শিরোনামঃ
দুই মাসেই তলানিতে বিএনপির জনপ্রিয়তা, সরকারের দলীয়করণ নিয়ে তোপ নাহিদের জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর সরকার, বিয়ামের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা গণভোটের ৭০ শতাংশ রায় উপেক্ষিত, নতুন ফ্যাসিবাদ নিয়ে বিএনপিকে জামায়াতের তোপ ১ মে পল্টনে শ্রমিক দলের সমাবেশ, নির্বাচন নিয়ে জামায়াতকে ফখরুলের তোপ বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের নতুন কড়াকড়ি রাজধানীর ৮০ পাম্পে ১২ লাখ বাইকের জটলা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কবে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে? “ফিলিস্তিন, লেবানন ও ইরানে ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধ, যুদ্ধবিরতির উদ্দেশ্য নিয়ে ধোঁয়াশা সংসদে বিকল্প কাঠামোর ছক, ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনে জামায়াতের জোর প্রস্তুতি ‘লাফিং গ্যাস’: যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রে এটি মারাত্মক আসক্তির কারণ হয়ে উঠেছে
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৯ অপরাহ্ন

হামের উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১০ বার
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

বিগত এক দশকে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত যে কয়েকটি ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছিল, তার মধ্যে অন্যতম ছিল হাম ও রুবেলা নির্মূলের পথে অভাবনীয় অগ্রগতি। বৈশ্বিক পর্যায়ে বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচি বা ইপিআই (EPI) একটি রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু প্রকৃতির অমোঘ নিয়ম আর ব্যবস্থাপনার কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত গর্তে পড়ে সেই সাজানো বাগান যেন আজ তছনছ হওয়ার উপক্রম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) তাদের সর্বশেষ এক বিশেষ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের হাম পরিস্থিতি নিয়ে যে ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে, তা কেবল একটি সতর্কবার্তাই নয়, বরং আমাদের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য এক অশনিসংকেত। সংস্থাটি বর্তমান পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মূল্যায়ন করেছে, যা গত কয়েক বছরের মধ্যে দেশের স্বাস্থ্যখাতের জন্য সবচেয়ে বড় নেতিবাচক রেটিং।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৫৮টি জেলাতেই এখন হামের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। অর্থাৎ দেশের ৯১ শতাংশ এলাকাই এখন এই তীব্র সংক্রামক ভাইরাসের কবলে। জানুয়ারি মাস থেকে শুরু হওয়া এই প্রাদুর্ভাব এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, হাজার হাজার শিশু হাসপাতালে শয্যাশায়ী এবং অনেক পরিবার তাদের আদরের সন্তানকে হারিয়েছে। অথচ এই প্রতিটি মৃত্যুই ছিল প্রতিরোধযোগ্য। মূলত টিকার অভাব, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে ছেদ এবং দীর্ঘ চার বছর ধরে কোনো দেশব্যাপী সম্পূরক টিকাদান কর্মসূচি না থাকাই এই বিপর্যয়ের মূল কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

পরিসংখ্যানের ভয়ংকর চিত্র

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গতকাল বৃহস্পতিবারের (২৩ এপ্রিল, ২০২৬) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র এক মাসের ব্যবধানে দেশে মোট ১৯ হাজার ১৬১ জন সন্দেহভাজন হাম রোগীর তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করে ২ হাজার ৯৭৩ জনের শরীরে হামের ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক তথ্য হলো, এই স্বল্প সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছে ১৬৬ জন শিশু। ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া রোগীদের মধ্যে মৃত্যুহার বা সিএফআর (CFR) এখন ১ দশমিক ১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ দৃষ্টিতে এই হার কম মনে হলেও, জনস্বাস্থ্যের ভাষায় একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগের কারণে এই পরিমাণ মৃত্যু মূলত একটি মহামারি পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আক্রান্ত শিশুদের একটি বিশাল অংশ অর্থাৎ প্রায় ৮৩ শতাংশেরই বয়স পাঁচ বছরের নিচে। এর মধ্যে আবার ৬৬ শতাংশ শিশুর বয়স দুই বছরের কম এবং ৩৩ শতাংশের বয়স ৯ মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই তারা আক্রান্ত হচ্ছে। এর অর্থ দাঁড়ায়, শিশুরা হামের প্রথম ডোজ পাওয়ার জন্য উপযুক্ত বয়সে পৌঁছানোর আগেই ভাইরাসের সংস্পর্শে আসছে, যা আমাদের চারপাশের পরিবেশে ভাইরাসের বিশাল উপস্থিতির প্রমাণ দেয়। মৃত ১৬৬টি শিশুর প্রায় সবাই ছিল টিকা না পাওয়া বা ‘জিরো ডোজ’ শিশু।

