শিরোনামঃ
দুই মাসেই তলানিতে বিএনপির জনপ্রিয়তা, সরকারের দলীয়করণ নিয়ে তোপ নাহিদের জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর সরকার, বিয়ামের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা গণভোটের ৭০ শতাংশ রায় উপেক্ষিত, নতুন ফ্যাসিবাদ নিয়ে বিএনপিকে জামায়াতের তোপ ১ মে পল্টনে শ্রমিক দলের সমাবেশ, নির্বাচন নিয়ে জামায়াতকে ফখরুলের তোপ বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের নতুন কড়াকড়ি রাজধানীর ৮০ পাম্পে ১২ লাখ বাইকের জটলা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কবে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে? “ফিলিস্তিন, লেবানন ও ইরানে ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধ, যুদ্ধবিরতির উদ্দেশ্য নিয়ে ধোঁয়াশা সংসদে বিকল্প কাঠামোর ছক, ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনে জামায়াতের জোর প্রস্তুতি ‘লাফিং গ্যাস’: যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রে এটি মারাত্মক আসক্তির কারণ হয়ে উঠেছে
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন

লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত দেশ: চাপে সরকার?

বিশেষ বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদন / ৬ বার
প্রকাশ: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

এপ্রিলের তপ্ত রোদে যখন সারা বাংলাদেশ আক্ষরিক অর্থেই পুড়ছে, ঠিক তখনই জনজীবনের নাভিশ্বাস তুলে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভয়াবহ লোডশেডিং। বৈশাখের দ্বিতীয় সপ্তাহেই দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। তীব্র এই দাবদাহ থেকে বাঁচতে মানুষের যখন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, ঠিক তখনই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকছে শহর থেকে গ্রাম। রাজধানী ঢাকা বা বড় বিভাগীয় শহরগুলোতে পরিস্থিতির কিছুটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা থাকলেও, দেশের গ্রামীণ ও মফস্বল এলাকার চিত্র রীতিমতো ভয়াবহ। সেখানে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না।

জুলাইয়ের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর অনেক আশা ও বিপুল জনসমর্থন নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়া বর্তমান বিএনপি সরকারের জন্য এই বিদ্যুৎ সংকট এখন কেবল একটি কারিগরি বা অর্থনৈতিক সমস্যা নয়; বরং এটি হয়ে দাঁড়িয়েছে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। একদিকে অসহনীয় গরমে জনরোষ, অন্যদিকে কলকারখানা বন্ধ হয়ে অর্থনীতির স্থবিরতা—সব মিলিয়ে লোডশেডিংই বর্তমান প্রশাসনের জন্য এক বিশাল মাথাব্যথার কারণ হয়ে আবির্ভূত হয়েছে। নিচে এই সংকটের বহুমাত্রিক কারণ, সরকারি ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং এর সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে একটি বিশদ বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো।


১. সরকারি হিসাবের শুভংকরের ফাঁকি ও প্রান্তিক মানুষের হাহাকার

বিদ্যুৎ ঘাটতি নিয়ে সরকারের দেওয়া আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের হিসাব বলছে, বর্তমানে দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে প্রায় আড়াই হাজার মেগাওয়াট। কিন্তু বিতরণ কোম্পানিগুলোর (যেমন: পিডিবি, আরইবি, ডিপিডিসি) অভ্যন্তরীণ তথ্য এবং লোডশেডিংয়ের মাত্রা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই ঘাটতি চার হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে।

এই ঘাটতির সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ। উদাহরণস্বরূপ, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা যশোরের কথা বলা যায়, যেখানে প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। মাগুরার পরিস্থিতি আরও করুণ; সেখানে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ মেগাওয়াট হলেও জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ মিলছে মাত্র ৮ মেগাওয়াট। অর্থাৎ, চাহিদার অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ দিয়ে পুরো জেলাকে চলতে হচ্ছে। এই চরম বৈষম্যের কারণে গ্রামীণ অর্থনীতি মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে রাজধানী ঢাকায় ১১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ কমানোর যে সরকারি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে জনমনে নানামুখী প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এটি কি আসলেই কৃষকদের সেচ পাম্প সচল রাখার একটি কারিগরি ও আন্তরিক সিদ্ধান্ত, নাকি রাজধানীর ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের ঘাটতি আড়াল করতে এবং শহরের মানুষের সম্ভাব্য ক্ষোভ প্রশমিত করার একটি সুচতুর রাজনৈতিক কৌশল? বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করছেন, উৎপাদন না বাড়িয়ে কেবল এক জায়গার বিদ্যুৎ কেটে অন্য জায়গায় জোড়াতালি দিয়ে এই বিশাল সংকট দীর্ঘ মেয়াদে মোকাবিলা করা অসম্ভব।


