শিরোনামঃ
নির্বাচনী ইশতেহার ও জুলাই সনদ একসঙ্গে বাস্তবায়ন হচ্ছে: প্রেস সচিব নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন ভূ-রাজনীতি নয়, অর্থনীতিই বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল ভিত্তি : তথ্যমন্ত্রী এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল ৩ বছর বাড়ানোর আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার : হুইপ দুলু প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে ‘নজরুল ভিলেজ’ উদ্বোধন করা হবে: ভূমিমন্ত্রী বউ নিয়ে বাজি: আর্জেন্টিনার জয়ে বিবাহিতা কবিতার যে পরিণতি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে বাধ্য হবো: নাহিদ বায়ু-শব্দদূষণ রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চীনের সঙ্গে জিও পলিটিক্যাল ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে: মির্জা ফখরুল
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন

সংকটের চোরাবালিতে রেমিট্যান্সের লাইফলাইন

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৫ বার
প্রকাশ: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি যখন বহুমুখী সংকটের আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে, ঠিক তখনই আশার সবচেয়ে বড় প্রদীপ হয়ে জ্বলছে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়। নতুন অর্থবছরের শুরুতেই রেমিট্যান্স প্রবাহে এক অভাবনীয় প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা বিগত কয়েক বছরের পরিসংখ্যানকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ের কেবল প্রথম ১৪ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫৪ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২২ শতাংশ বেশি। এর আগে বিদায়ী অর্থবছরের শেষ মাস জুনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন রেকর্ড ২ দশমিক ২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই ধারাবাহিকতায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবমতে মোট রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলারের ঘরে পৌঁছালেও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ মানদণ্ড অনুযায়ী ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করছে। দেশের প্রায় দেড় কোটি প্রবাসী শ্রমিকের পাঠানো এই বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বর্তমানের চরম অর্থনৈতিক মন্দা, আমদানি জটিলতা এবং ডলার সংকটের মুহূর্তে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড সোজা করে রেখেছে। পরিসংখ্যান বলছে, প্রতিবছর নতুন করে প্রায় ১০ লাখ মানুষ কাজের সন্ধানে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন এবং তাদের পাঠানো অর্থের প্রায় ৬০ শতাংশ সরাসরি গ্রামীণ অর্থনীতিতে যুক্ত হয়ে দেশের তৃণমূলের চিত্র বদলে দিচ্ছে।

তবে এই আশাজাগানিয়া খবরের ঠিক উল্টো পিঠেই রয়েছে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির চরম ভঙ্গুর দশা এবং ব্যাংক খাতের সীমাহীন নৈরাজ্য। একদিকে প্রবাসীদের পাঠানো ডলারে রিজার্ভ কিছুটা পুষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পাহাড় অর্থনীতিকে খাদের কিনারে নিয়ে গেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৪২৮ কোটি টাকায়, যা মোট বিতরণকৃত ঋণের প্রায় ২৭ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যাংক থেকে দেওয়া প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে ২৭ টাকার বেশি অর্থ খেলাপির খাতায় চলে গেছে। এর পাশাপাশি ব্যাংক রেজ্যুলেশন আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাতিলের ঘোষণা এবং দুর্বল ব্যাংকগুলোকে একীভূত করার উদ্যোগে নানা মহলের কারসাজি সাধারণ আমানতকারীদের মধ্যে চরম আস্থার সংকট তৈরি করেছে। শেয়ারবাজারের অবস্থাও অত্যন্ত করুণ; মিউচুয়াল ফান্ড ও দুর্বল কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজির ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বারবার পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন। এর বাইরে রেমিট্যান্স প্রবাহের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে হুন্ডি নামের অনানুষ্ঠানিক লেনদেন ব্যবস্থা। মুঘল আমলে শুরু হওয়া এই হুন্ডি প্রথা বর্তমানে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মতো আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। ব্যাংকে গিয়ে হয়রানির শিকার হওয়া এবং হুন্ডিতে ডলারের বিনিময় মূল্য বেশি পাওয়ার কারণে প্রবাসীরা বৈধ চ্যানেলের বদলে অবৈধ পথের দিকেই বেশি ঝুঁকছেন। দালাল চক্রের মাধ্যমে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে বিদেশে যাওয়া, বিমানবন্দরে পদে পদে হয়রানি এবং প্রবাসে গিয়ে চুক্তি অনুযায়ী কাজ না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন—এসবই রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিত্যদিনের কঠিন বাস্তবতা। বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের ওপর অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ঘটনা প্রায় নিয়মিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