ঢাকার বস্তি এলাকা: সংক্রমণের নতুন কেন্দ্রস্থল

পরিসংখ্যান বলছে, সংক্রমণের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি লেগেছে ঢাকা বিভাগে। শুধু এই বিভাগেই সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ২৬৩ জন। ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ বস্তি এলাকাগুলো যেন এখন হামের একেকটি প্রজনন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, কামরাঙ্গীরচর, কড়াইল, মিরপুর এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকার বস্তিগুলোতে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এসব এলাকায় বাস করা নিম্ন আয়ের মানুষ ও ভাসমান জনগোষ্ঠীর শিশুরা অপুষ্টির শিকার হওয়ার কারণে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এমনিতেই কম। তার ওপর টিকার আওতার বাইরে থাকায় ভাইরাসটি সেখানে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ঘনবসতি আর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এই প্রাদুর্ভাবকে আরও বেশি প্রাণঘাতী করে তুলেছে।

কেন এই বিপর্যয়? নেপথ্যের কারণ অনুসন্ধান

বাংলাদেশের এই পরিস্থিতির জন্য একক কোনো কারণ দায়ী নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৪ এবং ২০২৫ সালে দেশে এমআর (হাম-রুবেলা) টিকার তীব্র জাতীয় সংকট বা ঘাটতি দেখা দেয়। এর ফলে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির যে চেইন ছিল, তা ভেঙে পড়ে। হাজার হাজার শিশু তাদের প্রাপ্য প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ থেকে বঞ্চিত হয়। বাংলাদেশের আগের সাফল্যের ইতিহাস বলছে, ২০০০ সালে যেখানে টিকার কভারেজ ছিল ৮৯ শতাংশ, ২০২৪ সালের আগে তা বেড়ে ১২১ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছিল (বাড়তি টিকা ও ক্যাম্পেইন সহ)। কিন্তু গত দুই বছরের টিকার সংকট সেই জাদুকরী অর্জনকে এক নিমেষেই ধূলিসাৎ করে দিয়েছে।

এর সাথে যুক্ত হয়েছে দীর্ঘসূত্রতা। নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত বিরতিতে দেশব্যাপী সম্পূরক টিকাদান কর্মসূচি (SIA) হওয়ার কথা থাকলেও ২০২০ সালের পর বাংলাদেশে বড় কোনো জাতীয় ক্যাম্পেইন হয়নি। ফলে ১ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে একটি বড় ‘ইমিউনিটি গ্যাপ’ বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। বর্তমান প্রাদুর্ভাবে ৯১ শতাংশ রোগীই এই ১ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু। এটি প্রমাণ করে যে, গত কয়েক বছর ধরে যারা টিকা পাননি বা এক ডোজ পেয়েছেন, তারা এখন ভাইরাসের সহজ শিকারে পরিণত হয়েছেন।

হামের প্রকৃতি ও দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা

হাম কেবল শরীরের ওপর লাল লাল ফুসকুড়ি ওঠার একটি সাধারণ অসুখ নয়। এটি একটি অত্যন্ত সংক্রামক তীব্র ভাইরাসজনিত রোগ। এটি বাতাসের মাধ্যমে সরাসরি ছড়ায় এবং আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির ড্রপলেটের মাধ্যমে আশপাশের সবাই সংক্রমিত হতে পারে। সংক্রমণের ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে উচ্চ জ্বর, সর্দি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং কাশির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। তবে এর আসল ভয়াবহতা লুকিয়ে আছে এর পরবর্তী জটিলতাগুলোর মধ্যে। হামের কারণে শিশুরা মারাত্মক নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, অন্ধত্ব এবং মস্তিষ্কে প্রদাহ বা এনসেফালাইটিসে আক্রান্ত হতে পারে। অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে যাদের ভিটামিন ‘এ’র মারাত্মক ঘাটতি আছে, তাদের জন্য হাম একটি যমদূত সমতুল্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করেছে যে, প্রতি এক হাজার আক্রান্ত শিশুর মধ্যে অন্তত একজনের এনসেফালাইটিস এবং দুই থেকে তিনজনের মৃত্যু ঘটা এই ভাইরাসের স্বাভাবিক চরিত্র।