২. বৈশ্বিক অস্থিরতা এবং শূন্য কোষাগারের অভিশাপ

বর্তমান সরকার বিদ্যুৎ খাতের এই বেহাল দশার জন্য মূলত আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি এবং পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া শূন্য কোষাগারকে দায়ী করছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং কয়লার দামে ব্যাপক অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে।

জ্বালানি আমদানির জন্য সরকারের কাঁধে চেপেছে বিপুল ভর্তুকির পাহাড়সম বোঝা। চলতি অর্থবছরের বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৪২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি হিসেবে বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে চড়া দাম এবং ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে এই বরাদ্দ ইতিমধ্যেই ফুরিয়ে যাওয়ার পথে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, আগামী জুন মাস পর্যন্ত এই খাতকে সচল রাখতে গেলে আরও অন্তত ১৯ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত অর্থায়ন প্রয়োজন।

ডলার সংকটের কারণে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে জ্বালানি কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে সরকারকে খোলা বাজার বা ‘ওপেন স্পট মার্কেট’ থেকে চড়া দামে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে। শুধু গত এক মাসেই স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানি করতে গিয়ে সরকারের অতিরিক্ত ৪ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়ে গেছে। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির চেয়েও বর্তমান সরকারের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সরকারি কোষাগারের চরম শূন্যতা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকট।


৩. উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর স্থবিরতা ও কারিগরি অব্যবস্থাপনা

জ্বালানি সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর ওপর। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্যমতে, তীব্র জ্বালানি সংকটের কারণে বর্তমানে দেশের ১৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি, আরও প্রায় ৫০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র তাদের উৎপাদন ক্ষমতার অর্ধেকেরও কম সক্ষমতায় চলছে।

সংকট ঘনীভূত হওয়ার পেছনে কারিগরি ত্রুটি এবং চরম অব্যবস্থাপনাও কম দায়ী নয়। দেশের একমাত্র সচল কয়লাখনি বড়পুকুরিয়ার কয়লা দিয়ে পরিচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রটির অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। খনি থেকে উত্তোলিত কয়লার সাথে বিশাল আকৃতির পাথর মিশ্রিত থাকার কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের দামি ও সংবেদনশীল যন্ত্রপাতি ভেঙে যাচ্ছে। এর ফলে বারবার কেন্দ্রটির উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় কয়লার সাথে পাথর আসার মতো এই মারাত্মক গাফিলতি কীভাবে সংঘটিত হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও এর কোনো সদুত্তর বা দৃশ্যমান শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এখনো চোখে পড়েনি।


৪. আমলাতান্ত্রিক জটিলতার বেড়াজাল

অর্থের চরম সংকটের মধ্যেও যখন কিছু অর্থ ছাড় করা হয়, তখন আমলাতান্ত্রিক লাল ফিতার দৌরাত্ম্যে তা আলোর মুখ দেখে না। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় চরম বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে ২ হাজার কোটি টাকার একটি জরুরি ভর্তুকি বরাদ্দ অনুমোদন করেছে। কিন্তু এর সাথে একটি কঠিন শর্ত জুড়ে দিয়ে তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে—পায়রা, রামপাল ও পটুয়াখালীর মতো দেশের সবচেয়ে বড় তিনটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে এই টাকা কোনোভাবেই ব্যবহার করা যাবে না।

কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এই কেন্দ্রগুলোর জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে ‘সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির’ (CCGP) আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নেই। যখন দেশের মানুষ গরমে হাঁসফাঁস করছে এবং অর্থনীতি স্থবির হয়ে আছে, তখন জরুরি ভিত্তিতে এই আমলাতান্ত্রিক বাধা দূর না করে ফাইল আটকে রাখার এই মানসিকতা পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে।