এই সামগ্রিক পরিস্থিতি, রেমিট্যান্সের উত্থান এবং কাঠামোগত দুর্বলতার বিষয়ে অর্থনীতিবিদ, বাজার বিশ্লেষক ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা অত্যন্ত গভীর ও সুনির্দিষ্ট মতামত ব্যক্ত করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, রেমিট্যান্সের বর্তমান উল্লম্ফনের পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ কাজ করছে। সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হুন্ডিবিরোধী কঠোর অবস্থান, বৈধ পথে অর্থ পাঠালে আড়াই শতাংশ নগদ প্রণোদনা প্রদান এবং ডলারের বিনিময় হার কিছুটা স্থিতিশীল রাখার কারণে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন। তবে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিট (রামরু)-এর সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, মালদ্বীপের মতো ছোট দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রায় ৬৬ শতাংশই হুন্ডিতে টাকা পাঠান এবং তাদের ৬৪ শতাংশের কোনো ব্যাংক হিসাবই নেই। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, সরকার যখন কৃত্রিমভাবে ডলারের দাম ধরে রাখার চেষ্টা করে এবং মূল্যস্ফীতির দোহাই দিয়ে সুদের হার ৯-৬ এ বেঁধে দেয়, তখন খোলাবাজারে ডলারের দাম অনেক বেড়ে যায়। এই সুযোগটিই লুফে নেয় হুন্ডি কারবারিরা। বিশ্বব্যাংকও তাদের পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে যে, আমদানি নিয়ন্ত্রণ ও ডলার সংকটের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশ চাপে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থ পাচারকারীরাই মূলত হুন্ডি ব্যবসায়ীদের অর্থের জোগানদাতা; দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ বিদেশে বসে হুন্ডি চক্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়, আর সেই সমপরিমাণ টাকা দেশে প্রবাসীর পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা দেশেই ঢুকতে পারে না।

দীর্ঘমেয়াদে কেবল রেমিট্যান্সের ওপর অর্থনীতির এই অতি-নির্ভরশীলতা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা সতর্ক করে বলেছেন, এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না। বিপুলসংখ্যক কর্মক্ষম মানুষ বিদেশে চলে গেলে দেশের অভ্যন্তরীণ শ্রমবাজারে শূন্যতা তৈরি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় শিল্পায়ন, উৎপাদন এবং স্বাধীন অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পথকে বাধাগ্রস্ত করে। অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের উচিত এখন অদক্ষ শ্রমিকের পরিবর্তে কারিগরি জ্ঞান, ভাষা-দক্ষতা ও পেশাগত প্রশিক্ষণসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিতে মনোযোগ দেওয়া। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে এখন নার্সিং, কেয়ারগিভিং, আইটি এবং টেকনিক্যাল কাজের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। পাশাপাশি, বিশেষজ্ঞরা ব্যাংক খাতের সংস্কার নিয়ে কঠোর মতামত দিয়েছেন। তারা মনে করেন, ব্যাংকগুলোকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে পুরোপুরি মুক্ত করে দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে। শুধু আইন করে বা প্রণোদনা দিয়ে হুন্ডি ঠেকানো যাবে না, বরং প্রবাসীদের জন্য ব্যাংকিং সেবা এতটাই সহজ ও লাভজনক করতে হবে যেন তারা নিজেরাই হুন্ডি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। এছাড়া বিদেশের মাটিতে শ্রমিকদের আইনি সুরক্ষা ও বিপদে দ্রুত সহায়তা প্রদানের জন্য দূতাবাসগুলোকে আরও বেশি সক্রিয় ও জবাবদিহিমূলক করার ওপর বিশেষজ্ঞরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

