সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন

মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গভীরে জোর

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১১ বার
প্রকাশ: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে (ইউএনজিএ) এক অত্যন্ত সফল, ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ কূটনৈতিক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান| তাঁর এই বহুল আলোচিত নিউইয়র্ক সফরকে বাংলাদেশের জন্য এক নতুন কূটনৈতিক দিগন্তের উন্মোচন হিসেবে দেখা হচ্ছে| বিগত কয়েক দিনের এই অত্যন্ত ব্যস্ত ও নিবিড় সফরে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের সরব ও বলিষ্ঠ উপস্থিতি জানান দিয়েছে| সব মিলিয়ে চার দিনের এই বিশাল কর্মযজ্ঞে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা সর্বমোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ও দ্বিপক্ষীয় কর্মসূচিতে অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন| এর মধ্যে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তাঁর ঐতিহাসিক ও দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ প্রদানসহ প্রায় ৩০টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ইভেন্টে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন| বিশ্বমঞ্চে নতুন বাংলাদেশের শক্তিশালী ও গণতান্ত্রিক অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি তিনি এই অল্প সময়ের মধ্যেই ১১টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী বৈশ্বিক সংস্থার শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও গভীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক সম্পন্ন করেছেন| আজ রবিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি সাধারণ বাণিজ্যিক ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীরা নিরাপদে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন| এর আগে নিউইয়র্ক সময় শুক্রবার রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দেশের উদ্দেশে দীর্ঘ যাত্রা শুরু করেছিলেন তাঁরা| সাধারণ বাণিজ্যিক ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রীর এই যাতায়াত দেশের সাধারণ মানুষের কাছে রাষ্ট্রকাঠামোর নতুন এক ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিয়েছে|

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর বহুমুখী ও বৈচিত্র্যময় কার্যক্রমগুলো মূলত কয়েকটি সুনির্দিষ্ট ও কৌশলগত ভাগে বিভক্ত ছিল| গতকাল শনিবার জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে (ইউএনপিএম) আয়োজিত এক বিশেষ প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন এই সফরের বিস্তারিত সাফল্য ও সার্বিক কার্যক্রম গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন| তিনি সংবাদকর্মীদের জানান যে, সাধারণ পরিষদের মূল ধারার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত অন্তত আটটি মেগা কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন| এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও আকর্ষণীয় দিক ছিল সাধারণ বিতর্কে তাঁর দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ প্রদান| এই ভাষণে তিনি কেবল বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক রূপরেখাই তুলে ধরেননি, বরং সমগ্র বিশ্বে কীভাবে স্থায়ী শান্তি, ন্যায়বিচার, আইনের শাসন ও মানবতা প্রতিষ্ঠা করা যায়, তার একটি অত্যন্ত বলিষ্ঠ ও সুচিন্তিত বৈশ্বিক দর্শন বিশ্বনেতাদের সামনে উপস্থাপন করেছেন| এছাড়া তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রাতরাশ অনুষ্ঠান এবং ইউএনজিএ-এর জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অধিবেশনেও অংশ নেন| এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্প আয়োজিত এক অভিজাত ও বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি সস্ত্রীক যোগদান করেন, যা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও ইতিবাচক বার্তা বহন করে| মূল অধিবেশনের বাইরে ইউএনজিএ-এর সাইডলাইনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলাসহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চারটি বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি গভীর মনোযোগের সঙ্গে অংশ নেন| এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে এবং উন্নয়ন সহযোগীদের আয়োজিত অপর একটি অনুষ্ঠানেও তিনি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য প্রদান করেন|

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের অন্যতম প্রধান কূটনৈতিক আকর্ষণ ছিল মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ঐকান্তিক ও সফল প্রচেষ্টা| তিনি দ্বিপক্ষীয় পর্যায়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, হাইতির প্রধানমন্ত্রী অ্যালিক্স দিদিয়ের ফিস-আইমে, ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রে প্লেনকোভিচ এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের মতো বিশ্বনেতাদের সঙ্গে দীর্ঘ ও ফলপ্রসূ বৈঠক করেন| এছাড়া মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট উজ হুসেইন মোহমেদ লতিফ ও সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া মালমের সঙ্গেও তাঁর আলাদা ও তাৎপর্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়| তবে শুক্রবার রাতে সম্পূর্ণ আলাদাভাবে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সল বিন ফারহান বিন আবদুল্লাহ আল সউদ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে তাঁর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়| এর আগে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহর সঙ্গেও তিনি হৃদ্যতাপূর্ণ বৈঠক করেন| মধ্যপ্রাচ্যের এই তিন প্রভাবশালী দেশের (সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত) সঙ্গে অনুষ্ঠিত নিবিড় বৈঠকগুলোতে মূলত বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি, বৈশ্বিক অস্থিরতার মাঝে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা ও বৈদেশিক বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়গুলোতে সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হয়| সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক ও কূটনৈতিক সাফল্যের বিষয় হলো, দ্বিপক্ষীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত এই সকল বৈঠকেই সংশ্লিষ্ট বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় সফরের উষ্ণ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে|

