শিরোনামঃ
আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ দিলেন হাইকোর্ট আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার যে ব্যাখ্যা দিল পাকিস্তান রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহ শুরু অক্টোবরে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ জ্বালানির মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রণয়নের সুপারিশ স্থায়ী কমিটির মাছে-ভাতে বাঙালির ঐতিহ্য ধরে রাখতে মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ : হুমায়ুন কবির হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী অপতথ্য রোধে সামাজিক ও রাজনৈতিক সচেতনতা দরকার : তথ্য উপদেষ্টা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৪ অপরাহ্ন

সরকার বদলায়, বদলায় না অপরাধের চিত্র: রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় বেপরোয়া দখলদাররা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৬ বার
প্রকাশ: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দেশে রাজনৈতিক ক্ষমতার পালাবদল ঘটলেও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তার দৃশ্যপটে কাঙ্ক্ষিত কোনো পরিবর্তন আসেনি। ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নির্বাচিত নতুন সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এই নতুন সরকারের সাত মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও দেশজুড়ে প্রতিনিয়ত ঘটে চলা হামলা, জমি বা বাড়ি দখল এবং বেপরোয়া চাঁদাবাজির ঘটনাগুলো নাগরিক মনে চরম হতাশা ও গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। অপরাধ সংঘটনের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হয়তো কিছু ক্ষেত্রে গ্রেফতার বা সাময়িক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে, কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে—অপরাধীদের এই দুঃসাহস এবং অপরাধের পুনরাবৃত্তি স্থায়ীভাবে কবে বন্ধ হবে। সমাজ বিশ্লেষক ও মানবাধিকারকর্মীদের মতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তন হলেও যদি অপরাধের মূল সংস্কৃতি না বদলায়, তবে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ভিত্তি ও আইনের শাসন চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানী ঢাকাতেই বেশ কয়েকটি বড় ধরনের হামলা ও দখলের ঘটনা জনমনে প্রবল আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। মিরপুরের স্বনামধন্য রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্তদের বর্বরোচিত হামলা, ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা এর মধ্যে অন্যতম। একই সঙ্গে ইসিবি চত্বর এলাকায় দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আকস্মিক হামলা এবং মোহাম্মদপুর এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে বাড়ি দখলের মতো চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। এসব ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অবশ্য দৃশ্যমান হয়েছে। রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে নয়জনকে গ্রেফতার করেছে এবং দায়িত্বে চরম অবহেলার কারণে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করেছে। অন্যদিকে সালমান মুক্তাদিরের প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করে আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় এনেছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তালিকায় রাজধানীতে চাঁদাবাজি ও জমি-সম্পত্তি দখলে জড়িত এক হাজার ৫৩০ জনের নাম রয়েছে। তাদের মধ্যে ২৭৮ জনকে অপরাধের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার ২৩০ জনই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বর্তমান বা সাবেক নেতা-কর্মী। মাঠপর্যায়ে সক্রিয় এক হাজার ২৫২ জনের মধ্যে অন্তত ৩৫০ জন বিএনপি বা অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বলে তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ফুটপাত, বাজার, পরিবহন, নির্মাণকাজ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, শিল্পকারখানা ও জমি দখলসহ বিভিন্ন খাত থেকে চাঁদা আদায়ের তথ্যও এতে উঠে এসেছে।

ডিএমপির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দেড় বছরের বেশি সময় ধরে তদন্তের ভিত্তিতে ওই তালিকা তৈরি করা হয়েছে এবং নিয়মিত হালনাগাদ করা হচ্ছে। তালিকায় কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী ও কিছু এলাকায় পুলিশের সম্পৃক্ততার অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই অবনতি ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমের কাছে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। গত রবিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, মিরপুরের রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় স্থানীয় ওসির দায়িত্বে গাফিলতি প্রমাণিত হওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্তে যার নামই বেরিয়ে আসুক না কেন, কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ-ও উল্লেখ করেন যে, পুলিশের কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা বা অপরাধে ইন্ধন জোগানোর প্রমাণ মিললে শুধু বদলিই শেষ কথা নয়, প্রয়োজনে ফৌজদারি মামলাও করা হবে। এছাড়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট আইনি অভিযোগ বা মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তা তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করবে।

