শিরোনামঃ
সড়ক দুর্ঘটনায় সৌদি আরবে নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত এনআইসিইউ ওভারহিট হয়ে নবজাতক দগ্ধ প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় ১১২ দক্ষ কর্মী পাঠাচ্ছে বোয়েসেল রবি মৌসুমে ১৪ লাখ ৬০ হাজার কৃষক পাবেন প্রণোদনা, বরাদ্দ প্রায় ৯৬ কোটি টাকা যে কারণে বাতিল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা, জানাল দূতাবাস নারীর ক্ষমতায়নে উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিতে হবে: শামা ওবায়েদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারকে দেয়া হয়েছে ৩২২ কোটি টাকা গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়বে, মোবাইল বিলও দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন

হাসিনার ফেরার পরিকল্পনা: কলকাতায় আওয়ামী লীগ নেতাদের ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১২ বার
প্রকাশ: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

বিগত ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার নজিরবিহীন গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে দেশত্যাগে বাধ্য হওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ফিরে আসার প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর এই সম্ভাব্য স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের বিভিন্ন পশ্চিমা দেশ ও মধ্যপ্রাচ্যে নির্বাসিত অবস্থায় থাকা আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশ থেকে দলটির কেন্দ্রীয় ও প্রভাবশালী নেতারা একে একে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জড়ো হতে শুরু করেছেন। কলকাতা এখন কার্যত ক্ষমতাচ্যুত এই রাজনৈতিক দলটির আন্তর্জাতিক সমন্বয় এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক প্রস্তুতির প্রধান মিলনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের দিন তাঁর সঙ্গী হয়ে দেশে ফেরার চূড়ান্ত লক্ষ্য নিয়েই এই বৃহৎ জমায়েত গড়ে তোলা হচ্ছে।

কলকাতায় দীর্ঘ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর দুজন সদস্য, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং দুজন সাংগঠনিক সম্পাদক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টাইমসের কাছে এই নজিরবিহীন জমায়েত এবং ব্যাপক প্রস্তুতির তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন যে কেবল ভারত নয়, বরং যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা দলটির হাজার হাজার নেতাকর্মী দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। শেখ হাসিনা যে নির্দিষ্ট দিনে বাংলাদেশে পা রাখবেন, সেই একই দিনে তাঁর সঙ্গে বা সমান্তরালভাবে বিদেশে অবস্থানরত সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশও যেকোনো মূল্যে দেশে প্রবেশ করার সর্বাত্মক পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েট প্রেস বা এপির সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা নিজেই আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফিরে আসার বিষয়ে তাঁর অটল প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সেখানে তিনি অত্যন্ত খোলামেলা ভাষায় উল্লেখ করেন যে দেশে পদার্পণ করার পরমুহূর্তেই তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা হতে পারে এবং এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে কার্যকর হতে পারে মৃত্যুদণ্ডও। তবে এই ধরনের সম্ভাব্য চরম পরিণতি জেনেও তিনি নিজ সিদ্ধান্তে অবিচল রয়েছেন। তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি ভারত বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো কোনো আন্তর্জাতিক পরাশক্তির কাছে কোনো ধরনের কূটনৈতিক কিংবা সামরিক সহায়তা চেয়েছেন কি না—এমন প্রশ্নের সরাসরি জবাবে তিনি জানান যে কোনো বিদেশি শক্তির কাছে তিনি সাহায্য প্রার্থনা করেননি এবং তাঁর ভাগ্যে যাই ঘটুক না কেন, গ্রেপ্তার বা মৃত্যু, তা মাথা পেতে নিতে তিনি সম্পূর্ণ প্রস্তুত আছেন।

দলীয় উচ্চপর্যায়ের একাধিক নেতার সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে যে শেখ হাসিনা চলতি নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি কিংবা শেষভাগে পশ্চিমা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে একটি বিশেষ ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাঁর দেশে ফেরার নির্দিষ্ট তারিখ এবং বিস্তারিত রূপরেখা বা রোডম্যাপ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে পারেন। যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বিশ্ববাসীর সামনে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক এক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা জানিয়েছেন যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়া মাত্রই আগামী সপ্তাহের মধ্যে এই বহুপ্রতিক্ষিত সংবাদ সম্মেলনের বিস্তারিত সময়সূচি জনসমক্ষে জানিয়ে দেওয়া হবে।

পশ্চিমা দেশগুলো থেকে সম্প্রতি কলকাতায় পৌঁছানো শীর্ষ নেতারা সেখানে আগে থেকেই অবস্থানরত দলের জ্যেষ্ঠ নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক ও সাংগঠনিক মতবিনিময় সভা করছেন। এসব বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর প্রভাবশালী সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আ ক ম মোজাম্মেল হক এবং মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। এছাড়া সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মির্জা আজম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সুজিত রায় নন্দী এবং কেন্দ্রীয় প্রভাবশালী নেতা শেখ হেলাল উদ্দিন এই নিয়মিত সাংগঠনিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