অর্থনৈতিক কূটনীতির ক্ষেত্রেও প্রধানমন্ত্রীর এই সফরটি ছিল অভাবনীয় সাফল্যের মোড়কে ঘেরা এবং অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী| সফরের একেবারে শেষ দিনে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বখ্যাত আর্থিক প্রতিষ্ঠান জেপি মর্গান চেস আয়োজিত ‘ব্রেকফাস্ট মিটিং উইথ ওয়াল স্ট্রিট’ শীর্ষক এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও হাই-প্রোফাইল কর্মসূচিতে যোগ দেন| সেখানে যুক্তরাষ্ট্রসহ সারা বিশ্বের প্রথম সারির প্রায় ২০টি প্রভাবশালী বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ বিনিয়োগকারীরা তাঁর সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় অংশ নেন| যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী বেসরকারি খাত আয়োজিত এই খোলামেলা ও গঠনমূলক আলোচনায় বাংলাদেশের পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক কাঠামোর বিভিন্ন দিক অত্যন্ত আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরা হয়| বিশেষ করে বাংলাদেশের উঠতি আর্থিক খাত, টেকসই অবকাঠামো উন্নয়ন ও আধুনিক প্রযুক্তি খাতে কীভাবে মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি করা যায়, সে বিষয়ে দীর্ঘ ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়| বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক পরিবেশের ইতিবাচক দিকগুলো অত্যন্ত সাবলীলভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা তাদের মধ্যে এ দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে| এর বাইরে প্রধানমন্ত্রী বোয়িং গ্লোবাল এবং গেটস ফাউন্ডেশনের মতো আন্তর্জাতিক ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গেও বৈঠক করেন| পাশাপাশি তিনি প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটির আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অভাব-অভিযোগ শোনেন এবং দেশের অর্থনীতিতে তাদের অমূল্য অবদানের কথা গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন|

মানবাধিকার, আইনের শাসন ও আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নতুন সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের বিষয়টিও এই সফরে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বৈশ্বিক ফোরামে তুলে ধরা হয়েছে| প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘের শরণার্থী ও মানবাধিকার-বিষয়ক হাইকমিশনার এবং ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অত্যন্ত নিবিড় ও খোলামেলা বৈঠক করেছেন| বিশেষ করে জাতিসংঘের মানবাধিকার-বিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্কের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি ছিল অত্যন্ত আবেগঘন ও রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ| ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশে সংঘটিত অগণিত গুম, খুন, শারীরিক ও মানসিক হামলা, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলা এবং চরম মাত্রায় বাকস্বাধীনতা হরণের মতো ঘটনাগুলোর বিরুদ্ধে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের সাহসী ও অনবদ্য ভূমিকার কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন| তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী, অধিকারবঞ্চিত ও গণতন্ত্রকামী আপামর মানুষের পক্ষ থেকে হাইকমিশনারকে অত্যন্ত আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন| অন্যদিকে, চরম প্রতিকূলতা ও স্বৈরতান্ত্রিক পরিবেশের মাঝেও সত্য ও ন্যায্যতার সংগ্রামকে বিশ্ব মানচিত্রে সাহসিকতার সঙ্গে তুলে ধরায় নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ সরকারকে উষ্ণ অভিনন্দন জানায় জাতিসংঘের এই সর্বোচ্চ মানবাধিকার কমিশন| উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন এই প্রসঙ্গে অত্যন্ত আবেগজড়িত কণ্ঠে উল্লেখ করেন যে, বিগত সময়ে সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের নির্মম শিকার হওয়া দল বিএনপি যেহেতু আজ রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালন করছে, তাই দেশের সকল বীর শহীদের পবিত্র আত্মত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে আইনের শাসন, মানবাধিকার ও অবাধ বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই এই বাংলাদেশকে নতুন করে বিনির্মাণ করা হবে|

প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি তাঁর সফরসঙ্গী এবং বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যদের ভূমিকাও ছিল সমগ্র সফরে অত্যন্ত প্রাণবন্ত, প্রশংসনীয় ও চোখে পড়ার মতো| এই হাই-প্রোফাইল সফরে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও বৈশ্বিক অঙ্গনে অত্যন্ত সক্রিয় ও উজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেন| তিনি নিউইয়র্কে সর্বমোট আটটি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে সদর্পে অংশগ্রহণ করেন এবং এর মধ্যে অন্তত চারটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে তিনি অত্যন্ত তথ্যবহুল ও সমাজ গঠনমূলক দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন, যা উপস্থিত আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমাদৃত ও প্রশংসিত হয়| এছাড়া বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ সদস্য, যেমন—অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান, দুই অত্যন্ত দক্ষ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও শামা ওবায়েদ ইসলাম, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ইউএনজিএ-এর সাইডলাইনে আরও প্রায় ৪২টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন| এই নিবিড় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাঁরা জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা সংকট, বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ অত্যন্ত বলিষ্ঠভাবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে তুলে ধরেন| শনিবার জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে আয়োজিত এই বিস্তর ও বিশদ প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় উপদেষ্টা মাহ্দী আমিনের পাশাপাশি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন| গত ২১ সেপ্টেম্বর এক বুক আশা ও নতুন দিনের স্বপ্ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীরা যে কূটনৈতিক যাত্রা শুরু করেছিলেন, তা আজ রোববার সকালে দেশে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে এক অবিস্মরণীয় সফল পরিণতি লাভ করেছে|

তথ্যসূত্র: দেশ রূপান্তর


এ জাতীয় আরো খবর...