বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন

জলবায়ু সংকটে বিপন্ন কন্যাশিশুরা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪ বার
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াল থাবা এখন আর কেবল পরিবেশগত বিপর্যয়ের নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি অত্যন্ত দ্রুত একটি গভীর সামাজিক ও লিঙ্গভিত্তিক সংকটে রূপ নিয়েছে| বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সবচেয়ে নীরব ও নির্মম শিকার হতে হচ্ছে সমাজের সবচেয়ে দুর্বল অংশ কন্যাশিশুদের| সম্প্রতি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল পরিচালিত এক বৈশ্বিক গবেষণায় এই ভয়ংকর ও রূঢ় বাস্তবতার চিত্র অত্যন্ত স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে| ‘স্টেট অব দ্য ওয়ার্ল্ডস গার্লস ২০২৬: চেঞ্জ হার ফোরকাস্ট’ শীর্ষক এই অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বিশদ গবেষণাপত্রে নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে যে, কীভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের আকস্মিক ধাক্কা বা দুর্যোগ কন্যাশিশুদের স্বাভাবিক স্বাস্থ্যসেবা, সুরক্ষা এবং মৌলিক মানবাধিকারকে চরমভাবে বিপন্ন করে তুলছে| এই গবেষণার ফলাফল প্রমাণ করে যে, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে জেন্ডার বৈষম্যের একটি প্রত্যক্ষ ও ভয়ংকর সম্পর্ক রয়েছে|

এই যুগান্তকারী গবেষণার জন্য বাংলাদেশসহ বিশ্বের পাঁচটি চরম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশকে বিশেষভাবে বেছে নেওয়া হয়েছিল| অন্য চারটি দেশ হলো কেনিয়া, পেরু, সেনেগাল এবং জিম্বাবুয়ে| গবেষণার প্রাথমিক অংশ হিসেবে বিশ্বব্যাপী অন্তত পাঁচ হাজার কন্যাশিশু ও তরুণীর ওপর একটি বড় মাপের জরিপ পরিচালনা করা হয়| এর পাশাপাশি এই পাঁচটি দেশের ১৩৯ জন কন্যাশিশুর সঙ্গে সরাসরি নিবিড় সাক্ষাৎকার এবং ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন বা দলীয় আলোচনা সম্পন্ন করা হয়, যাতে দুর্যোগকালীন সময়ে তাদের ব্যক্তিগত অনুভূতি ও মানসিক যন্ত্রণার বিষয়টি গভীরভাবে অনুধাবন করা যায়| শুধু তাই নয়, গত দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিশ্বের পঞ্চাশটিরও বেশি দেশের স্বাস্থ্য ও জলবায়ু বিষয়ক বিশাল তথ্যভাণ্ডার পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে এই গবেষণার চূড়ান্ত ফলাফল প্রণয়ন করা হয়েছে, যা বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াবহতাকে একটি শক্ত প্রামাণ্য ভিত্তি দান করেছে|

গবেষণার সবচেয়ে উদ্বেগজনক ও হদয়বিদারক তথ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, জলবায়ু সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সৃষ্ট চরম দারিদ্র্যের মুখে প্রতি দশজনে অন্তত একজন কন্যাশিশু ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই বাল্যবিবাহের শিকার হতে বাধ্য হচ্ছে| জরিপে অংশগ্রহণকারী প্রতি দশজনের মধ্যে নয়জন কন্যাশিশুই অত্যন্ত আক্ষেপের সঙ্গে জানিয়েছে যে, বন্যা, খরা বা জলোচ্ছ্বাসের মতো যেকোনো জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ তাদের পরিবারের টিকে থাকা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রচণ্ড মানসিক ও আর্থিক চাপ সৃষ্টি করে| এই অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের সরাসরি বলি হতে হয় পরিবারের কন্যাশিশুটিকে| বাংলাদেশ থেকে এই গবেষণায় অংশ নেওয়া শাহিনা নামের ১৯ বছর বয়সি এক তরুণী তার চারপাশের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে জানান, ভয়াবহ বন্যার পানিতে যখন সাধারণ মানুষের সব সহায় সম্বল ভেসে যায় এবং তারা সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়ে, তখন পরিবারগুলো চরম আর্থিক অনটনের কথা ভেবে রীতিমতো দিশেহারা হয়ে যায়| ঠিক এমন এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে পরিবারের অর্থনৈতিক বোঝা কিছুটা কমানোর এক ভ্রান্ত আশায় কন্যাসন্তানকে অত্যন্ত অল্প বয়সে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয়, যা ওই মেয়েটির ভবিষ্যৎ চিরতরে ধ্বংস করে দেয়|

