শিরোনামঃ
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন

ডেঙ্গুর ত্রিমুখী সংকট: ঘরে ঘরে এডিসের আস্তানা, অবহেলায় বাড়ছে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৮ বার
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি এবার এক নজিরবিহীন এবং ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে| একদিকে থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে পাড়ায় পাড়ায় এডিস মশার বিস্তার ঘটছে, অন্যদিকে জ্বর হলে সাধারণ মানুষের চরম অবহেলা পরিস্থিতিকে আরও মারাত্মক করে তুলছে| এর পাশাপাশি পরিসংখ্যান বলছে এক অদ্ভুত ও ভীতিকর কথা, যেখানে আক্রান্তের তালিকায় পুরুষরা এগিয়ে থাকলেও মৃত্যুর মিছিলে নারীদের সংখ্যাই বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে| সব মিলিয়ে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসটি ডেঙ্গুর ইতিহাসে এক শোকাবহ অধ্যায় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে| স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ইতিমধ্যেই ঊনসত্তর হাজার ছাড়িয়ে গেছে এবং প্রাণহানির সংখ্যা দুই শতকের ঘর অতিক্রম করেছে| বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করছেন যে, ডেঙ্গু এখন আর কেবল মৌসুমী কোনো রোগ নয়, বরং এটি একটি স্থায়ী নগর স্বাস্থ্য সংকটে পরিণত হয়েছে| পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য প্রচলিত পদ্ধতিগুলো এখন আর পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না|
পরিসংখ্যানের দিকে গভীর দৃষ্টি নিক্ষেপ করলে লিঙ্গভিত্তিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর এক বিশাল বৈপরীত্য চোখে পড়ে| বছরের প্রথম দিন থেকে শুরু করে চব্বিশ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে ভর্তি হওয়া মোট ঊনসত্তর হাজার একশত ঊনপঞ্চাশ জন রোগীর মধ্যে পুরুষের সংখ্যা তেতাল্লিশ হাজার চৌষট্টি জন এবং নারীর সংখ্যা পঁচিশ হাজার আটশত চুয়াল্লিশ জন| অর্থাৎ, নারীদের তুলনায় পুরুষরা প্রায় সতেরো হাজার দুইশত বিশ জন বেশি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন| শতকরা হিসাবে মোট আক্রান্তের প্রায় বাষট্টি দশমিক পাঁচ শতাংশই পুরুষ এবং সাঁইত্রিশ দশমিক পাঁচ শতাংশ নারী| কিন্তু চরম উদ্বেগের বিষয় হলো, আক্রান্তের সংখ্যায় পুরুষরা বিস্তর ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও মৃত্যুর ক্ষেত্রে নারীরাই বেশি প্রাণ হারাচ্ছেন| একই সময়ের মধ্যে ডেঙ্গুতে মোট দুইশত নয় জন রোগীর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে| এর মধ্যে লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৃতদের মধ্যে নারীর সংখ্যা একশত এগারো জন এবং পুরুষের সংখ্যা আটানব্বই জন| অর্থাৎ আক্রান্ত কম হওয়া সত্ত্বেও পুরুষের তুলনায় তেরো জন নারী বেশি মৃত্যুবরণ করেছেন|
বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকার চিত্র নারীদের জন্য আরও বেশি ভয়াবহ| এই দুই এলাকায় মারা যাওয়া ঊননব্বই জনের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা যেখানে চৌত্রিশ জন, সেখানে নারীর সংখ্যা পঞ্চান্ন জন| অর্থাৎ শুধু ঢাকা শহরেই পুরুষের চেয়ে একুশ জন বেশি নারী ডেঙ্গুর বলি হয়েছেন| নারীদের এই অধিক মৃত্যুহার জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে| আক্রান্তের তুলনায় নারীদের মৃত্যুর এই আধিক্যের পেছনে বেশ কয়েকটি চিকিৎসাগত ও সামাজিক কারণ দায়ী বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা| বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মির্জা জিয়াউল ইসলাম এ প্রসঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন| তাঁর মতে, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন একটি বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে| বাংলাদেশের নারীদের একটি বড় অংশের মধ্যে নির্দিষ্ট বয়সের পর শারীরিক ওজন বৃদ্ধি বা স্থূলতার প্রবণতা দেখা যায়| এই স্থূলতার কারণে ডেঙ্গু হলে শারীরিক জটিলতা দ্রুত মারাত্মক আকার ধারণ করে| এর পাশাপাশি আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপটে নারীরা নিজেদের শারীরিক অসুস্থতাকে অনেক সময় লুকিয়ে রাখেন বা সাধারণ রোগ ভেবে অবহেলা করেন| জ্বর হওয়ার পর তারা দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন না হয়ে ঘরের কাজ চালিয়ে যান এবং একেবারে শেষ মুহূর্তে বা অবস্থা সংকটাপন্ন হলে হাসপাতালে আসেন| চিকিৎসা শুরু করতে এই বিলম্বই নারীদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে|
