শিরোনামঃ
বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে আইন সবার জন্য সমান: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দরের নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনাল চালাবে বিদেশি অপারেটররা রাশিয়া থেকে সরাসরি ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন ২শ’ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার টেনেসিতে নারী বন্দির মৃত্যুদণ্ড জুলাই-আগস্টের ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়াল এনবিআর রাড্ডা দখলের ঘটনায় সাংগঠনিক পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়: বিএনপিকে জামায়াত আমির ৫ অগাস্টের পরে যদু-মধু-কদু ‘সর্বেসর্বা’ হয়ে গেছে উমামা পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিটের নাম পরিবর্তন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত হয়নি: ইসি সচিব তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ আগামী অর্থবছরে শুরু হবে: ত্রাণমন্ত্রী
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন

ব্যক্তি করদাতার নতুন শঙ্কা: করজাল না করের ফাঁদ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৭ বার
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

বাংলাদেশের রাজস্ব প্রশাসন কর ফাঁকি রোধ এবং সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যক্তি করদাতার আয় ও আর্থিক লেনদেনের গভীরে নজরদারি বাড়ানোর এক ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক প্রকাশিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আয়কর নির্দেশিকায় ব্যক্তি করদাতার আয়, লেনদেন, রিটার্ন দাখিল এবং উৎসে কর কর্তনের বিধানগুলোকে একটি বিস্তৃত ও কঠোর কাঠামোর আওতায় আনার সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এই নতুন নির্দেশনার ফলে কর প্রশাসনের হাতে করদাতার সামগ্রিক আর্থিক কর্মকাণ্ডের তথ্যের পরিধি যেমন বহুগুণে বাড়ছে, তেমনি সাধারণ ও নিয়মিত করদাতাদের মনে এক নতুন শঙ্কা ও প্রশ্ন দানা বাঁধছে। সাধারণ মানুষের মূল শঙ্কার জায়গাটি হলো, কর ফাঁকি রোধের এই অভিনব উদ্যোগ কি শেষ পর্যন্ত সাধারণ ও সৎ করদাতার জন্য নতুন কোনো প্রশাসনিক চাপ ও হয়রানির দরজা খুলে দেবে কি না। রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য রাজস্ব বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য এবং এ নিয়ে কারো মনে কোনো প্রশ্ন নেই। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, করজাল যতই বিস্তৃত করা হচ্ছে, তার সাথে সাথে করদাতার মৌলিক অধিকার, সংবেদনশীল তথ্যের গোপনীয়তা এবং ভুল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি প্রতিকারের নিশ্চয়তা সমান্তরালভাবে শক্তিশালী করা হচ্ছে কি না, সেটিই এখন এই কর ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় ও প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নতুন এই আয়কর নির্দেশিকার সার্বিক কাঠামো বিশ্লেষণ করলে একটি বিষয় অত্যন্ত স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, কর প্রশাসন এখন আর শুধু করদাতার মুখের কথায় বা ঘোষিত আয়ের ওপর নির্ভর করতে চাইছে না। এর পরিবর্তে তারা করদাতার বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত আর্থিক কর্মকাণ্ড ও লেনদেনের তথ্যকে কর নির্ধারণ এবং যাচাই-বাছাইয়ের কাজে আরও বেশি পরিমাণে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে যে, এই পদ্ধতিতে কর ফাঁকি শনাক্ত করা আগের চেয়ে অনেক বেশি সহজ হবে। কোনো করদাতার ঘোষিত আয় এবং তার ব্যাংক বা অন্যান্য মাধ্যমে হওয়া আর্থিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে বড় ধরনের অসঙ্গতি থাকলে, সেটি সহজেই কর্তৃপক্ষের নজরে আসবে। কিন্তু অর্থনীতিবিদরা ঠিক এখানেই একটি বড় ধরনের ঝুঁকির গন্ধ পাচ্ছেন। তাদের মতে, কোনো ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবে বড় অঙ্কের লেনদেন হওয়া মানেই যে তার বড় আয় হয়েছে, ব্যাপারটি সব সময় তেমন সরল নয়। একজন সাধারণ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবে নিজের পৈতৃক জমি বিক্রির অর্থ, ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের টাকা, পারিবারিকভাবে স্থানান্তরিত অর্থ কিংবা ব্যবসার ঘূর্ণায়মান মূলধনও থাকতে পারে। তাই শুধুমাত্র লেনদেনের বিপুল তথ্যকে ঢালাওভাবে আয় হিসেবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ সৃষ্টি হলে, প্রকৃত করযোগ্য আয় নির্ধারণের ক্ষেত্রে চরম ভুলের আশঙ্কা তৈরি হবে।