এই কৌশলগত বৈঠকগুলোতে সাবেক সংসদ সদস্যদের মধ্যে মৃণাল কান্তি দাস, অসীম কুমার উকিল, আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম এবং নিজাম উদ্দিন হাজারীর মতো নেতাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে যুবলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান নিয়মিতভাবে এসব সভায় অংশ নিয়ে তৃণমূলের প্রস্তুতি তদারকি করছেন। তারা বিভিন্ন বিভাগ ও জেলাভিত্তিক সাংগঠনিক সেল গঠন করে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন এবং করণীয় নির্ধারণে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

সম্প্রতি এই জমায়েতে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান, সাবেক নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জের সাবেক আলোচিত সংসদ সদস্য শামীম ওসমান এবং ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি লিয়াকত শিকদার। আব্দুর রহমান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে প্রত্যেকেই কলকাতায় অবস্থান করে দলীয় সভানেত্রীর চূড়ান্ত নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করছেন। অন্যদিকে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জোর দিয়ে বলেছেন যে প্রবাসে বসবাসরত কয়েক হাজার নেতাকর্মী একসঙ্গে দেশে ফেরার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছেন এবং শেখ হাসিনার সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণার ওপরই সবকিছু নির্ভর করছে। শামীম ওসমান দাবি করেছেন যে দেশের সাধারণ মানুষ শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে এবং তিনি বীরের বেশে হাজার হাজার নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে দেশে ফিরবেন।

এদিকে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বর্তমানে যুক্তরাজ্য ও কলকাতার মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও সফর অব্যাহত রেখেছেন। এছাড়া সাবেক পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম এবং সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন লন্ডনে, হাসান মাহমুদ চৌধুরী বেলজিয়ামে এবং নসরুল হামিদ বিপু থাইল্যান্ডে রয়েছেন। জানা গেছে যে যেকোনো মুহূর্তে তাঁরাও কলকাতায় পৌঁছে এই বিশাল আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক জমায়েতে শরিক হতে পারেন। এর আগে নানা কৌশলগত ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নেপালে অবস্থানরত অনেক নেতাই সম্প্রতি ভারতে পাড়ি জমিয়েছেন।

তবে শেখ হাসিনার এই সম্ভাব্য স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিয়ে বড় ধরনের আইনি ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তাও তৈরি হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর সম্প্রতি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন যে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোনো অবস্থাতেই ট্রাভেল পাস কিংবা পাসপোর্ট প্রদান করা হবে না। সরকারের এই কঠোর অবস্থানের ফলে বৈধ নথিপত্র ছাড়া তিনি কীভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবেন, তা নিয়ে গভীর ধোঁয়াশা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের নেতারা দাবি করছেন যে তাঁদের কাছে বিকল্প পথ ও বিশেষ কূটনৈতিক বন্দোবস্ত রয়েছে, যা তারা কৌশলগত নিরাপত্তার স্বার্থে এখনই প্রকাশ করতে নারাজ।

লন্ডনে অবস্থানরত সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী এ প্রসঙ্গে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন যে বর্তমান সরকার যদি পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস না-ও দেয়, তবুও জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরেই স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখবেন। তিনি আরও দাবি করেন যে তাঁর প্রত্যাবর্তনের পথে কোনো ধরনের কৃত্রিম বাধা সৃষ্টি করা হলে সংশ্লিষ্ট সরকারকেই চরম অস্তিত্ব সংকটের মুখে পড়তে হতে পারে। তবে কেন্দ্রীয় নেতাদের বাইরেও দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক সাবেক জনপ্রতিনিধি ও মধ্যম সারির নেতাকর্মী কলকাতায় অবস্থান করে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

ইতিমধ্যে কয়েক শত নেতাকর্মী অত্যন্ত গোপনে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গোপন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাঠাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকে দেশের ভেতরের নেতাকর্মীদের কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে যে সভানেত্রীর প্রত্যাবর্তনের নির্দিষ্ট দিনে সবাইকে একযোগে রাজপথে নেমে বড় ধরনের রাজনৈতিক শোডাউন ঘটাতে হবে। তবে নিরাপত্তার কারণে এই পুরো পরিকল্পনার বিস্তারিত বিবরণ এখনো অত্যন্ত সুরক্ষিত রাখা হয়েছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকলেও আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ডিজিটাল মাধ্যমে প্রতিনিয়ত ব্যাপক তৎপরতা বজায় রেখেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হঠাৎ ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর বিক্ষিপ্ত হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং পোশাক শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষের আড়ালে সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার পেছনে এই পলাতক নেতাদের আর্থিক ও সাংগঠনিক ইন্ধনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সামগ্রিকভাবে বলা যায় যে ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের ঘোষণা এবং কলকাতায় নেতাদের এই ব্যাপক জমায়েত দেশের সামগ্রিক রাজনীতিতে এক নতুন ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন ও চরম উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে।

– তথ্যসূত্র: টাইমস অব বাংলাদেশ


এ জাতীয় আরো খবর...