শিরোনামঃ
ছানি অপারেশন ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান সড়কপথে যুক্ত হচ্ছে ভোলা, মহাসড়ক নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন পিংক বাস: প্রয়োজনীয়, কিন্তু সম্পূর্ণ সমাধান নয় জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য ঘোষণা মার্কিন আদালতে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের নীতি বাতিল গ্যাস সংকট: তবু অর্ডার কমেনি পোশাক কারখানায রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধিতে আগ্রহ কম বিএনপির মন্ত্রিসভার আকার বেড়ে হলো বায়ান্ন, উপদেষ্টার সংখ্যা সর্বোচ্চ
শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন

ব্যালটে রায় লেখা শেষ, এখন শ্বাসরুদ্ধকর অপেক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬৪ বার
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ঘড়ির কাঁটা তখন মধ্যরাত ছুঁই ছুঁই। শহর থেকে গ্রাম—জনপদগুলো এখন শান্ত, কিন্তু নির্ঘুম। সারা দিনের কোলাহল থেমে গেছে, তবে থামেনি উত্তেজনা। দেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে এখন চলছে এক মহাযজ্ঞ—ভোট গণনা। সন্ধ্যা থেকেই জেলা ও উপজেলা নিয়ন্ত্রণ কক্ষগুলো থেকে খণ্ড খণ্ড ফলাফল আসতে শুরু করেছে। তবে চূড়ান্ত ফয়সালা জানা যাবে আজ শুক্রবার সকালে।

জুলাইয়ের রক্তস্নাত অধ্যায়ের পর দীর্ঘ দেড় দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ শেষে এখন দেশজুড়ে শুধুই ফলাফলের অপেক্ষা। নির্বাচন কমিশন আভাস দিয়েছে, আজ শুক্রবার সকাল ১০টার মধ্যেই ৩০০ আসনের (২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে) পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণা করা সম্ভব হবে।

ভোটের হার উৎসবের আমেজ

গতকাল সকালের দিকে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। বিশেষ করে তরুণ ও নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, দুপুর ২টা পর্যন্ত দেশের ৩৬ হাজার ৩১টি কেন্দ্রে ৪৭ দশমিক ৯১ শতাংশ ভোট পড়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, দিনশেষে এই হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই নির্বাচনকে ‘দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানও ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

উত্তাপ, অভিযোগ প্রাণহানি

উৎসবের মাঝেও বিষাদের ছায়া ছিল দেশের কয়েকটি জনপদে। ভোটের দিন সহিংসতা ও অসুস্থতাজনিত কারণে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। খুলনায় ভোটকেন্দ্রের বাইরে উত্তেজনার মধ্যে বিএনপি নেতা মহিবুজ্জামান কচি নিহত হন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় মারা যান এক পোলিং অফিসার। এছাড়া মানিকগঞ্জ ও চট্টগ্রামে ভোট দিতে গিয়ে দুই ভোটারের মৃত্যু হয়েছে। কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধাওয়ায় এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

দিনভর ভোটগ্রহণ শেষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে এসেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। জামায়াতে ইসলামী দাবি করেছে, দেশবাসী ভোটকেন্দ্র দখলের ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছে। তবে কুমিল্লা-৮, শরীয়তপুর-২ ও পটুয়াখালী-১ সহ কয়েকটি আসনে অনিয়ম, এজেন্টদের ওপর হামলা ও জাল ভোটের অভিযোগ এনে ভোট স্থগিতের দাবি জানিয়েছে দলটি। অন্যদিকে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভোটকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ বললেও বেশ কিছু জায়গায় বিচ্ছিন্ন ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও বিভিন্ন কেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগ তুলেছে। মুন্সীগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও কুমিল্লায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলেও তা ভোট গ্রহণে বড় কোনো বাধা সৃষ্টি করতে পারেনি।

নজর এখন নির্বাচন ভবনে

রাত যত গভীর হচ্ছে, নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে ভিড় তত বাড়ছে। টিভি পর্দার দিকে তাকিয়ে আছে পুরো জাতি। এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচনের পাশাপাশি ‘জুলাই সনদ’ বা সংবিধান সংস্কার প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে পোস্টাল ব্যালটেও ভোট দিয়েছেন প্রায় সাড়ে ৬ লাখ মানুষ।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, দুর্গম এলাকা ছাড়া বেশিরভাগ কেন্দ্রের ফলাফল রিটার্নিং কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছাতে শুরু করেছে। চলছে যাচাই-বাছাই ও সমন্বয়ের কাজ।

কে হাসবেন শেষ হাসি?

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান—উভয়েই সরকার গঠনের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। দুই দলই তাদের নেতাকর্মীদের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র ও নির্বাচনী কার্যালয় ত্যাগ না করার নির্দেশ দিয়েছে।

রাত পোহালেই পরিষ্কার হবে দৃশ্যপট। ব্যালট বাক্সে জনগণ কাকে বেছে নিলেন দেশের কাণ্ডারি হিসেবে, আর সংস্কার প্রস্তাবেই বা কী রায় দিলেন—তা জানার জন্য দেশবাসীর এই রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষা ফুরাবে আজ সকালেই। নতুন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই হয়তো মিলবে নতুন এক বাংলাদেশের বার্তা।

 

একটি পিয়াজুকে দুইটি পুলিশ ধরে নিয়ে যাচ্ছে আর বলছে, রমজানে তুই দেশের মানুষের পেটের বারোটা বাজিয়েছিস। পিয়াজু অসহায় হয়ে বলছে, সবাই আমাকে চাই, আমার কি দোষ বলো। পুলিশ বলবে, তোর সাথে কে কে জড়িত? রিমান্ডে নিলেই জানা যাবে। পিয়াজু বলছে, আমার কারিগরকে ধরুন। তাইলেই তো হয়। আমি নিরীহ।

এই রকম টপিক নিয়ে ভিডিও বানাতে চাইছি। তা কি সম্ভব? তুমি কি প্রম্পট লিখে সাহায্য করতে পারবে? ক্যারেক্টার আগের ভিডিও প্রম্পট যেভাবে দিয়েছো সে রকমই হবে।

 


এ জাতীয় আরো খবর...