বর্তমান কর ব্যবস্থায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ই-রিটার্ন দাখিলের প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এনবিআরের নিজস্ব ই-ট্যাক্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের ব্যবস্থাটিও নতুন নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। ডিজিটাল ব্যবস্থা স্বভাবতই একজন করদাতার সময় বাঁচাতে এবং তাকে নানা ধরনের হয়রানি থেকে মুক্তি দিতে পারে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলছেন যে, এই সুবিধাটি তখনই বাস্তব রূপ পাবে, যখন অনলাইন ব্যবস্থাটি সাধারণ মানুষের জন্য সহজবোধ্য, শতভাগ স্বচ্ছ এবং ব্যবহারবান্ধব হবে। অন্যথায়, পুরনো কাগজের ফাইলের জটিলতার জায়গায় তৈরি হবে নতুন এক ডিজিটাল ভোগান্তি। এখানে একটি বড় প্রশ্ন এসে যায়—করদাতাকে বাধ্য হয়ে তথ্য দিতে হবে ঠিকই, কিন্তু সেই তথ্যের প্রক্রিয়াকরণে যদি কোনো ভুল হয়, তবে তার দায়ভার কে নেবে? কর প্রশাসনের বিশাল ডেটাবেসে কোনো কারণে ভুল তথ্য প্রবেশ করলে তা সংশোধনের প্রক্রিয়া কতটুকু দ্রুত হবে, কিংবা ভুল তথ্যের ভিত্তিতে যদি সাধারণ করদাতার কাছে অহেতুক নোটিশ চলে আসে, তখন তিনি কীভাবে দ্রুত আইনি প্রতিকার পাবেন? নির্দেশিকার বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রে আগামী দিনগুলোতে এই প্রশ্নগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
রাজস্ব সংগ্রহের একটি অন্যতম প্রধান ও কার্যকর হাতিয়ার হলো উৎসে কর কর্তন বা সোর্স ট্যাক্স। কোনো পাওনা অর্থ পরিশোধ করার সময় তার একটি নির্দিষ্ট অংশ কর হিসেবে কেটে নেওয়া যায় বলে সরকারের পক্ষে রাজস্ব আদায় অত্যন্ত সহজ হয়। কিন্তু ব্যবসার দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলে উৎসে করের একটি নেতিবাচক দিকও রয়েছে। এই ব্যবস্থায় মূলত কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত আয় বা মুনাফা হিসাব করার আগেই কর কেটে নেওয়া হয়। কোনো একটি ব্যবসা যদি বছরে প্রকৃতপক্ষে খুব সামান্যই মুনাফা করে, কিন্তু তাকে যদি পণ্য ক্রয়-বিক্রয় বা সেবার বিভিন্ন পর্যায়ে ধাপে ধাপে উৎসে কর প্রদান করতে হয়, তবে তার কার্যকরী মূলধন বা ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের ওপর মারাত্মক একটি চাপ সৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তীতে বছর শেষে হিসাব-নিকাশ করে এই অতিরিক্ত কর্তিত কর সমন্বয় করা বা ফেরত পেতে দীর্ঘসূত্রতার শিকার হতে হলে, সেটি ওই ব্যবসার জন্য একটি বড় ধরনের অর্থনৈতিক সমস্যা তৈরি করে। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, কর আদায়ের পাশাপাশি অতিরিক্ত কর দ্রুত ফেরত দেওয়া এবং সমন্বয়ের গতিও ত্বরান্বিত করতে হবে।
আমাদের দেশের কর ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে মূলত রয়েছেন বেতনভোগী সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী, নির্দিষ্ট আয়ের পেশাজীবী এবং ছোট-মাঝারি উদ্যোক্তারা। ব্যাংকিং সেবা ও ডিজিটাল লেনদেনের প্রসার ঘটার সাথে সাথে এই শ্রেণির মানুষের আর্থিক কর্মকাণ্ড এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি দৃশ্যমান ও নজরদারির আওতাভুক্ত। কিন্তু অর্থনীতিবিদদের মতে, করজাল সম্প্রসারণের প্রকৃত ও চূড়ান্ত সাফল্য তখনই আসবে, যখন দেশের বড় বড় অপ্রকাশিত আয় বা কালো টাকা এবং রাঘববোয়ালদের কর ফাঁকিও সমানভাবে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে। শুধু সহজে শনাক্তযোগ্য এবং নিয়মিত করদাতাদের ওপর যদি নজরদারি বাড়িয়ে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা হয়, তবে তাকে কখনোই করজাল সম্প্রসারণ বলা যাবে না; বরং এটি হবে নির্দিষ্ট শ্রেণির করদাতার ওপর চাপের পুনর্বণ্টন মাত্র।
