শিরোনামঃ
অতিরিক্ত বাসভাড়া নিলে জরিমানা, বাতিল হবে রুট পারমিট: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী সরকারি হাসপাতালের সামনে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না বিরোধী দলগুলো আত্মস্বীকৃত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হচ্ছে: রিজভী দূরপাল্লা ও মহানগরে বাসভাড়া বাড়ল নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষা প্রদানে বিশেষ জোর দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিমার টাকা হাতাতে নিজেদের বাসেই আগুন দিচ্ছে আওয়ামী লীগ চক্র চাকরির চূড়া থেকে নামার প্রস্তুতি ফিফা সংস্কারের প্রস্তাব ইনফান্তিনোর
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন

বোয়িং, বাণিজ্য ও কূটনীতি: যুক্তরাষ্ট্র সফরে তারেক রহমানের বড় চ্যালেঞ্জ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৩ বার
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সাম্প্রতিক সময়ে বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে এক অত্যন্ত সফল ও তাৎপর্যপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এবারের ওয়াশিংটন ও নিউইয়র্ক সফরটি দেশের জন্য একটি যুগান্তকারী অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং কূটনৈতিক অগ্নিপরীক্ষা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতির এই চরম মেরুকরণের যুগে পরাশক্তিগুলোর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে দেশের স্বার্থ আদায় করা একটি অত্যন্ত কঠিন কাজ। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে সম্প্রতি একটি অত্যন্ত ইতিবাচক ও প্রশংসাসূচক চিঠি পাওয়ার পর এই সফরের গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন বিমান প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি অত্যাধুনিক যাত্রীবাহী বিমান ক্রয়ের বিশাল চুক্তির জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সেই চিঠিতে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং তার সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দুই নেতার এই সম্ভাব্য সাক্ষাৎ কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নই নয়, বরং বৈশ্বিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করার একটি বিশাল সুযোগ তৈরি করেছে।
এই বহুমাত্রিক সফরের অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক আলোচ্যসূচি হতে পারে গত নির্বাচনের ঠিক আগে, অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে স্বাক্ষরিত অত্যন্ত আলোচিত ও শর্তসাপেক্ষ ‘পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি’। এই সুদূরপ্রসারী চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আরোপিত মার্কিন শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত কাঁচামাল ব্যবহার করে তৈরি করা তৈরি পোশাক বা আরএমজি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে রফতানির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদানের এক আকর্ষণীয় প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়ম অনুযায়ী এই সুবিধার বিপরীতে বাংলাদেশকেও বিশাল এক দায়বদ্ধতার শর্ত মেনে নিতে হয়েছে। এই বাণিজ্য চুক্তির শর্তানুযায়ী, বাংলাদেশকে আগামী ১৫ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে মোট ১৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের জ্বালানি পণ্য এবং এক বছরের মধ্যে ৩.৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের কৃষিপণ্য, বিশেষ করে গম, সয়াবিন ও তুলা ক্রয়ের একটি বিশাল ও কঠিন প্রতিশ্রুতি দিতে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই যুক্তরাষ্ট্র সফরে চুক্তির এসব জটিল ও কঠিন শর্ত কিছুটা শিথিল করা এবং দেশীয় রফতানিকারকদের প্রাপ্ত সুবিধাগুলো আরও সুস্পষ্ট করার জন্য মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে অত্যন্ত জোরালোভাবে দরকষাকষি করতে পারেন বলে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
বাংলাদেশের সামনে এখন সবচেয়ে বড় ও জটিল কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হলো বিশ্বের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে একটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা। দেশের বিশাল সব মেগা প্রকল্প ও ভৌত অবকাঠামো খাতে চীনের দেওয়া ঋণ ও বিপুল বিনিয়োগ বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির জন্য যেমন অপরিহার্য, ঠিক তেমনি রফতানি আয়ের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল বাজার কোনোভাবেই চীন বা অন্য কোনো দেশ দিয়ে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব নয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭.৭৪ বিলিয়ন ডলার, যা দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান জীবনীশক্তি। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও ভূরাজনৈতিক শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, বাংলাদেশ যদি কোনো ‘নন-মার্কেট কান্ট্রি’ বা অ-বাজার অর্থনীতির দেশের সঙ্গে, যা মূলত আকারে-ইঙ্গিতে চীনকেই নির্দেশ করে, কোনো বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা বা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো মুহূর্তে বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের এই বাণিজ্য চুক্তি একতরফাভাবে বাতিল করে দিতে পারে। তাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই সফরে ওয়াশিংটনকে যেমন অর্থনৈতিকভাবে আশ্বস্ত করতে হবে, ঠিক তেমনি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বেইজিংয়ের সঙ্গেও বাংলাদেশের কৌশলগত ও উন্নয়নমূলক সম্পর্ক অটুট রাখার কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজটি সুনিপুণভাবে সম্পন্ন করতে হবে।
