শিরোনামঃ
আকাশপথে ‘জিম্মি’ রাজশাহী-ঢাকা রুটের যাত্রীরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে একসঙ্গে কাজ করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রূপরেখা ও নীতিমালা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী নানা সংকটেও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে কাজ করছে সরকার: রিজভী স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই : রাশেদ খাঁন দক্ষ জনশক্তি গড়তে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী শুমারির মাধ্যমে দেশের সব নৌযানের তথ্য সংগ্রহ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা ঢেলে সাজাতে আসছে হেলথ হাব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন পুলিশের ৫ কর্মকর্তা গুম-খুন-নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি ও পরিবারের জন্য হচ্ছে নতুন অধিদপ্তর
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন

আকাশপথে ‘জিম্মি’ রাজশাহী-ঢাকা রুটের যাত্রীরা

জাগো নিউজ / ০ বার
প্রকাশ: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬

রাজশাহী-ঢাকা আকাশপথে ফ্লাইট সংকট ক্রমেই প্রকট আকার ধারণ করছে। পর্যাপ্ত ফ্লাইট না থাকা, টিকিটের দুষ্প্রাপ্যতা এবং চড়া ভাড়ার কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে চিকিৎসার জন্য ঢাকামুখী রোগী, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, পর্যটক ও নিয়মিত যাত্রীদের জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠেছে। বাধ্য হয়ে বাড়তি অর্থ দিয়ে আকাশপথে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

ঢাকা-রাজশাহী আকাশপথ থেকে নভোএয়ার কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার পর বর্তমানে মূলত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে এই রুটের যাত্রীদের। প্রতিযোগী কমে যাওয়ায় যাত্রীদের বিকল্পও সীমিত হয়ে পড়েছে। কোনো নির্দিষ্ট সময়ের ফ্লাইটের আসন পূর্ণ হয়ে গেলে পরবর্তী ফ্লাইটের জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া অনেকের সামনে আর কোনো সুযোগ থাকছে না। যাত্রীদের অভিযোগ, এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে চাহিদার সময়ে টিকিটের দামও বেড়ে যাচ্ছে।

‘রাজশাহীতে যাত্রীর অভাব নেই। সকালে তিনটি, দুপুরে ও বিকেলে তিনটি করে মোট ছয়টি ফ্লাইট দিলেও প্রতিটির সিট ফুল থাকবে। অথচ সিট সংকটের কারণে নিরুপায় মানুষ, বিশেষ করে মুমূর্ষু রোগীদের ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা বা তারও বেশি দামে টিকিট কিনতে হচ্ছে’—যাত্রী

নিয়মিত যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগে রাজশাহী-ঢাকা রুটে ইকোনমি ক্লাসের ভাড়া ছিল তিন হাজার থেকে চার হাজার টাকার মধ্যে। অন্যান্য ক্যাটাগরির ভাড়াও ছিল তুলনামূলক সহনীয়। তবে বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিভিন্ন ক্যাটাগরির টিকিটের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।

যাত্রীদের দাবি, ইকোনমি ক্লাসের ভাড়া পাঁচ হাজার ৭০০ থেকে ১১ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে শেষ মুহূর্তে টিকিট কাটতে গেলে ভাড়া আরও বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

রাজশাহী-ঢাকা রুটের নিয়মিত বিমানযাত্রী আবুল কালাম আজাদ জাগো নিউজকে বলেন, ‌‘রাজশাহীতে যাত্রীর অভাব নেই। সকালে তিনটি, দুপুরে ও বিকেলে তিনটি করে মোট ছয়টি ফ্লাইট দিলেও প্রতিটির সিট ফুল থাকবে। অথচ সিট সংকটের কারণে নিরুপায় মানুষ, বিশেষ করে মুমূর্ষু রোগীদের ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা বা তারও বেশি দামে টিকিট কিনতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অন্যান্য ব্যস্ত রুটে একাধিক এয়ারলাইন্সের মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকায় যাত্রীরা তুলনামূলক কম দামে টিকিট কেনার সুযোগ পান। কিন্তু রাজশাহী রুটে প্রতিযোগী কমে যাওয়ায় যাত্রীদের বিকল্প নেই। ফলে চাহিদার সময়ে টিকিটের দাম বেড়ে যাচ্ছে। যাত্রীরা বাধ্য হয়ে বাড়তি টাকা দিয়ে টিকিট কিনছেন।’

‘আগের চেয়ে ভাড়া অনেক বেড়ে গেছে। আগে একটা সময় আমরা তিন হাজার টাকায় যাতায়াত করছি। এখন তো সেটা পাঁচ হাজার ৭০০, কখনো ছয় হাজার হয়ে যায়। এক সপ্তাহ আগে কাটতে হয়, এই হচ্ছে অবস্থা’—যাত্রী