কর প্রশাসনের হাতে দেশের কোটি কোটি মানুষের ব্যাংকিং এবং অন্যান্য আর্থিক তথ্যের প্রবাহ যত বাড়ছে, সেই সাথে এই সংবেদনশীল তথ্য সুরক্ষার প্রশ্নটিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। একজন সাধারণ নাগরিকের আয়, সম্পদ এবং দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেনের তথ্য অত্যন্ত ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল। এই তথ্যগুলো কারা দেখতে পারবেন, ঠিক কী উদ্দেশ্যে সেগুলো ব্যবহার করা হবে এবং কতদিন সেগুলো ডিজিটাল আর্কাইভে সংরক্ষণ করা হবে—এগুলো শুধু কোনো সাধারণ প্রযুক্তিগত প্রশ্ন নয়; বরং এটি সামগ্রিকভাবে কর প্রশাসনের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থার প্রশ্ন। তাই জনগণের তথ্য সংগ্রহের ক্ষমতা বাড়ানোর সাথে সাথে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতাও নিশ্চিত করতে হবে। রাজস্ব বাড়াতে করজাল অবশ্যই বড় হতে পারে, কিন্তু সেই জাল যেন এমন এক গোলকধাঁধা না হয়, যেখানে প্রকৃত কর ফাঁকিদাতার চেয়ে নিয়ম মেনে চলা সৎ নাগরিকরাই বেশি আটকা পড়েন এবং হয়রানির শিকার হন।
নতুন নির্দেশিকায় আরেকটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, আর তা হলো—আয়কর এখন শুধু নির্দিষ্ট মাসিক বেতন বা সরাসরি প্রাপ্ত অর্থের হিসাবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। চাকরিজীবী এবং পেশাজীবীদের কর্মক্ষেত্র থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন ভাতা, অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা এবং ব্যক্তিগত ব্যয় ফেরত বা রিইম্বার্সমেন্ট কীভাবে আয় হিসেবে বিবেচিত হবে, তা নিয়ে কর প্রশাসনের নির্দেশনাকে আরও বিস্তৃত ও কড়াকড়ি করা হয়েছে। এই নির্দেশিকার ফলে চাকরিজীবী, পেশাজীবী এবং ব্যবসায়ীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং জটিল প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াচ্ছে—তাদের প্রাপ্ত অর্থের ঠিক কোন অংশটি প্রকৃত আয় হিসেবে বিবেচিত হবে, আর কোন অংশটি কেবল অফিসের বা কাজের প্রয়োজনে করা ব্যয়ের ফেরত বা রিইম্বার্সমেন্ট হিসেবে গণ্য হবে। নির্দেশিকায় ব্যয় ফেরতের বিষয়টিকে আলাদাভাবে উল্লেখ করার অর্থ হলো, কোনো কর্মী যদি অফিসের বা কাজের প্রয়োজনে পকেট থেকে ব্যয় করার পর প্রতিষ্ঠান থেকে সেই অর্থ ফেরত পান, তবে সেই অর্থের প্রকৃত ধরন নির্ধারণ করাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। এখানেই কর প্রশাসনের জন্য যেমন একটি বাস্তব সমস্যা তৈরি হতে পারে, তেমনি করদাতার জন্যও একটি আইনি ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে। প্রকৃত ব্যবসায়িক বা অফিশিয়াল ব্যয়ের অর্থ ফেরত পাওয়া এবং কর্মীর ব্যক্তিগত সুবিধা হিসেবে অতিরিক্ত অর্থ পাওয়া—এই দুটি বিষয়কে এক মানদণ্ডে দেখার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু সমস্যা হলো, ব্যয়ের সপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, বিল, ভাউচার বা অনুমোদনের যথাযথ নথি না থাকলে কর্মীর প্রকৃত অফিশিয়াল ব্যয়ও আয়করের খাতায় প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।
নির্দেশিকায় একজন কর্মীর চাকরি থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন অর্থ এবং সুবিধাকে কর নির্ধারণের সময় বিবেচনার আওতায় আনার একটি নতুন কাঠামো দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মূল বেতনের বাইরেও বিভিন্ন ভাতা, সুযোগ-সুবিধা এবং নিয়োগকর্তার পক্ষ থেকে সরাসরি বহন করা কিছু আনুষঙ্গিক ব্যয়ের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের ব্যক্তিগত যাতায়াত, চিকিৎসা ভাতা, প্রশিক্ষণ, অফিশিয়াল সফর বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজের ব্যয় প্রতিষ্ঠান সরাসরি বহন করে, সেখানে প্রতিটি অর্থপ্রদানের প্রকৃতি যদি স্পষ্টভাবে নথিবদ্ধ না থাকে, তবে ভবিষ্যতে কর নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। অর্থাৎ, করদাতার কাছে যেমন প্রতিটি অর্থের সঠিক উৎস এবং এর ব্যবহার ব্যাখ্যার প্রত্যাশা থাকবে, তেমনি কর প্রশাসনের কাছেও থাকতে হবে ঠিক একই মাত্রার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। কোনো অর্থ কেন করযোগ্য ধরা হলো, কর্মীর কোন ব্যক্তিগত ব্যয় কেন গ্রহণযোগ্য হলো না এবং ঠিক কোন নথির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো—তা স্পষ্ট করতে হবে। কারণ, কর ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য শুধু ভয় দেখিয়ে বা চাপে ফেলে বেশি কর আদায় করা নয়; বরং ন্যায্যভাবে, স্বচ্ছ নিয়মে এবং যৌক্তিক পদ্ধতিতে কর আদায় করাও একটি সভ্য সমাজের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ।

 

তথ্যসূত্র: নয়াদিগন্ত


এ জাতীয় আরো খবর...