তবে মানবাধিকারকর্মীরা এই প্রচলিত আইনি ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে মৌলিক কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) সিনিয়র সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবির মনে করেন, অপরাধের পর শুধু মাঠপর্যায়ের হামলাকারীদের ধরলেই সমস্যার সমাধান হবে না, বরং এর নেপথ্যে থাকা গডফাদার বা পৃষ্ঠপোষকদেরও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তিনি বলেন, হামলা, ভাঙচুর ও চাঁদাবাজি কোনোভাবেই একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্বাভাবিক চিত্র হতে পারে না। সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে যদি শুধু অপরাধীদের দলীয় পরিচয় বদলায়, কিন্তু অপরাধের ধরন একই থাকে, তবে তা রাষ্ট্রের জন্য এক গভীর অশনিসংকেত। একটি নির্বাচিত সরকার জনগণের জানমাল রক্ষার যে ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় আসে, সাধারণ মানুষ যদি চাঁদাবাজির আতঙ্কে দিন কাটায়, তবে সেই ম্যান্ডেট তার কার্যকারিতা হারায়। তাই সরকারের এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো অপরাধীদের পেছনে থাকা ক্ষমতার বলয়কে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দেওয়া।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডক্টর তৌহিদুল হক এই বিষয়টিকে আইনি কাঠামোর অসম প্রয়োগের দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করেছেন। তাঁর মতে, আমাদের দেশে সব আমলেই একটি সাধারণ প্রবণতা দেখা যায়—অপরাধীর গায়ে যদি ক্ষমতাসীন দলের তকমা থাকে, তবে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এক ধরনের নমনীয় আচরণ করে, আর সাধারণ অপরাধীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন আচরণ করে। রাজনৈতিক প্রভাবকে ব্যবহার করে দলের কিছু সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি যখন চাঁদাবাজি বা দখলের মতো আর্থিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে, তখন আইনের শাসন মুখ থুবড়ে পড়ে। প্রভাবশালী অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদেরও অনেক সময় নানা প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয়, এমনকি রাজনৈতিক রোষানলের শিকার হতে হয়। এই দ্বৈত নীতি ও বৈষম্য থেকে বেরিয়ে এসে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করতে না পারলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা কখনোই সম্ভব হবে না বলে তিনি সতর্ক করে দেন।

দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সুশাসনের অভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি সাম্প্রতিক দখলবাজি ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ধারাবাহিক ব্যর্থতাকে বর্তমান সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের জন্য এক স্পষ্ট ‘অশনিসংকেত’ বলে অভিহিত করেছে। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ডক্টর ইফতেখারুজ্জামান এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গত আগস্ট মাসের পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বাস টার্মিনাল, বাজার, বালুমহাল, জলমহাল এবং ক্যাবল-ইন্টারনেট ব্যবসাসহ নানা খাতে দখলদারিত্বের যে মহোৎসব শুরু হয়েছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ অনেক ক্ষেত্রেই চরম দলীয় কোন্দল ও রক্তক্ষয়ী সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে। দলের ভেতরে কার্যকর আত্মশুদ্ধি এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে বিচারহীনতার সংস্কৃতি পুনরায় প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করবে বলে টিআইবি শঙ্কা প্রকাশ করেছে।

মানবাধিকার সুরক্ষায় কাজ করা সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলামও এই বিচারহীনতার বিরুদ্ধে জোরালো দাবি তুলেছেন। তিনি বলেন, রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মতো একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে হামলা এবং লুটপাটের ঘটনা কেবল সাধারণ কোনো ফৌজদারি অপরাধ নয়, বরং এটি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার মৌলিক অধিকারের ওপর এক চরম আঘাত। তিনি এই হামলায় পুলিশের নীরব বা রহস্যজনক ভূমিকার একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি দ্রুত সংস্কার করে পুনরায় চালু করা এবং লুট হওয়া টিকা ও স্বাস্থ্যনথিগুলো দ্রুত উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর আহ্বান জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক আখ্যা দিয়ে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার কথা বলেছেন। তবে তিনি সামাজিক মাধ্যমে তথ্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জানান, সালমান মুক্তাদির ঘটনার পরপরই এটিকে সরাসরি চাঁদাবাজি এবং একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত করে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, প্রাথমিক তদন্তের তথ্যের সঙ্গে তার পুরোপুরি মিল পাওয়া যাচ্ছে না। এটি মূলত জমির মালিকানা সংক্রান্ত একটি বিরোধের জেরে ঘটেছে বলে পুলিশের কাছে তথ্য এসেছে। তাই কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া আবেগবশত কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের ওপর দোষ চাপিয়ে বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। জনপ্রিয় ব্যক্তিদের ছড়ানো ভুল তথ্য বা মিসইনফরমেশন সমাজে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করে দেন।

সব মিলিয়ে দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে, শুধু অপরাধীদের গ্রেফতার বা ওসি প্রত্যাহার করার মতো খণ্ডিত পদক্ষেপ দিয়ে দখল ও চাঁদাবাজির এই বিশাল চক্র ভাঙা সম্ভব নয়। রাজনৈতিক সদিচ্ছার বাস্তব প্রয়োগ, আইনের চোখে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করা এবং অপরাধীদের রাজনৈতিকভাবে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার যে অসুস্থ সংস্কৃতি দেশে যুগের পর যুগ ধরে চলে আসছে, তার মূলোৎপাটন করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। সাধারণ মানুষ আর কেবল আশ্বাসের বাণী শুনতে চায় না, তারা চায় একটি নিরাপদ ও ভয়হীন সমাজ, যেখানে দিনদুপুরে কেউ তাদের ঘামঝরানো সম্পদ কেড়ে নেওয়ার স্পর্ধা দেখাবে না।

তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন


এ জাতীয় আরো খবর...