সীমান্তের ওপার থেকে ধেয়ে আসা ঝুঁকি

বাংলাদেশের বর্তমান প্রাদুর্ভাবের আরেকটি বড় দুশ্চিন্তার কারণ হলো আন্তর্জাতিক সীমান্ত। ভারতের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে। যশোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের মতো ব্যস্ত বাণিজ্যিক শহরগুলো ভারতের বেশি সংক্রমণপ্রবণ এলাকাগুলোর সাথে সরাসরি যুক্ত। ভারতেও গত কয়েক মাসে হামের প্রকোপ বেড়েছে। অন্যদিকে মিয়ানমারে চলমান সংঘাত ও মানবিক সংকটের কারণে সেখানে টিকাদান ব্যবস্থা একেবারেই ভেঙে পড়েছে। ফলে সেখান থেকে বিপুল সংখ্যক টিকা না পাওয়া শিশু বা মানুষের যাতায়াত বাংলাদেশের কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের ঝুঁকিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো থাকায় এবং নিউইয়র্ক, লন্ডন বা সিডনির মতো শহরগুলোর সাথে আকাশপথে যোগাযোগ থাকার কারণে এই সংক্রমণ এখন দেশের বাইরে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। এ কারণে আঞ্চলিক পর্যায়েও ঝুঁকিকে ‘উচ্চ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মত ও সরকারি পদক্ষেপ

এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সরব হয়েছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক পরামর্শক ও প্রখ্যাত জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেনের মতে, এখন সময় হাত গুটিয়ে বসে থাকার নয়। তিনি বলেন, “সংক্রমণের এই বিস্তার এবং শিশুমৃত্যুর হার দেখে আমাদের আর দ্বিধা করার অবকাশ নেই। সরকারের উচিত এখনই হামকে ‘জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি’ হিসেবে ঘোষণা করা। জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলে টিকা সংগ্রহ এবং টিকাদান কর্মসূচি যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চালানো সম্ভব হবে।”

অবশ্য সরকার ইতিমধ্যে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। জাতীয় টিকাদান কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি (NITAG) গত ৩০ মার্চ এক বিশেষ সভায় দেশব্যাপী হাম-রুবেলা বা এমআর টিকাদান কর্মসূচি অনুমোদন করেছে। এপ্রিলের শুরু থেকেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ২০ এপ্রিল থেকে এটি দেশব্যাপী বিস্তৃত করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রতিটি শিশুকে এই টিকার আওতায় আনা। এর পাশাপাশি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণও জোরদার করা হয়েছে, কারণ ভিটামিন ‘এ’ হামের জটিলতা কমাতে মহৌষধ হিসেবে কাজ করে।

আগামীর চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশের এই সংকট থেকে উত্তরণে বেশ কিছু কঠোর পরামর্শ দিয়েছে। সংস্থাটি বলছে, প্রতিটি এলাকায় অন্তত ৯৫ শতাংশ টিকার কভারেজ নিশ্চিত করতে হবে। কেবল ঢাকা বা বড় শহর নয়, চরাঞ্চল, হাওর এবং দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলোতেও টিকার সুঁই পৌঁছাতে হবে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়াতে হবে এবং অভিবাসী বা ভ্রাম্যমাণ জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ টিকাদান কেন্দ্র খুলতে হবে। এছাড়া হাসপাতালগুলোতে হামের রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড নিশ্চিত করতে হবে যাতে হাসপাতালের ভেতর থেকে অন্য শিশুরা সংক্রমিত না হয়।

পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশ এখন এক কঠিন পরীক্ষার মুখে। হাম নির্মূলের যে সার্টিফিকেট আমরা পাওয়ার স্বপ্ন দেখছিলাম, বর্তমান প্রাদুর্ভাব তা কয়েক বছর পিছিয়ে দিয়েছে। তবে এখনো সব শেষ হয়ে যায়নি। সঠিক সময়ে টিকার সরবরাহ নিশ্চিত করা, প্রতিটি শিশুকে টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে আমরা আবারও এই ভাইরাসকে পরাজিত করতে পারি। মা-বাবাদের মনে রাখতে হবে, টিকার একটি ডোজই পারে তাদের সন্তানকে পঙ্গুত্ব বা মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে। সরকারের পাশাপাশি সমাজ ও প্রতিটি নাগরিককে আজ এই জনস্বাস্থ্য সংকটে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে হবে। অন্যথায়, এক দশকের কষ্টলব্ধ অর্জন হারিয়ে আমরা আবারও এক অন্ধকার যুগে প্রবেশ করব, যেখানে শিশুরাই হবে সবচেয়ে বড় বলির পাঁঠা।


এ জাতীয় আরো খবর...