৫. রাজনৈতিক অসন্তোষ ও জনরোষের স্ফুলিঙ্গ

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী। তারা পূর্ববর্তী স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল, যেখানে অন্তত নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও সেবাসমূহ নিশ্চিত হবে। কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং সেই আশায় গুড়ে বালি ঢেলে দিচ্ছে।

জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার সাম্প্রতিক ক্ষোভ প্রকাশ আসলে সারা দেশের মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভেরই প্রতিধ্বনি। তিনি অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে প্রশ্ন তুলেছেন যে, তিতাস গ্যাস ফিল্ড থেকে উৎপাদিত গ্যাস সারা দেশে সরবরাহ করা হলেও খোদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষই কেন গ্যাস থেকে বঞ্চিত হবে? আঞ্চলিক বৈষম্য এবং সম্পদের সুষম বণ্টনের অভাব যে বর্তমান সরকারের জন্য রাজনৈতিক বুমেরাং হতে পারে, রুমিন ফারহানার এই বক্তব্য তারই স্পষ্ট ইঙ্গিত।


৬. কৃষি ও শিল্প খাতে ভয়াবহ অশনিসংকেত

বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব কেবল মানুষের দৈনন্দিন আরাম-আয়েশেই সীমাবদ্ধ নেই; এটি আঘাত হানছে দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষি ও শিল্প খাতে। বোরো ধানের সেচ মৌসুম এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। গ্রামে ১৪-১৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকলে সেচ পাম্পগুলো চালানো সম্ভব নয়, যার ফলে ফসলের মাঠ শুকিয়ে যাচ্ছে। এটি সরাসরি দেশের খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে।

অন্যদিকে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের কারণে পোশাক ও অন্যান্য উৎপাদনমুখী শিল্পকারখানাগুলো বন্ধ রাখতে হচ্ছে অথবা ব্যয়বহুল ডিজেল জেনারেটর দিয়ে চালাতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ জ্যামিতিক হারে বাড়ছে, বিদেশি ক্রেতাদের অর্ডার বাতিল হওয়ার উপক্রম হচ্ছে এবং সবচেয়ে বড় আশঙ্কার বিষয় হলো—কারখানা বন্ধ হলে লাখো শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বেন। আর এই বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক স্থবিরতার সমস্ত দায়ভার শেষ পর্যন্ত বর্তমান রাজনৈতিক সরকারের ওপরই বর্তাবে।


সামনে কঠিন ‘অ্যাসিড টেস্ট’

যদিও সরকার মে মাসের শুরুতে পরিস্থিতির উন্নতির একটি মৃদু আশা দেখাচ্ছে, কিন্তু জুন পর্যন্ত জ্বালানি আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান নিশ্চিত না হলে এই ভোগান্তি দীর্ঘস্থায়ী হতে বাধ্য। এই বিশাল অর্থের জোগান কোথা থেকে আসবে, তার কোনো সুস্পষ্ট রোডম্যাপ এখনো দৃশ্যমান নয়। তবে জানা গেছে, বর্তমান সরকার ১৮০ দিনের একটি ‘অগ্রাধিকার তালিকা’ তৈরি করেছে, যেখানে জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে।

কিন্তু বর্তমান গ্রীষ্মের এই ভয়াবহ দাবদাহ আর অর্থনৈতিক চরম বাস্তবতায় জনগণের ধৈর্যের বাঁধ দ্রুতই ভেঙে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার চেয়ে তাৎক্ষণিক স্বস্তি চায়। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের জন্য এটি এখন আক্ষরিক অর্থেই একটি ‘অ্যাসিড টেস্ট’। তিনি কি পারবেন তার মন্ত্রণালয়ের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং রাষ্ট্রীয় অর্থ সংকটকে পাশ কাটিয়ে সাধারণ মানুষকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উপহার দিতে? নাকি এই ভয়াবহ লোডশেডিংই জুলাই অভ্যুত্থানের পর গঠিত বর্তমান প্রশাসনের জনপ্রিয়তায় প্রথম এবং সবচেয়ে বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াবে? সরকারের আগামী কয়েক সপ্তাহের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপই নির্ধারণ করে দেবে দেশের এই গভীর অন্ধকারের শেষ কোথায়।


এ জাতীয় আরো খবর...