শিরোনামঃ
ছানি অপারেশন ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান সড়কপথে যুক্ত হচ্ছে ভোলা, মহাসড়ক নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন পিংক বাস: প্রয়োজনীয়, কিন্তু সম্পূর্ণ সমাধান নয় জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য ঘোষণা মার্কিন আদালতে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের নীতি বাতিল গ্যাস সংকট: তবু অর্ডার কমেনি পোশাক কারখানায রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধিতে আগ্রহ কম বিএনপির মন্ত্রিসভার আকার বেড়ে হলো বায়ান্ন, উপদেষ্টার সংখ্যা সর্বোচ্চ
শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন

নির্বাচন শেষ, এখন সরকার গঠন: সংবিধান যা বলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৫৯ বার
প্রকাশ: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন সবার দৃষ্টি নতুন সরকার গঠনের দিকে। সংবিধান অনুযায়ী কীভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর হবে, শপথ কে পড়াবেন এবং কারা সরকার গঠন করবে—তা নিয়ে জনমনে রয়েছে নানা কৌতূহল। সংবিধানের আলোকে সেই প্রক্রিয়াগুলো ধাপে ধাপে তুলে ধরা হলো।

শপথ গ্রহণ ও সময়সীমা

সংবিধান অনুযায়ী, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমেই সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। সাধারণত নির্বাচনের বেসরকারি ফল ঘোষণার পরপরই শপথ হয় না। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হওয়ার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিতদের শপথ গ্রহণ করতে হয়।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব ইতোমধ্যে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নবনির্বাচিতদের শপথগ্রহণ ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে। সব ঠিক থাকলে নির্বাচনের পরবর্তী ৬ দিনের মধ্যেই নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

স্পিকার নেই, শপথ পড়াবেন কে?

সাধারণত নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান জাতীয় সংসদের স্পিকার। কিন্তু চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর সংসদ বিলুপ্ত হয়েছে, স্পিকার নেই এবং ডেপুটি স্পিকারও কারাগারে রয়েছেন। এমতাবস্থায় সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে দুটি বিকল্প পথের কথা বলা হয়েছে:

১. রাষ্ট্রপতি শপথ পাঠ করানোর জন্য কাউকে মনোনীত করতে পারেন।

২. যদি তিন দিনের মধ্যে এভাবে শপথ অনুষ্ঠান না হয়, তবে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) শপথ পাঠ করাবেন।

সরকার প্রধান নিয়োগ ও ক্ষমতা হস্তান্তর

শপথ গ্রহণের পর শুরু হবে সরকার গঠনের মূল পর্ব। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ভূমিকাই প্রধান।

  • সংখ্যাগরিষ্ঠতা: যে দল বা জোট এককভাবে ১৫১টি বা তার বেশি আসনে জয়লাভ করবে, রাষ্ট্রপতি সেই দলের নেতাকে সরকার গঠনের আহ্বান জানাবেন।

  • জোট সরকার: যদি কোনো দল এককভাবে ১৫১টি আসন না পায়, সেক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়া দলকে রাষ্ট্রপতি সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। তবে ওই দলকে অন্য দলের সমর্থন নিশ্চিত করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে।

সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন এবং শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে আগের সরকারের অবসান ঘটবে এবং নতুন সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরিত হবে।


এ জাতীয় আরো খবর...