উপরোক্ত ঘটনাবলি এবং বিশেষজ্ঞদের নানামুখী বিশ্লেষণ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করার পর আমার নিজস্ব কিছু উপলব্ধি ও মতামত তৈরি হয়েছে। আমি মনে করি, আমরা জাতীয়ভাবে প্রবাসীদের ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ বা অর্থনীতির নীরব নায়ক বলে যে উপাধি দিয়ে থাকি, তার সঙ্গে আমাদের রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক আচরণের চরম বৈপরীত্য রয়েছে। এই উপাধিটি অনেকটা ফাঁকা বুলির মতো শোনায় যখন দেখি একজন প্রবাসী বিমানবন্দরে পা রাখার পর থেকেই তার নিজের দেশের মানুষের কাছে হয়রানি, তাচ্ছিল্য ও চাঁদাবাজির শিকার হন। একজন মানুষ তার শেষ সম্বল ভিটেমাটি বিক্রি করে, দালাল চক্রের হাতে লাখ লাখ টাকা তুলে দিয়ে বিদেশে পাড়ি জমান। সেখানে গিয়ে মরুভূমির প্রখর রোদে অমানবিক খাটুনি খেটে তিনি যে ডলার দেশে পাঠান, সেই ডলারে আমাদের আমদানির চাকা ঘোরে, রিজার্ভের হিসাব মেলে। অথচ সেই মানুষটির জন্য একটি সহজ, হয়রানিমুক্ত ও নিরাপদ অভিবাসন কাঠামো তৈরি করতে রাষ্ট্র চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। প্রবাসীরা কেন হুন্ডিতে টাকা পাঠান, এই অভিযোগ তোলার আগে আমাদের নিজেদের কাঠামোগত ব্যর্থতার দিকে তাকানো উচিত। একজন শ্রমিক যখন তার কর্মক্ষেত্রের পাশে থাকা হুন্ডি এজেন্টের কাছে শুধু একটি ফোন কলের মাধ্যমে দেশে টাকা পাঠাতে পারেন, এবং ব্যাংকের চেয়ে প্রতি ডলারে দুই-তিন টাকা বেশি পান, তখন ব্যাংকে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে, ভাষাগত জটিলতা পার হয়ে, কম মূল্যে টাকা পাঠানো তার জন্য কোনো যৌক্তিক অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত হতে পারে না। হুন্ডি বন্ধ করতে হলে শুধু পুলিশি অভিযান বা প্রণোদনা দিলেই হবে না; ব্যাংকিং চ্যানেলকে হুন্ডির চেয়েও দ্রুত, সহজ এবং লাভজনক করতে হবে।

আমার দ্বিতীয় পর্যবেক্ষণ হলো আমাদের ব্যাংক ও আর্থিক খাতের কাঠামোগত ক্যানসার নিয়ে। প্রবাসীরা রক্ত জল করা পরিশ্রম দিয়ে দেশের রিজার্ভ বাড়াচ্ছেন, আর দেশের ভেতরে বসে প্রভাবশালী লুটেরা গোষ্ঠী ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা খেলাপি করে বিদেশে পাচার করে দিচ্ছে। এটি এক অদ্ভুত ও নিষ্ঠুর প্রহসন। অর্থ পাচারকারীরা হুন্ডি চক্রের মূল চালিকাশক্তি। সুতরাং ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে অর্থ পাচার বন্ধ করতে না পারলে হুন্ডি কখনোই নির্মূল করা সম্ভব হবে না। আমাদের মনে রাখতে হবে, রেমিট্যান্স কোনো স্থায়ী আয়ের উৎস হতে পারে না। ভূ-রাজনৈতিক কারণে বা বৈশ্বিক মহামারির মতো কোনো সংকটে যদি মধ্যপ্রাচ্য বা অন্য কোনো শ্রমবাজার হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়, তবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে আমাদের এই আমদানিনির্ভর অর্থনীতি। তাই দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা চাইলে রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশীয় শিল্পায়ন ও মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে হবে। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ যেন কেবল ভোগবিলাস বা অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় না হয়, বরং তা যেন দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে, সেদিকে রাষ্ট্রকে নজর দিতে হবে। দেশে ফেরা প্রবাসী কর্মীদের অর্জিত দক্ষতা ও সঞ্চয়কে কাজে লাগাতে একটি সুনির্দিষ্ট জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন করা জরুরি। এতে তাদের ভবিষ্যৎ জীবন যেমন সুরক্ষিত হবে, তেমনি দেশের অর্থনীতিও টেকসই রূপ পাবে।

পরিশেষে বলতে চাই, প্রবাসীদের আমাদের করুণা বা প্রশংসাপত্রের প্রয়োজন নেই, তাদের প্রয়োজন ন্যায্য অধিকার, আইনি সুরক্ষা এবং রাষ্ট্রীয় সম্মান। দালাল চক্রের মূলোৎপাটন, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল আমরা রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের প্রতি প্রকৃত সম্মান প্রদর্শন করতে পারি। অন্যথায়, অর্থনীতির এই লাইফলাইন একদিন আমাদের কাঠামোগত ব্যর্থতার ভারে চিরতরে স্তব্ধ হয়ে যেতে পারে।


এ জাতীয় আরো খবর...