ডেঙ্গু এবার তরুণ সমাজকে সবচেয়ে বেশি কাবু করেছে| বয়সভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, একুশ থেকে পঁচিশ বছর বয়সী ছেলেমেয়েরা ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন| এই বয়সসীমার মধ্যে ছয় হাজার ছয়শত নিরানব্বই জন পুরুষ এবং তিন হাজার দুইশত আটষট্টি জন নারী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন| এর ঠিক পরেই রয়েছে ছাব্বিশ থেকে ত্রিশ বছর বয়সীরা, যাদের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজার চারশত তেত্রিশ জন পুরুষ ও তিন হাজার চারশত ষোলো জন নারী| তবে মৃত্যুর পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা| সেখানে ছাব্বিশ থেকে ত্রিশ বছর বয়সীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পঁচিশ জনের প্রাণহানি ঘটেছে| এছাড়া ছত্রিশ থেকে চল্লিশ বছর এবং একত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ বছর বয়সীদের মধ্যেও মৃত্যুর হার যথেষ্ট উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে| চল্লিশোর্ধ্ব রোগীদের ক্ষেত্রেও শারীরিক জটিলতা দ্রুত বাড়তে দেখা গেছে|
চলতি বছরের সবচেয়ে প্রাণঘাতী মাস হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে সেপ্টেম্বর| বছরের মোট মৃত্যুর অর্ধেকেরও বেশি ঘটনা ঘটেছে শুধুমাত্র সেপ্টেম্বরের প্রথম চব্বিশ দিনেই| এই সময়ের মধ্যে একশত তেরো জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে| এর আগে আগস্ট মাসে তেতাল্লিশ জন এবং জুলাই মাসে ছত্রিশ জন মারা গিয়েছিলেন| দুই হাজার বাইশ সালের পুরো বছরে ডেঙ্গুতে যত মানুষ আক্রান্ত হয়েছিলেন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়েই সেই রেকর্ড ভেঙে গেছে| স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বিগত বছরগুলোর শেষ প্রান্তিকে অর্থাৎ অক্টোবর ও নভেম্বরে ডেঙ্গুর প্রকোপ চরম আকার ধারণ করে| তাই বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আগামী মাসগুলোতে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা ভেবেই আতঙ্কিত জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা|
ডেঙ্গু বিস্তারের মূল কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা গেছে, এডিস মশার প্রজননস্থল এখন আর রাস্তাঘাট বা বড় জলাশয়ে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি নাগরিকদের ঘরের ভেতরে এবং দুই ভবনের মাঝখানের অন্ধকার গলিতে স্থায়ী আস্তানা গেড়েছে| ঢাকা শহরের বহুতল ভবনগুলো এখন এডিস মশার প্রধান প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে| ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, বহুতল ভবনগুলোতে সর্বোচ্চ পঁয়ত্রিশ দশমিক তেইশ শতাংশ এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে| এছাড়া ঘরের মেঝের জমে থাকা পানিতে বারো দশমিক ছাব্বিশ শতাংশ, বালতিতে দশ দশমিক চৌত্রিশ শতাংশ এবং প্লাস্টিকের ড্রামে আট দশমিক ঊননব্বই শতাংশ লার্ভা মিলেছে|
বিশেষ করে পাশাপাশি থাকা দুটি ভবনের মাঝখানের যে সরু ও অন্ধকার জায়গা থাকে, সেখানে দিনের আলো পৌঁছায় না| এসব জায়গায় বৃষ্টির পানি জমে থাকে এবং সেখানে ফেলা পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের পাত্র, ডাবের খোসা বা নির্মাণসামগ্রীতে সহজেই এডিস মশা বংশবৃদ্ধি করে| বাইরে থেকে এই জায়গাগুলো চোখে না পড়ায় এগুলো পরিষ্কার করারও কোনো উদ্যোগ থাকে না| আবার অনেকের ঘরের বারান্দায় বা ছাদে শখ করে রাখা ফুলের টব, টবের নিচের ট্রে, এয়ার কন্ডিশনারের জমা পানি কিংবা দীর্ঘদিন ফেলে রাখা বালতির পানিতেও মশার লার্ভা কিলবিল করছে| বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন যে, পাত্রের পানি ফেলে দিলেও এডিসের ডিম পাত্রের গায়ে লেগে থাকতে পারে| তাই শুধু পানি ফেলে দেওয়াই যথেষ্ট নয়, পাত্রটিকে ভালোভাবে ঘষে পরিষ্কার করতে হবে|
