রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন

৩ বছরে এক লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১১ বার
প্রকাশ: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

দেশের প্রান্তিক ও তৃণমূল পর্যায়ের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এক যুগান্তকারী ও উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার | আগামী তিন বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে প্রায় এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের জনস্বাস্থ্য কাঠামোকে আমূল বদলে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে | এই মহাপরিকল্পনার মূল লক্ষ্য কেবল নতুন জনবল নিয়োগেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে আলাদা ও বিচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত মাঠপর্যায়ের তিনটি প্রধান সেবা কাঠামোকে ভেঙে একটি অভিন্ন ও একক প্রশাসনিক ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসা | স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে গ্রামীণ ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার একটি সুদৃঢ় ভিত্তি তৈরি হবে, যা সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের অঙ্গীকারকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে |

বর্তমানে দেশে মাঠপর্যায়ে সেবাদানকারী প্রায় চল্লিশ হাজারেরও বেশি অভিজ্ঞ স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারী এবং কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার বা সিএইচসিপি নিয়োজিত রয়েছেন | সরকারের নতুন প্রস্তাবনা অনুযায়ী, এই বিদ্যমান জনবলের সাথে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের যুক্ত করে দেশজুড়ে প্রায় দেড় লাখ দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর একটি সুসংহত কর্মী বাহিনী গড়ে তোলা হবে | এই সমন্বিত কর্মী বাহিনী পরিচালিত হবে গ্রামীণ অঞ্চলের প্রতিটি ইউনিয়ন এবং শহরাঞ্চলের সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রস্তাবিত ‘স্বাস্থ্য ও সুস্থতা কেন্দ্র’ বা হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং সেন্টারের মাধ্যমে | নতুন কাঠামোয় কর্মরত সকল মাঠকর্মীর পদবি নির্ধারণ করা হয়েছে ‘স্বাস্থ্য ও সুস্থতা সহকারী’ | আলাদা আলাদা দপ্তরের অধীনে বিচ্ছিন্ন কর্মসূচির বদলে এই সহকারীদের একটি সমন্বিত মৌলিক স্বাস্থ্যসেবার ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে তারা কোনো একটি বিশেষ সেবায় সীমাবদ্ধ না থেকে সামগ্রিক প্রাথমিক চিকিৎসার প্রাথমিক পরামর্শক হিসেবে কাজ করতে পারেন |

প্রস্তাবিত এই ব্যাপক সংস্কারের রাজনৈতিক পটভূমি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত জানিয়েছেন যে, দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে শক্তিশালী ও জনবান্ধব করা ক্ষমতাসীন বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম শীর্ষ অঙ্গীকার ছিল | সেই অঙ্গীকারের আলোকেই প্রান্তিক পর্যায়ে এক লাখ নতুন কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের পথে দৃশ্যমান অগ্রগতি শুরু হয়েছে | নির্বাচনী ঘোষণাপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, প্রান্তিক মানুষের কাছে সহজে পৌঁছানোর সুবিধার্থে এই নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের মধ্যে শতকরা আশি ভাগই হবেন নারী কর্মী | প্রতিমন্ত্রী আরও ব্যাখ্যা করেন যে, বর্তমানে ভিন্ন ভিন্ন তিনটি প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে কর্মীরা পরিচালিত হওয়ায় প্রায়ই দায়িত্বের পুনরাবৃত্তি ঘটে | অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, একই পরিবারের কাছে একই দিনে একাধিক সহকারী হাজির হচ্ছেন, অথচ দুর্গম কোনো এলাকার অন্য একটি পরিবার মাসের পর পর কোনো ধরনের স্বাস্থ্যসেবা কিংবা সরকারি পরামর্শ পাচ্ছেন না | এই দ্বৈততা ও অপচয় বন্ধ করে একটি একক ক্যাডার বা কাঠামোর আওতায় সবাইকে নিয়ে আসা এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে |

বিদ্যমান স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দিকে তাকালে দেখা যায় যে, এর অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক বিভাজন অত্যন্ত জটিল ও খণ্ডিত | বর্তমানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বা ডিজিএইচএসের অধীনে নিয়োজিত স্বাস্থ্য সহকারীরা মূলত টিকাদান কর্মসূচির মতো সংবেদনশীল দায়িত্বগুলো পালন করে থাকেন | অন্যদিকে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের বা ডিজিএফপির অধীনে থাকা পরিবার কল্যাণ সহকারীদের মূল দায়িত্ব হলো বাড়ি বাড়ি গিয়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিতরণ ও মা-শিশুর পরামর্শ দেওয়া | এর পাশাপাশি কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের অধীনে চুক্তিতে বা ট্রাস্টের নীতিমালায় কাজ করছেন হাজার হাজার কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার, যাদের দায়িত্ব ক্লিনিকগুলোতে প্রাথমিক ওষুধ ও সাধারণ চিকিৎসা দেওয়া | এই তিন বিভাগে সরকার অনুমোদিত মোট পদ রয়েছে প্রায় ৫৮ হাজার, যার মধ্যে বর্তমানে ৪২ হাজার ৯০০টি পদে জনবল বহাল রয়েছে এবং প্রায় ১৫ হাজার পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পড়ে আছে | এই বিশাল শূন্যতা দ্রুত পূরণ করার পাশাপাশি নতুন জনবল যোগ করাই এখন বড় লক্ষ্য |

নতুন কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, এই স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রতি দুই মাস অন্তর নিয়মিত বিরতিতে তাদের আওতাধীন প্রতিটি বাড়িতে সশরীরে গিয়ে গৃহভিত্তিক স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করবেন | তারা কেবল টিকাদান বা ওষুধ বিতরণেই নিজেদের কাজ সীমিত রাখবেন না, বরং একটি নির্ধারিত ডায়াগনস্টিক কিট বা প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি সঙ্গে বহন করবেন, যার মাধ্যমে রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা রক্তে অক্সিজেনের মাত্রার মতো প্রাথমিক শারীরিক পরীক্ষাগুলো ঘরে বসেই তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে | প্রতিটি পরিবারের স্বাস্থ্য ইতিহাস সংরক্ষণ ও ট্র্যাক করার জন্য কর্মীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে উন্নত প্রযুক্তির ট্যাবলেট কম্পিউটার | এই ট্যাবলেটগুলো একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডেটাবেজের সাথে সার্বক্ষণিক সংযুক্ত থাকবে, যার ফলে চিকিৎসকদের দেওয়া আগের ব্যবস্থাপত্র পর্যালোচনা করে সঠিক স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়া এবং জটিল রোগীদের দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা বিশেষায়িত হাসপাতালে রেফার করা সম্ভব হবে |

এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয় | পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তত্ত্বাবধানে সরকারি শীর্ষ কর্মকর্তা ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কারিগরি কমিটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সমন্বিত রূপরেখা তুলে ধরে একটি বিশদ প্রতিবেদন জমা দেয় | ওই প্রতিবেদনে নতুন একক কাঠামোটি কার্যকর করতে সর্বমোট ৯৯ হাজার ৬৫৭টি নতুন পদ সৃষ্টির সুস্পষ্ট সুপারিশ করা হয় | যদিও প্রাথমিক পর্যালোচনার ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এর আগে ৪৫ হাজার ৭১১টি পদ সৃষ্টির একটি আলাদা প্রস্তাব স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে পাঠানো হয়েছিল, তবে সরকারের উচ্চপর্যায় বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত কারিগরি কমিটির ৯৯ হাজার ৬৫৭টি পদের পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ বাস্তবায়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে |

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সাম্প্রতিক সভার নথিপত্র অনুযায়ী, এই নতুন পদগুলো গ্রামীণ ও নগর এলাকায় প্রায় সমানুপাতিক হারে তৈরি করা হবে | সুপারিশের মধ্যে নগর এলাকার জন্য ৪৯ হাজার ৯৪৫টি এবং গ্রামীণ প্রান্তিকের জন্য ৪৯ হাজার ৭১২টি পদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে | স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুসারে, প্রথম বছরে কেবল শহরাঞ্চলের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে ৯ হাজার ৯৮৯টি পদ তৈরি করা হবে | পরবর্তী দ্বিতীয় বছরে শহরাঞ্চলে আরও ১৯ হাজার ৯৭৮টি এবং গ্রামীণ অঞ্চলে ২৪ হাজার ৮৫৬টি পদ যুক্ত করা হবে | সর্বশেষ তৃতীয় বছরে অবশিষ্ট ৪৪ হাজার ৮৩৪টি পদ সৃষ্টির মাধ্যমে তিন বছরের নিয়োগের এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি সম্পন্ন হবে | এই পদগুলো সৃষ্টির জন্য আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং একই সাথে বিদ্যমান ১৫ হাজার শূন্যপদ দ্রুততম সময়ে পূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলোকে কঠোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে |

