শিরোনামঃ
রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে ৫ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৮ জনের মৃত্যু বিরোধীদল প্রধানমন্ত্রীকে অশোভনভাবে আক্রমণ করে বক্তব্য দিচ্ছে: রিজভী বিএনপি জনগণের সরকার, জনগণের কল্যাণে সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সনদের পাশাপাশি বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জন করতে হবে : শ্রমমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশন ও ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ সমন্বিত উদ্যোগে নৌ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর আত্মহত্যায় প্ররোচনা: এমপি গাজী নজরুলের ফের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর ৫২ সহকারী কমিশনারকে ভূমি মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন

বাণিজ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬ বার
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর অদ্ভুত ও একপেশে এক সমীকরণে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ বা এআরটি (ART) নামের একটি বিতর্কিত চুক্তির অধীনে মার্কিন পণ্য আমদানিতে বাংলাদেশের ওপর নজিরবিহীন ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বোয়িং উড়োজাহাজ থেকে শুরু করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), কৃষিপণ্য এবং অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম—সবকিছুই এই আমদানির বাধ্যবাধকতার দীর্ঘ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেশের প্রথম সারির অর্থনীতিবিদ এবং পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষকরা এই অসম চুক্তির শর্তাবলি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করলেও, সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো এ বিষয়ে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পূর্ণভাবে নিশ্চুপ রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছেন, দেশের অর্থনীতি যখন এমনিতেই আকাশচুম্বী আমদানি ব্যয় এবং ডলার সংকটের কারণে মারাত্মকভাবে হিমশিম খাচ্ছে, তখন এই ধরনের চাপিয়ে দেওয়া মেগা চুক্তি দীর্ঘমেয়াদে এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক সংকট তৈরি করতে পারে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের এই নতুন ও বিতর্কিত মাত্রাটি আরও বেশি দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। গত জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে দীর্ঘ ১৫ বছরের শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। মূলত সেই সরকারের মেয়াদের একেবারে শেষ পর্যায়ে, গত ফেব্রুয়ারিতে এই এআরটি চুক্তিটি অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে স্বাক্ষরিত হয়। পরবর্তীতে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় আসা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বিএনপি সরকারও ওয়াশিংটনের সাথে সম্পর্ক আরও নিবিড় করার সেই একই ধারাবাহিকতায় হাঁটছে। বর্তমানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক বাধ্যবাধকতা পূরণের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই আজ মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সাথে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের আরও উড়োজাহাজ কেনার একটি বিশাল চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
এই চুক্তির অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা এবং ন্যায্যতা নিয়ে সবচেয়ে কড়া ও কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। তিনি এআরটি চুক্তিটিকে একটি সম্পূর্ণ ‘অসম ব্যবস্থা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন যে, এটি বাংলাদেশের ওপর এমন কিছু বাধ্যবাধকতা চাপিয়ে দিচ্ছে যা কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য সম্মানজনক নয়। তার মতে, এই চুক্তিতে ‘পারস্পরিক’ বা রেসিপ্রোকাল শব্দটি ব্যবহার করা হলেও বাস্তবে এর ভেতরে কোনো সমতা নেই, বরং এটি মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের একটি নির্দেশনামা বা অর্ডার শিট। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে তার ঔপনিবেশিক প্রভুর কাছে একপ্রকার আত্মসমর্পণ করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি এই চুক্তির অন্তর্নিহিত আইনি ও যৌক্তিক ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ফেডারেল সরকার হয়তো এ ধরনের চুক্তিতে রাজি হতো না। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের চাপিয়ে দেওয়া এই ধরনের জবরদস্তিমূলক শুল্ক নীতির কঠোর সমালোচনা করে এর বিপক্ষে রায় প্রদান করেছে। আমদানি ও রপ্তানির পেছনে নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক যুক্তি ও বাজারব্যবস্থা কাজ করে, কোনো দেশ চাইলেই শুল্কের ভয় দেখিয়ে বা অন্য কোনো উপায়ে আরেক দেশের ওপর তা জোর করে চাপিয়ে দিতে পারে না।
যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ আদালতের এমন ঐতিহাসিক রায়ের পরও মার্কিন প্রশাসন বাংলাদেশকে কঠোরভাবে সতর্ক করে দিয়েছে যে, এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার কোনো আইনি সুযোগ তাদের নেই। জানা গেছে, বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত অন্তত দশটি দেশ মার্কিন চাপের মুখে এই এআরটি চুক্তিতে সই করতে বাধ্য হয়েছে এবং বাংলাদেশ সেই ফাঁদে পা দেওয়া প্রথম পাঁচটি দেশের মধ্যে একটি। চুক্তির শর্তাবলি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশ আগামী ১৫ বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি বা ১৫ বিলিয়ন ডলারের বিশাল অঙ্কের জ্বালানি পণ্য, বিশেষ করে এলএনজি কেনার সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর পাশাপাশি সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য আমদানিরও কঠিন বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এর আওতায় ভোজ্যতেল, গম, পশুখাদ্য, সয়াবিন ও তুলার মতো পণ্যগুলো ইতিমধ্যে আসতে শুরু করেছে। অপরদিকে, রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনা এবং আরও কিছু উড়োজাহাজ ইজারা নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। পিছিয়ে নেই দেশের বেসরকারি বিমান পরিবহন খাতও; ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস আরও ২১টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য বোয়িংয়ের সাথে জোরেশোরে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এই বিপুল ক্রয়ের পেছনে মার্কিনদের প্রধান যুক্তি হলো, তারা যেহেতু বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় গন্তব্য বা ক্রেতা, তাই দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের এই বিপুল উদ্বৃত্ত বা ব্যবধান কমিয়ে আনতে বাংলাদেশকে অবশ্যই বেশি করে মার্কিন পণ্য কিনতে হবে।