চিকিৎসার প্রয়োজনে নিয়মিত ঢাকা যাতায়াতকারী ডা. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আগের চেয়ে ভাড়া অনেক বেড়ে গেছে। আগে একটা সময় আমরা তিন হাজার টাকায় যাতায়াত করছি। এখন তো সেটা পাঁচ হাজার ৭০০, কখনো ছয় হাজার হয়ে যায়। এক সপ্তাহ আগে কাটতে হয়, এই হচ্ছে অবস্থা।’

সমস্যার কারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ফ্লাইট বাড়াতে হবে। কারণ ফ্লাইট কম হওয়ার কারণে যাত্রী বেশি হচ্ছে। চাহিদা বেশি হওয়ার কারণে তারা মূলত ফ্লাইটের রেটটা বাড়ায় রাখছে।’

বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স রাজশাহী-ঢাকা রুটে প্রতিদিন ফ্লাইট পরিচালনা করছে। অন্যদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সপ্তাহের নির্দিষ্ট কয়েক দিন এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ফলে কোনো নির্দিষ্ট দিনে যাত্রী চাপ বেড়ে গেলে দ্রুত টিকিট সংকট তৈরি হচ্ছে। যাত্রীদের অভিযোগ, অন্তত এক সপ্তাহ আগে টিকিট বুকিং না করলে পছন্দের সময়ের টিকিট পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চিকিৎসার মতো জরুরি প্রয়োজনে আগে থেকে ভ্রমণের পরিকল্পনা করা সম্ভব না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

রাজশাহী-ঢাকা রুটে যাত্রীর কোনো ঘাটতি নেই বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। চিকিৎসা, উচ্চশিক্ষা, ব্যবসা, সরকারি-বেসরকারি দাপ্তরিক কাজ এবং পর্যটনকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ রাজশাহী থেকে ঢাকায় যাতায়াত করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উত্তরাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য এবং চিকিৎসাসেবার কারণে এ রুটে নিয়মিত যাত্রীর চাপ রয়েছে। পাশাপাশি রাজশাহী, পুঠিয়া, বরেন্দ্র অঞ্চলসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আগমনও এই বিমানপথের গুরুত্ব বাড়িয়েছে।

‘আমার জানামতে নভোএয়ার নিজেদের ফ্লাইট গুটিয়ে নিয়েছিল। এরপর থেকে ফ্লাইট সংখ্যা কম হওয়ায় যাত্রীদের চাপ ও টিকিটের চাহিদা বাড়ায় দাম কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু দাম বাড়া না বাড়া এগুলো আমাদের হাতে কিছু থাকে না’—শাহ মখদুম বিমানবন্দরের কর্মকর্তা

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২ মে নভোএয়ার সরে যাওয়ার পর রাজশাহী-ঢাকা রুটে প্রতিযোগিতার ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একটি রুটে একাধিক এয়ারলাইন্স নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করলে যাত্রীদের সামনে বিকল্প বাড়ে। একই সঙ্গে আসনসংখ্যা বাড়লে চাহিদার তুলনায় সরবরাহের ঘাটতি কমে। ভাড়ার ওপরও প্রতিযোগিতামূলক চাপ তৈরি হয়। কিন্তু বর্তমানে রুটটিতে সীমিত সংখ্যক এয়ারলাইন্স থাকায় যাত্রীদের নির্ভরতা কয়েকটি ফ্লাইটের ওপর কেন্দ্রীভূত হয়েছে।

যাত্রীদের একাংশ বর্তমান পরিস্থিতিকে এক ধরনের ‘কৃত্রিম সংকট’ হিসেবে দেখছেন। তাদের অভিযোগ, ফ্লাইটের আসন কম থাকায় এবং প্রতিযোগিতা না থাকায় চাহিদার সময়ে টিকিটের দাম দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন জরুরি চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যেতে চাওয়া রোগীরা। রাজশাহী ও আশপাশের জেলার অনেক রোগী জটিল চিকিৎসার জন্য ঢাকার বিশেষায়িত হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল। কোনো রোগীকে দ্রুত ঢাকায় নেওয়ার প্রয়োজন হলে সড়কপথে দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হয়। আবার বিমানের টিকিট পাওয়া না গেলে বা অতিরিক্ত দামের কারণে অনেক পরিবারকে বাধ্য হয়ে সড়ক ও রেলপথ বেছে নিতে হয়। এতে চিকিৎসা গ্রহণের সময়সূচি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

<strong>প্রভাব পর্যটন খাতেও</strong>
বিমান যোগাযোগের সংকটের প্রভাব পড়ছে রাজশাহীর পর্যটন খাতেও। রাজশাহী শহরের ঐতিহাসিক স্থাপনা, পুঠিয়া রাজবাড়ি, বরেন্দ্র অঞ্চল এবং প্রত্নতাত্ত্বিক বিভিন্ন স্থাপনা দেখতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা আসেন। বিদেশি গবেষক ও পর্যটকদের জন্য দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বিমানের টিকিটের উচ্চমূল্য ও সীমিত আসনপ্রাপ্যতা স্বল্প সময়ের ভ্রমণ পরিকল্পনাকে নিরুৎসাহিত করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আকাশপথের সুযোগ সীমিত থাকায় বিপুলসংখ্যক যাত্রীকে দীর্ঘ সড়ক বা রেলপথের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। রাজশাহী থেকে ঢাকায় সড়কপথে যাতায়াতে অনেক সময় প্রয়োজন হয়। ফলে জরুরি রোগী, ব্যবসায়ী কিংবা স্বল্প সময়ের পর্যটকদের জন্য বিমান যোগাযোগের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। আকাশপথে পর্যাপ্ত আসন ও যুক্তিসংগত ভাড়া নিশ্চিত করা গেলে রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি ও পর্যটন খাত আরও গতিশীল হতে পারে।

