শিরোনামঃ
ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন চার বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী ইজতেমার সময় গাজীপুরের স্থানীয় নির্বাচন নয়, সিইসির কাছে আবেদন তাবলীগ জামাতের অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব রক্ষায় দ্রুত সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের প্রিজনভ্যান থেকে পিচ্চি রাজার পলায়ন, গ্রেপ্তার দুই পুলিশসহ তিন আসামি ৪ দিনের রিমান্ডে মিডওয়াইফের ৯১৪ পদে নিয়োগের প্রস্তাব পিএসসিতে পাঠালো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ভিডব্লিউবি কার্যক্রমের আওতায় ১,৪৭২ নারী পাবেন ২০ হাজার টাকা করে ব্যবসায়িক অনুদান ধানমন্ডি লেকের উন্নয়ন আমার নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল, আজ তা বাস্তবায়ন হচ্ছে : সড়ক মন্ত্রী ৪৯তম বিসিএস থেকে শিক্ষা ক্যাডারে আরও ৪০ জনকে নিয়োগ আইপিইউর এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান হলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন, গেজেট প্রকাশ
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন

দেউলিয়ার পথে ১২ ব্যাংক, ১৫টি ঝুঁকিতে: কী হবে গ্রাহকদের টাকার?

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৪০ বার
প্রকাশ: বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যাংক ও আর্থিক খাতে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে, যার খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদের এমন অভিযোগ উঠেছে। বহু ব্যাংকে জমা রাখা গচ্ছিত অর্থ তুলতে পারছেন না সাধারণ আমানতকারীরা। বর্তমানে পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংক কার্যত নামেমাত্র টিকে আছে, ১২টি ব্যাংক দেউলিয়ার পর্যায়ে এবং আরও ১৫টি ব্যাংক অতিমাত্রায় দুর্বল হয়ে পড়েছে।

বক্তারা জানান, দখল ও লুটপাটের কারণে ব্যাংক খাতে খেলাপির মাত্রা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। বর্তমানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। আগামীতে মোট ঋণের মধ্যে খেলাপির হার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়, যা তারল্য সংকট আরও বাড়াবে।

রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে ব্যাংক খাত নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে এসব তথ্য উঠে আসে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং জার্মানির ওটিএইচ এমবার্গ ওয়েডিন যৌথভাবে সেমিনারের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।

সেমিনারে বক্তারা জানান, বর্তমানে কার্যত ১২টি ব্যাংক দেউলিয়ার পর্যায়ে পৌঁছেছে, যারা আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না। এছাড়া ১৫টি ব্যাংক অতিমাত্রায় দুর্বল, যার মধ্যে আটটিতে সরাসরি লুটপাট হয়েছে।

বক্তারা অভিযোগ করেন, এস আলম একাই পুরো ব্যাংক খাত ধ্বংস করে দিয়েছেন এবং তার সহযোগীরাও এই ধ্বংসযজ্ঞে ভূমিকা রেখেছেন। এ কারণে খাতটি ঘুরে দাঁড়াতে অনেক সময় লাগবে।

তারা বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাত থেকে আওয়ামী লীগ সরকার একটি শক্তিশালী ব্যাংক খাত পেয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতায় এসে তারা সংস্কারগুলো আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যায়। এর ফলে ব্যাংক খাতে বড় ধরনের লুটপাট ঘটে এবং খাতটি কার্যত ধ্বংস হয়।

সেমিনারে আরও জানানো হয়, লুটপাটের অর্থের বেশিরভাগই ইতোমধ্যে পাচার হয়ে গেছে, যা ফেরত আনার সম্ভাবনা নেই। এ কারণেই ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট বেড়েছে এবং এই সংকট আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। তবে কোন কোন ব্যাংক দেউলিয়ার পর্যায়ে পৌঁছেছে, তা প্রকাশ করা হয়নি।


এ জাতীয় আরো খবর...