কী বলে

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩০৫ বার
প্রকাশ: সোমবার, ১৬ জুন, ২০২৫

প্রশ্ন: আমার হাত, পা, পিঠ ও পেটে বেশ কয়েকটি ট্যাটু বা উল্কি আঁকা রয়েছে। ইউটিউবে এক বয়ানে শুনলাম-এসব নাকি হারাম। এ বিষয়ে ইসলামি শরিয়তের সুস্পষ্ট ভাষ্য জানতে চাই?

উত্তর: শরীরে ট্যাটু বা উল্কি আঁকা জায়েজ নয়। হাদিসে এ ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা এসেছে। আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবিজি (সা.) উল্কি অঙ্কন করতে নিষেধ করেছেন। (সহিহ বুখারি, ৫৪০৮)

আরেক হাদিসে আবু জুহাইফা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসূল (সা.) উল্কি অঙ্কনকারিণী, উল্কি গ্রহণকারিণী, সুদগ্রহীতা ও সুদদাতার ওপর অভিসম্পাত করেছেন। (সহিহ বুখারি, ৫৩৪৭)

অতএব, শরীরে ট্যাটু বা উল্কি আঁকা হারাম ও কবিরা গুনাহ। অধিকন্তু ট্যাটু আঁকার ফলে যে আবরণ সৃষ্টি হয়, তা ওজু-গোসলে শরীরে পানি পৌঁছানোর ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

তাই একজন মুসলিমের জন্য কোনোভাবেই শরীরে ট্যাটু আঁকা জায়েজ হবে না।

ইসলাম নারী-পুরুষের স্বাভাবিক রূপচর্চা অনুমোদন করে। স্বাভাবিকভাবে সৌন্দর্যমণ্ডিত হওয়ার চেষ্টা করা, সুন্দর পোশাক-আশাক পরা জায়েজ তো বটেই, উত্তম কাজ বিবেচিত হয়।

কিন্তু আল্লাহর সৃষ্টি করা স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট করে সৌন্দর্য বৃদ্ধির চেষ্টা করা যেমন দাঁত কেটে সরু করা, ভ্রু তুলে ফেলা, শরীরে উল্কি বা ট্যাটু আঁকা ইসলামে হারাম। রাসুল (সা.) এ সব রূপচর্চাকে আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে বিকৃতি গণ্য করে এগুলো যারা করে তাদের অভিশপ্ত বলেছেন।

আপনার জন্য উচিত হলো এ উল্কিগুলো শরীর থেকে মুছে ফেলার ব্যবস্থা করা এবং আল্লাহর কাছে কায়মনে তাওবা করা। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমা করবেন।

সূত্র: সহিহ মুসলিম, ২১২৪; শারহুন নাবাবি আলা সহিহ মুসলিম, ১৪/১০৬; উমদাতুল কারি, ১১/২০৪; রাদ্দুল মুহতার, ৬/৩৭৩।


এ জাতীয় আরো খবর...