পর্যটক কমে যাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন রাজশাহী জিরো পয়েন্টের স্বর্ণা হোটেলের মালিক শফিকুল ইসলাম। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‌‘আগে রাজশাহীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রচুর পর্যটক আসত। তবে বর্তমানে পর্যটকের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। যদিও পর্যটক একেবারেই আসছেন না, বিষয়টি এমন নয়। ঢাকা-রাজশাহী রুটে বিমানের টিকিটের দাম বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব আমাদের ব্যবসায়ও পড়ছে। পর্যটকের সংখ্যা কমে গেলে স্বাভাবিকভাবেই আমাদের ব্যবসায় লোকসান হয়।’

রাজশাহী বরেন্দ্র জাদুঘরের কর্মকর্তা রফিক বলেন, ‘বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর দেশের প্রথম জাদুঘর। এখানে থাকা বিভিন্ন প্রত্ননিদর্শন দেখতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা আসেন। তবে বিমানের টিকিটের দাম বেড়ে গেলে পর্যটকের সংখ্যা অবশ্যই কমে যাবে। এতে রাজশাহীর পর্যটন খাতের পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

ফ্লাইট সংকট নিরসনে যাত্রীদের প্রধান দাবি, রাজশাহী-ঢাকা রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানো। তাদের মতে, সকাল, দুপুর ও বিকেল—এই তিন সময়পর্বে পর্যাপ্ত ফ্লাইট থাকলে যাত্রীরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী সময় বেছে নিতে পারবেন। একই সঙ্গে নতুন দেশীয় এয়ারলাইন্সকে এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনায় উৎসাহিত করা প্রয়োজন। এয়ার অ্যাস্ট্রাসহ অন্যান্য দেশীয় বিমান সংস্থা রাজশাহী-ঢাকা রুটে নিয়মিত সেবা চালু করলে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং যাত্রীদের বিকল্পও তৈরি হবে।

বিমানের ফ্লাইট এবং সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আব্দুল হাকিম বলেন, ‘আমি নিয়মিত ঢাকা-রাজশাহী শাহ মাখদুম থানার দিয়ে যাতায়াত করি। আগে বিমানের সংখ্যা ও দাম দুটোই কম ছিল। কিন্তু এখন হঠাৎ করে নভোএয়ার সরে যাওয়ায় টিকিটের দাম বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া দামের পাশাপাশি যতটুকু সেবা পাওয়ার কথা সেটাও মিলছে না বিমানে। এসব দেখার মতো কেউ নেই। আমরা চাই ঢাকা-রাজশাহীর এই রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানো হোক। ক্লাস অনুযায়ী দাম কিছুটা হলেও কমানো হোক।’

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস, ভাইভা ও মডারেশনের কাজে ঢাকা-রাজশাহীর আকাশপথে নিয়মিত যাতায়াত করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক কামরুজ্জামান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘ইদানীং এই রুটে যাত্রীদের বিড়ম্বনা বাড়ছে। টিকিটের মূল্য অনেকটাই বেড়েছে। এসব দৌরাত্ম্য কমাতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘রুটের যাত্রীসংখ্যা, আসনপ্রাপ্যতা, টিকিটের মূল্য এবং বুকিংয়ের ধরন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হলে বাজারের প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা সম্ভব হবে। কোনো অনিয়ম বা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্তের জন্য কার্যকরভাবে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।’

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে শাহ মখদুম বিমানবন্দর রাজশাহীর বন্দর ব্যবস্থাপক মোছা. দিলারা পারভীন বলেন, ‘আমার জানামতে নভোএয়ার নিজেদের ফ্লাইট গুটিয়ে নিয়েছিল। এরপর থেকে ফ্লাইট সংখ্যা কম হওয়ায় যাত্রীদের চাপ ও টিকিটের চাহিদা বাড়ায় দাম কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু দাম বাড়া না বাড়া এগুলো আমাদের হাতে কিছু থাকে না।’

ভোগান্তি নিরসনে কোনো পরিকল্পনা আছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কোনো বিমান এই লাইনে আসতে চাইলে আমরা অনুমোদনের বিষয়টি দেখতে পারব। নতুন করে কোনো বিমান কোম্পানি আসতে চাইছে কি-না কিংবা সংযুক্ত করতে সিভিল এভিয়েশন অথোরিটি কোনো পরিকল্পনা করছে বলে আমার জানা নেই।’

 

সূত্র: জাগো নিউজ


এ জাতীয় আরো খবর...