বাণিজ্যিক চুক্তির শর্ত শিথিলের পাশাপাশি এই হাই-প্রোফাইল সফরে বাংলাদেশে সরাসরি মার্কিন বিনিয়োগ বা এফডিআই বৃদ্ধির বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হবে। আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স বা অ্যামচ্যাম ইতিমধ্যে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে আরও পাঁচ বিলিয়ন ডলারের নতুন মার্কিন বিনিয়োগ আনার একটি সুনির্দিষ্ট ও উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নিয়ে অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই বিনিয়োগের ক্ষেত্র এখন আর কেবল প্রচলিত তৈরি পোশাক খাত বা বোয়িং বিমান ক্রয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। বরং আধুনিক বিশ্বের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প এবং ক্রিটিক্যাল মিনারেল বা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় খনিজ সম্পদের গ্লোবাল সাপ্লাই চেইন নিয়ে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ‘প্যাক্স সিলিকা’ নামের একটি নতুন বৈশ্বিক উদ্যোগে বাংলাদেশের সরাসরি যুক্ত হওয়ার এক অভাবনীয় সুযোগ তৈরি হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের উদীয়মান ওষুধ শিল্পের প্রসারের লক্ষ্যে ইউএস এফডিএ (ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন)-এর টেস্টিং কার্যক্রম বা গুণগত মান যাচাই প্রক্রিয়া পুনরায় বাংলাদেশে চালুর বিষয়েও এই সফরে বিশদ আলোচনা হতে পারে, যা সফল হলে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের ওষুধ রফতানিতে এক যুগান্তকারী ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।
রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে বিচার করলে যুক্তরাষ্ট্র সফরটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য বহুমুখী সুবিধা ও বৈশ্বিক স্বীকৃতি আদায়ের একটি বিশাল বড় সুযোগ হিসেবে ধরা দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সান্নিধ্য লাভ এবং ওয়াশিংটনের কাছ থেকে একটি সুস্পষ্ট ও জোরালো স্বীকৃতি পাওয়াটা যেকোনো দেশের নেতার জন্যই অত্যন্ত কাঙ্ক্ষিত একটি বিষয়। এই স্বীকৃতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য ও বৈধতা বয়ে আনবে, যা বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলোর ভূরাজনৈতিক প্রভাবের সঙ্গে একটি চমৎকার ভারসাম্য রক্ষা করতে গভীরভাবে সহায়তা করবে। এই সফরকে কাজে লাগিয়ে তিনি একদিকে যেমন বিপুল পরিমাণ মার্কিন কৃষি ও জ্বালানি পণ্য ক্রয়ের বাধ্যবাধকতার ক্ষেত্রে নমনীয়তা অর্জনের চেষ্টা করবেন, অন্যদিকে তেমনি দেশের প্রধান রফতানি গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র এবং প্রধান অবকাঠামো অংশীদার চীনের মধ্যে চলমান স্নায়ুযুদ্ধে বাংলাদেশ যেন কোনো কঠিন বা বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে না পড়ে, সেই কূটনৈতিক সুরক্ষাবলয়টি নিশ্চিত করবেন।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের আনুষ্ঠানিক ও পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অর্থনৈতিক কর্মসূচির দীর্ঘ তালিকায় রয়েছে বিশ্ব অর্থনীতির স্নায়ুকেন্দ্র ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ প্রতিনিধি, অ্যামচ্যামের মতো প্রভাবশালী ব্যবসায়ী সংগঠন এবং মেটার (ফেসবুক) মতো গ্লোবাল প্রযুক্তি জায়ান্টদের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের নিবিড় যোগাযোগ ও রুদ্ধদ্বার আলোচনা। বিভিন্ন পার্শ্ব-বৈঠক বা সাইডলাইন ফোরামকে কাজে লাগিয়ে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গার নিজ দেশে নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আরও সক্রিয় ও কার্যকর সহযোগিতার জোরালো আহ্বান জানাবেন। একই সঙ্গে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম ভাষণ এবং বৈশ্বিক জলবায়ু কার্যক্রম, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও বিশ্বব্যাপী বিরাজমান অর্থনৈতিক বৈষম্য বিষয়ক বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের সংলাপে তার সরব অংশগ্রহণ তাকে বিশ্বমঞ্চে বর্তমান সরকারের গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রতিশ্রুতি এবং সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন-ভাবনা তুলে ধরার এক অনন্য সুযোগ করে দিচ্ছে।
অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি সামরিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলোও এই সফরে ওয়াশিংটনের গভীর আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। মূলত চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সামরিক ও কৌশলগত সহযোগিতার বিষয়ে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের এক প্রচ্ছন্ন উদ্বেগ রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকায় নিযুক্ত তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে, চীন-নির্মিত সামরিক সরঞ্জামের বিকল্প হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র এখন বাংলাদেশকে নিজস্ব এবং পশ্চিমা মিত্রদেশগুলোর তৈরি অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের লোভনীয় প্রস্তাব দিতে গভীরভাবে আগ্রহী। তবে ভূরাজনৈতিক সমীকরণের জটিলতা হলো, গত জুনের মধ্যেই ঢাকা ও বেইজিং তাদের নিজ নিজ দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা সংলাপ আয়োজনের বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। ফলে চীনের সঙ্গে যখন বাংলাদেশের কৌশলগত সম্পর্ক ক্রমশ আরও বেশি বিস্তৃত ও গভীর হচ্ছে, ঠিক সেই স্পর্শকাতর প্রেক্ষাপটেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ নিরাপত্তা ও সামরিক বিষয়ক আলোচনায় অংশ নিতে যাচ্ছেন। ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন ও মজবুত করার জন্য বাংলাদেশের শীর্ষ নেতারা দীর্ঘদিন ধরেই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন সফরের সুযোগটিকে অত্যন্ত সুকৌশলে কাজে লাগিয়ে আসছেন, আর তারেক রহমানের এবারের সফরটি সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক জুয়া ও সম্ভাবনার দুয়ার হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: নয়া দিগন্ত


এ জাতীয় আরো খবর...