শিরোনামঃ
২০৩৪ সালের মধ্যে অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে হবে : ববি হাজ্জাজ ঢাকার সব ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক ধারাবাহিক চীন সফর দুদেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেবে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ১২ লাখ রোহিঙ্গার বোঝা একা বহন করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়: আইনমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের কারণেই বর্তমানে বিদ্যুৎ সংকট: চিফ হুইপ নিউমুরিং টার্মিনাল চুক্তিকে দেশ বিক্রির সঙ্গে তুলনা ভিত্তিহীন: বাণিজ্যমন্ত্রী ইজিবাইকে লিথিয়াম ব্যাটারি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: অনিন্দ্য ইসলাম বিদেশি কোম্পানির হাতে টার্মিনাল ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্ন খেলাপি আতঙ্কে থমকে প্রণোদনা নতুন আলোচনা রিকনসিলিয়েশন
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন

সোশ্যাল মিডিয়ার সুনির্দিষ্ট নীতিমালার অভাবে জনসচেতনতা কার্যক্রমে বড় বাধা: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৭৪ বার
প্রকাশ: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুস্পষ্ট কোনো নীতিমালা না থাকায় দেশে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম বা ‘অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইন’ পরিচালনা করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

রোববার (১০ মে) রাজধানীর ড্যাফোডিল ভবনে বাংলাদেশ ছাত্র কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত এক জাতীয় সেমিনার ও শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

নীতিমালার অভাবে বাধাগ্রস্ত ক্যাম্পেইন

তথ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বর্তমান যুগে গণমাধ্যমের অন্যতম শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ার ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মানুষের কাছে দ্রুত বার্তা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কোনো বিকল্প নেই। তবে এই খাতের জন্য সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা না থাকায় অনেক সময় ইতিবাচক ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমগুলো সঠিকভাবে পরিচালনা বা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না।

ডিজিটাল রূপান্তরের পথে রাষ্ট্রীয় কাঠামো

রাষ্ট্রীয় কাঠামোর বর্তমান অবস্থার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমাদের রাষ্ট্রীয় কাঠামো এখনো পুরোপুরি ডিজিটাল রূপে রূপান্তরিত হতে পারেনি। আর এ কারণেই অনলাইন বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে কার্যকর নীতিমালা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সরকার বেশ কিছু সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হচ্ছে। তবে সরকার ধাপে ধাপে পুরো রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোকে ডিজিটালাইজেশনের দিকে এগিয়ে নিচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে এই প্ল্যাটফর্মগুলোকে আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে জনস্বার্থে ব্যবহার করা যায়।

সেমিনারে উঠে আসা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য বক্তা ও বিশেষজ্ঞরা তরুণ সমাজের নৈতিক অবক্ষয় রোধ এবং সামাজিক মাধ্যমের সঠিক ব্যবহারের ওপর বিশেষ জোর দেন। সেমিনারের আলোচনায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা উঠে আসে:

  • মানসম্মত কনটেন্ট প্রচার: তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইতিবাচক মূল্যবোধ ও সুস্থ চিন্তাধারা গড়ে তুলতে সোশ্যাল মিডিয়ায় মানসম্মত এবং শিক্ষণীয় কনটেন্ট প্রচার বাড়াতে হবে।

  • নৈতিক শিক্ষার অন্তর্ভুক্তি: প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় শুধু পুঁথিগত বিদ্যা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের জন্য নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধের চর্চা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

  • স্থায়ী শিক্ষা কমিশন: দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী, সুশৃঙ্খল এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় আনতে একটি ‘স্থায়ী শিক্ষা কমিশন’ গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন আলোচকরা।

  • নীতিগত কাঠামো শক্তিশালীকরণ: বিশেষজ্ঞরা মত দেন যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে গুজব বা অপপ্রচারের হাতিয়ারের বদলে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যকর মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে এর নীতিগত ও আইনি কাঠামোকে দ্রুত শক্তিশালী করা অত্যন্ত জরুরি।

অনুষ্ঠানে তরুণ শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে মেধার মূল্যায়ন ও তাদের ভবিষ্যৎ গড়ার ক্ষেত্রে উৎসাহ প্রদান করা হয়।


এ জাতীয় আরো খবর...