শিরোনামঃ
গৃহশিক্ষক নির্বাচন: কিছু অভিজ্ঞতা, কিছু পরামর্শ সরকারের সমালোচনা অপরাধ নয়, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বলা অপরাধ : তথ্যমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কৃষিভিত্তিক স্থাপনা স্থাপন করতে চাই: মির্জা ফখরুল ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলেই মিলবে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড় ঢাকায় ফের ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ, যুক্ত হতে পারে বেসরকারি খাত বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার বৈঠক সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে স্কুল মিল চালু করা হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ঢাকার চারপাশের নৌপথ সচলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৪ জনের মৃত্যু ঠাকুরগাঁওয়ে বজ্রাঘাতে দুইজনের মৃত্যু
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০২ পূর্বাহ্ন

আজ বন্ধু দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৫ বার
প্রকাশ: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

আগস্টের প্রথম রোববার (২ আগস্ট) বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বন্ধু দিবস। দিনটি শুধু শুভেচ্ছা বিনিময় বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি পোস্ট করার নয়; অনেকের কাছে এটি পুরোনো বন্ধুত্বকে নতুন করে খুঁজে পাওয়ার উপলক্ষ।

যোগাযোগের অসংখ্য মাধ্যম থাকলেও সময়, ব্যস্ততা, কর্মজীবন, স্থান পরিবর্তন কিংবা ব্যক্তিগত দূরত্বের কারণে অনেক বন্ধুই হারিয়ে যায় জীবনের পথচলায়।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, শৈশব ও কৈশোরের বন্ধুত্ব মানুষের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দীর্ঘ সময় যোগাযোগ না থাকলেও প্রকৃত বন্ধুর সঙ্গে দেখা হলে আগের আন্তরিকতা ফিরে আসতে বেশি সময় লাগে না।

বন্ধু দিবসের ধারণার শুরু প্রায় এক শতাব্দী আগে। ১৯৩০ সালে মার্কিন প্রতিষ্ঠান হলমার্ক কার্ডসের প্রতিষ্ঠাতা জয়েস হল বন্ধুদের সম্মান জানাতে একটি বিশেষ দিন পালনের ধারণা দেন। ১৯৫৮ সালে প্যারাগুয়ের চিকিৎসক ড. রামোন আর্তেমিও ব্রাচো ওয়ার্ল্ড ফ্রেন্ডশিপ ক্রুসেড প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১১ সালে জাতিসংঘ ৩০ জুলাইকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। তবে বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অনেক দেশে দীর্ঘদিন ধরেই আগস্টের প্রথম রোববার বন্ধু দিবস হিসেবে উদযাপিত হচ্ছে।

সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, বন্ধুত্ব শুধু আবেগের বিষয় নয়; এটি মানুষের মানসিক সুস্থতা, আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করে। বন্ধুদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বিষণ্নতা কমাতে এবং মানসিক চাপ মোকাবিলায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

বন্ধু দিবসে চাইলে পুরোনো কোনো বন্ধুর সঙ্গে আবার যোগাযোগ শুরু করা যেতে পারে। এজন্য স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই গ্রুপে খোঁজ নিন। পারস্পরিক পরিচিত বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। পুরোনো ফোন নম্বর, ই-মেইল বা ডায়েরি ঘেঁটে দেখুন। অহংকার না করে একটি ছোট বার্তা পাঠান, ‘কেমন আছিস? অনেক দিন কথা হয়নি’। একটি আন্তরিক বার্তাই হয়তো বহু বছরের দূরত্ব ঘুচিয়ে দিতে পারে।

জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পর্কগুলোর একটি হলো বন্ধুত্ব। সময়ের ব্যবধানে যোগাযোগ কমে যেতে পারে, কিন্তু আন্তরিক সম্পর্ক হারিয়ে যায় না। বন্ধু দিবসে একটি ফোনকল, একটি বার্তা কিংবা ছোট্ট শুভেচ্ছা হয়তো বহুদিনের নীরবতা ভেঙে ফিরিয়ে আনতে পারে পুরোনো বন্ধুত্বের উষ্ণতা। কারণ, সত্যিকারের বন্ধু কখনোই পুরোপুরি হারিয়ে যায় না; সে থেকে যায় স্মৃতিতে, অপেক্ষায় থাকে শুধু একটি খোঁজ নেয়ার।


এ জাতীয় আরো খবর...