তবে সরকারের এই বৈপ্লবিক রূপান্তরের মুখে মাঠপর্যায়ের পুরোনো কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও গভীর উদ্বেগের জন্ম হয়েছে | বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন যে, এত বড় একটি সমন্বিত রূপরেখা তৈরি করা হলেও মাঠপর্যায়ের মূল অংশীজনদের সাথে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনা বা মতবিনিময় করা হয়নি | তাদের প্রধান উদ্বেগের কারণ হলো ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা, ভিন্ন বেতন গ্রেড এবং ভিন্ন নিয়োগ কাঠামোর কর্মীদের কীভাবে রাতারাতি একটি একক ক্যাডারে একীভূত করা সম্ভব হবে | স্বাস্থ্য সহকারীরা সাধারণত উচ্চমাধ্যমিক বা এইচএসসি পাস সনদের ভিত্তিতে রাজস্ব খাতের ১৬তম গ্রেডে সরকারি স্থায়ী পদে নিয়োগ পান | অপরদিকে পরিবার কল্যাণ সহকারীরা এসএসসি সনদের ভিত্তিতে ১৭তম গ্রেডে নিয়োগপ্রাপ্ত | এছাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপিরা ১৬তম গ্রেডে দায়িত্ব পালন করলেও তাদের চাকরি রাজস্ব বাজেটের আওতাভুক্ত নয়, বরং একটি স্বায়ত্তশাসিত ট্রাস্টের নীতিমালায় পরিচালিত হয় |

একইভাবে পরিবার কল্যাণ সহকারীদের পক্ষ থেকেও সরকারের এই একতরফা পদক্ষেপ নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলা হয়েছে | তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, জন্মনিয়ন্ত্রণ ও মাতৃস্বাস্থ্য নিয়ে তাদের দীর্ঘদিনের বিশেষায়িত কাজের ধরন এবং স্বাস্থ্য সহকারীদের কাজের প্রকৃতি সম্পূর্ণ আলাদা | কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বা সমন্বিত গ্রেডেশন তালিকা প্রকাশ না করে সবাইকে একই কাজে নিয়োজিত করলে মাঠপর্যায়ে জটিল প্রশাসনিক অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন | মাঠকর্মীদের এই ক্ষোভ ও সংশয়কে অবশ্য নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা খুব একটা বড় বাধা হিসেবে দেখতে নারাজ | স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের মতে, এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং জনগণের বৃহত্তর স্বার্থেই এই সংস্কার গ্রহণ করা হচ্ছে | ফলে সরকারি কর্মচারীদের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে হবে এবং তাদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দিয়ে ধীরে ধীরে পুরো ব্যবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পরিবেশ তৈরি করা হবে |

একটি দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে তৃণমূলের মানুষের সুস্থতা বজায় রাখা সবচেয়ে বড় পূর্বশর্ত | সরকারের এই এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ ও স্বাস্থ্য কাঠামোকে একীভূত করার পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ প্রশাসনিক ও সামাজিক রূপান্তরের উদাহরণ হতে পারে | তবে এই ঐতিহাসিক উদ্যোগের শতভাগ সুফল সাধারণ মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে হলে কেবল নতুন পদ সৃষ্টি করলেই চলবে না, বরং মাঠপর্যায়ের বিদ্যমান লাখো কর্মীর যৌক্তিক দাবি, পদমর্যাদার সমতা এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তাদের ভেতরকার দ্বিধাদ্বন্দ্ব দূর করা সমানভাবে জরুরি | নীতিনির্ধারক ও মাঠকর্মীদের মধ্যকার কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমেই কেবল এই বিশাল স্বাস্থ্য কর্মীবাহিনী দেশের প্রান্তিক কোটি কোটি মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হতে পারবে |

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার


এ জাতীয় আরো খবর...