শিরোনামঃ
১০১ শিক্ষককে বিশেষ সম্মাননা পদক প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রিজন ভ্যান খুলে দেন এসআই প্রদীপ, প্রাইভেট কারে পালান পিচ্চি রাজা শুধু মালদ্বীপ নয়, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বঙ্গোপসাগরজুড়ে: নাশিদ সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কুমিল্লার যুবক নিহত ৪,৫৮৬ ইউনিয়নে মা-শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বাছাই করা হবে নতুন উপকারভোগী শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য শুধু জীবিকা নয়, ভালো নাগরিক হওয়া: নৌ মন্ত্রী সবার জন্য নিরাপদ ও টেকসই বাসস্থান নিশ্চিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী টেকসই গণতন্ত্রের জন্য নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে: সিইসি গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী ফ্রান্সে ১৮ দিনে গ্রেপ্তার ৫ হাজার
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন

উন্নয়ন খাতে চীনের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান নৌপরিবহন উপদেষ্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১০৫ বার
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫

নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে চীনের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশনের (সিসিইসিসি) চেয়ারম্যান লিউ উইমিনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, গতকাল চীনের সিসিইসিসি সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে জিওবি’র অর্থায়নে ও সিসিইসিসির সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনাল ও আনুষঙ্গিক সুবিধাদি নির্মাণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্পের অগ্রগতি এবং সার্বিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে উপদেষ্টা বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার ও বন্ধু রাষ্ট্র। বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার সুযোগ রয়েছে। তিনি বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের পাশাপাশি কৃষি, পরিবহন ও বন্দর অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে চীনের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, চায়না জি-টু-জি এবং জিওবি অর্থায়নে মোংলা বন্দরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প ‘এক্সপানশন অ্যান্ড মডার্নাইজেশন অব মোংলা পোর্ট’-ইতোমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি। প্রকল্প বাস্তবায়নে চায়না জি-টু-জি অংশের ফান্ডের জন্য দ্রুত লোন এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে সিসিইসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রকল্প দ্রুত শুরু করার পাশাপাশি লোন এগ্রিমেন্টের জন্য চায়না এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং শিগগিরই এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর হবে।

বৈঠকে চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতসহ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, আর্থিক সম্পর্ক বিভাগ ও দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


এ জাতীয় আরো খবর...