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার জানিয়েছেন, ডেঙ্গু এখন একটি কাঠামোগত নগর স্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত হয়েছে| প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা খরচ করে ফগিং বা ধোঁয়া ছিটিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হলেও তা দীর্ঘমেয়াদী কোনো সুফল বয়ে আনছে না| মশা নিধনে অন্তত টানা পাঁচ বছর পরিকল্পিত ও বৈজ্ঞানিক উপায়ে কাজ করতে হবে| জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মুশতাক হোসেনের মতে, ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াইটা শুধু হাসপাতালে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, এটি শুরু করতে হবে প্রতিটি বাড়ি, স্কুল ও কর্মস্থল থেকে| প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা গেলে এই বার্ষিক দুর্ভোগ থেকে জাতিকে রক্ষা করা সম্ভব|
এডিস মশার বিস্তারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অসচেতনতা ডেঙ্গুর ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে| রাজধানীসহ সারা দেশে এখন ঘরে ঘরে জ্বরের রোগী দেখা যাচ্ছে| অনেকেই জ্বর আসামাত্রই ডেঙ্গু আতঙ্কে ভুগছেন, আবার এর উল্টো চিত্রও রয়েছে| বহু মানুষ অতিরিক্ত টাকা খরচের ভয়ে কিংবা হাসপাতাল ভীতি থেকে জ্বরকে সাধারণ ভাইরাস জ্বর ভেবে ফার্মেসি থেকে প্যারাসিটামল কিনে খাচ্ছেন| এই সাময়িক ওষুধে জ্বর হয়তো কিছুটা কমে যায়, কিন্তু শরীরের ভেতরে ডেঙ্গু তার ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যেতে থাকে| আর যখন রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হয়, তখন তাকে তড়িঘড়ি করে হাসপাতালে আনা হয়|
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক নন্দিতা পাল জানিয়েছেন যে, জ্বর কমে যাওয়া মানেই ডেঙ্গুর বিপদ কেটে যাওয়া নয়| বরং ডেঙ্গু রোগীর জ্বর কমার পরের সময়টাই সবচেয়ে বেশি ক্রিটিক্যাল বা ঝুঁকিপূর্ণ| এই সময়ে রক্তচাপ কমে যাওয়া, পেটে পানি জমা বা রক্তক্ষরণের মতো মারাত্মক জটিলতা দেখা দেয়| তাই জ্বর হওয়ার প্রথম তিন দিনের মধ্যেই ডেঙ্গু পরীক্ষা করানো অত্যন্ত জরুরি| চিকিৎসকদের মতে, ডেঙ্গু নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে অ্যান্টিজেন, অ্যান্টিবডি ও প্লাটিলেট কাউন্টসহ রক্তের সাধারণ পরীক্ষাই যথেষ্ট|
রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এখন ডেঙ্গু পরীক্ষা করানোর জন্য মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে| অনেকেই পুরো পরিবার নিয়ে পরীক্ষা করাতে আসছেন| এক রোগীর স্বজন জানিয়েছেন যে, তার পরিবারের সাতজনের মধ্যে ছয়জন একসাথে জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর তারা সবার ডেঙ্গু পরীক্ষা করান| এই ধরনের সচেতনতা ডেঙ্গু মোকাবিলায় অত্যন্ত জরুরি| অন্যদিকে এমন মানুষও আছেন যারা মনে করেন সামান্য জ্বরের জন্য এক হাজার টাকা খরচ করে টেস্ট করানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই| এই অবহেলা ও ভুল মানসিকতাই অনেক ক্ষেত্রে অকাল মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে|
ডেঙ্গু পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ও স্বাস্থ্য খাত নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে| স্বাস্থ্য উপদেষ্টা জানিয়েছেন যে, হাসপাতালগুলোতে স্যালাইনের কোনো তীব্র সংকট নেই এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য মোবাইল হাসপাতাল ও সেনাবাহিনীকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে| রোগীদের বিশেষায়িত হাসপাতালে অযথা ভিড় না করে উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালেই প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে| তবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু সরকারের দিকে চেয়ে থাকলে চলবে না, নাগরিকদেরও নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করতে হবে| ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নগরবাসীর কাছে এক খোলা চিঠিতে সপ্তাহে অন্তত এক দিন নিজেদের বাড়ি, ছাদ ও বারান্দা পরীক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন| সবার সম্মিলিত ও আন্তরিক প্রচেষ্টাতেই কেবল এই ভয়াবহ এবং প্রাণঘাতী ডেঙ্গু সংকট থেকে চিরতরে উত্তরণ সম্ভব|
তথ্যসূত্র: ঢাকা পোস্ট


এ জাতীয় আরো খবর...