বাণিজ্য ঘাটতি মেটানোর মোড়কে আবদ্ধ এই চুক্তির একটি অত্যন্ত গভীর ও সুদূরপ্রসারী ভূ-রাজনৈতিক এবং সামরিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে আজ অবধি বাংলাদেশের সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের একটি বিশাল অংশ মূলত চীনের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এআরটি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু দেশের, বিশেষ করে চীনের কাছ থেকে সামরিক ক্রয় সীমিত করে মার্কিন সমরাস্ত্র কেনা বহুগুণ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ঢাকা। এর সাথে নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে মার্কিন কংগ্রেসে উত্থাপিত প্রস্তাবিত ‘থিংক টুয়াইস অ্যাক্ট ২০২৫’, যার মূল লক্ষ্যই হলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চীনের প্রতিরক্ষা রপ্তানি ও বিস্তৃত ভূ-রাজনৈতিক প্রভাবকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করা। চীনের প্রভাব খর্ব করার এই বৃহৎ কৌশলের অংশ হিসেবেই ওয়াশিংটন বাংলাদেশের ওপর আরও দুটি প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করার জন্য অবিরত চাপ দিয়ে যাচ্ছে।
মার্কিন চাপের মুখে বাংলাদেশ বিপুল অঙ্কের আমদানি বাড়ানোর এই দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নিলেও, পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের দৃশ্যপটে খুব দ্রুত কোনো নাটকীয় পরিবর্তন আসছে না। ইউএস সেন্সাস ব্যুরোর সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে দুই দেশের মধ্যে মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৬ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলার, যেখানে বাংলাদেশের অনুকূলে বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ছিল ৪ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের অর্থাৎ ২০২৫ সালের ঠিক একই সময়ে মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলার এবং বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ছিল ৪ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার। অর্থনীতিবিদ ড. এম মাসরুর রিয়াজ এই অপরিবর্তিত পরিসংখ্যানের একটি যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সই হওয়া মেগা চুক্তিগুলোর প্রভাব বাণিজ্য পরিসংখ্যানে দৃশ্যমান হতে বেশ কয়েক বছর সময় লাগবে। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন যে, বিমানের ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের যে বোয়িং চুক্তি হতে যাচ্ছে, সেই উড়োজাহাজগুলো সরবরাহ করা হবে ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে। তবে বর্তমান বাস্তবতায় মার্কিন কৃষিপণ্য আমদানি যে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, তা তিনি স্বীকার করেন।
অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংক বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করে বলছেন যে, জোরপূর্বক মার্কিন পণ্য আমদানির এই অযৌক্তিক নীতি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করবে। ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে যেকোনো পণ্য আমদানি করতে পরিবহন বা শিপিং ব্যয় অনেক বেশি পড়ে, যা চূড়ান্তভাবে পণ্যের বাজারমূল্য বাড়িয়ে দেশের অর্থনীতিতে অযাচিত মূল্যস্ফীতির চাপ সৃষ্টি করবে। এর পাশাপাশি দেশের উদীয়মান ঔষধশিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ সেন্টার ফর ইন্দো-প্যাসিফিক অ্যাফেয়ার্সের নির্বাহী পরিচালক শাহাব এনাম খান। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল বা ঔষধশিল্পের কাঁচামাল (এপিআই)-এর ৮০ শতাংশেরও বেশি আমদানি করা হয় চীন থেকে। চীনের সরবরাহকারীদের ওপর যদি কোনো ধরনের মার্কিন বিধিনিষেধ বা শুল্কবাধা আরোপিত হয়, তবে দেশের বাজারে জীবনরক্ষাকারী সব ধরনের ওষুধের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাবে।
এত সব গুরুতর অভিযোগ, ভবিষ্যৎ শঙ্কা এবং স্পষ্ট অর্থনৈতিক ঝুঁকির পরও সরকার মার্কিন চাপের বিষয়টি প্রকাশ্যে পুরোপুরি অস্বীকার করে আসছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবীর সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, ঢাকা ওয়াশিংটন ও বেইজিং উভয়ের সাথেই অত্যন্ত সতর্ক ও ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদারের সাথে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে আরও বেশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। গত ২৬ আগস্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাণিজ্য ঘাটতি নিরসনের বিষয়টিকে সামনে এনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠান। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এআরটি চুক্তির শর্ত পূরণে ঢাকার সদিচ্ছার বিষয়টি নিশ্চিত করলে, ৩১ আগস্ট ট্রাম্প প্রকাশ্যে বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান। তবে সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবীরের মতো প্রবীণ কূটনীতিকরা মনে করেন, চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র যে ধরনের সুদূরপ্রসারী সুবিধা আদায় করে নিয়েছে, তাতে সই করার আগে সরকারের উচিত ছিল আরও অনেক বেশি সতর্ক হওয়া এবং জাতীয় সংসদে এ নিয়ে একটি বিশদ ও গঠনমূলক বিতর্কের আয়োজন করা।
তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার


এ জাতীয় আরো খবর...