প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় চিকিৎসা সেবার চরম অপ্রতুলতা কন্যাশিশুদের জীবনকে আরও বেশি দুর্বিষহ ও ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে| গবেষণার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জরিপে অংশ নেওয়া ৭৬ শতাংশ কন্যাশিশু ও তরুণী জানিয়েছেন যে, তাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ের মেয়েরা দুর্যোগকালীন সময়ে ন্যূনতম একটি সাধারণ স্বাস্থ্যসেবা পেতেও চরম মাত্রায় সংগ্রাম করেন| আর যেসব এলাকা তীব্র খরা বা দীর্ঘস্থায়ী পানিশূন্যতার শিকার, সেখানে এই স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার হার আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে, যা প্রায় ৮৪ শতাংশে গিয়ে দাঁড়ায়| বন্যা বা ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগের সময় রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়া বা যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার কারণে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বয়ঃসন্ধিকালীন কিশোরী ও নারীরা তাদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা থেকে সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে|

স্বাস্থ্যসেবা থেকে এই দীর্ঘস্থায়ী বিচ্ছিন্নতার এক ভয়াবহ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিণতি হলো অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের মতো ঘটনা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাওয়া| জরিপের সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি দশজন তরুণীর মধ্যে অন্তত একজন জলবায়ু দুর্যোগের ঠিক পরপরই ব্যক্তিগতভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের মতো ভয়াবহ অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন| এর পাশাপাশি ৩৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারী অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে জানিয়েছেন যে, দুর্যোগের পর তাদের নিজ নিজ সমাজে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের হার অতীত যেকোনো সময়ের তুলনায় আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে| বিষয়টি শুধু অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং প্রায় অর্ধেক অংশগ্রহণকারী জানিয়েছেন যে, দুর্যোগের পর তারা তাদের আশেপাশে গর্ভাবস্থা বা সন্তান প্রসবজনিত নানা জটিলতা স্বচক্ষে লক্ষ্য করেছেন| পুষ্টিহীনতা ও চিকিৎসার অভাবে এসব স্বাস্থ্যগত জটিলতার মধ্যে অপরিণত অবস্থায় সন্তান প্রসব এবং গর্ভপাতের মতো অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনাও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেতে দেখা গেছে|

প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর নিজস্ব ঘরবাড়ি হারিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে যাওয়া নারীরা সেখানেও চরম মাত্রায় নিরাপত্তাহীনতার শিকার হন| গবেষণায় অংশ নেওয়া ২৮ শতাংশ তরুণী অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, যেকোনো বড় ধরনের জলবায়ু সংকটের পর তাদের সমাজে নারী ও কন্যাশিশুদের ওপর শারীরিক ও মানসিক সহিংসতার মাত্রা অনেক গুণ বেড়ে যায়| বিশেষ করে জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নারীদের যৌন শোষণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে| বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ২০২২ সালের প্রলয়ংকরী বন্যার সময় এমন একটি আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ২৩ বছর বয়সি এক তরুণী তার সেই দুঃসহ স্মৃতিচারণ করে বলেন, আশ্রয়কেন্দ্রে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি মানুষের গাদাগাদি করে অবস্থান করা, রাতে পর্যাপ্ত আলোর অভাব এবং মেয়েদের জন্য আলাদা নিরাপদ শৌচাগার না থাকায় সেখানে প্রতি মুহূর্তে তাকে যৌন সহিংসতার চরম আতঙ্কে দিন কাটাতে হয়েছিল| এই ভয়ংকর অভিজ্ঞতা শুধু তার একার নয়, বরং দুর্যোগকবলিত এলাকার লাখ লাখ নারীর নিত্যদিনের বাস্তবতা|

কন্যাশিশুদের এই বহুমাত্রিক ঝুঁকির পেছনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ঝরে পড়াকে একটি অন্যতম প্রধান অনুঘটক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে| জলবায়ু দুর্যোগের কারণে স্কুল, কলেজ বা অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যখন মাসের পর মাস বন্ধ থাকে বা পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন কন্যাশিশুদের পড়াশোনা মাঝপথেই চিরতরে বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়| গবেষণায় অত্যন্ত জোরালোভাবে উঠে এসেছে যে, যেসব কন্যাশিশুর পড়াশোনা দুর্যোগের কারণে বিঘ্নিত হয়, তাদের বাল্যবিবাহের শিকার হওয়া অথবা অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকির মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ বেড়ে যায়| স্কুল কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি অনেক কন্যাশিশুর জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল ও সামাজিক সুরক্ষাবলয় হিসেবে কাজ করে, যা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় তারা একেবারেই হারিয়ে ফেলে এবং অচিরেই সমাজের অন্ধকার দিকের শিকারে পরিণত হয়|

জলবায়ু পরিবর্তনের এই নিষ্ঠুর আঘাত সমাজের প্রান্তিক ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কন্যাশিশুদের ওপর আরও কয়েক গুণ বেশি নির্মমভাবে নেমে আসে| গবেষণার বিস্তারিত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সমাজের মূল স্রোতের বাইরে থাকা এই সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর কন্যাশিশুদের স্বাস্থ্য ও অন্যান্য মৌলিক সেবা পেতে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ মাত্রায় সংগ্রাম করতে হয়| তাদের ক্ষেত্রে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবার অভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের শিকার হওয়ার শঙ্কা প্রায় তিন গুণ বেশি থাকে এবং সামাজিক সচেতনতার অভাবে খুব অল্প বয়সে বাল্যবিবাহের জন্য তাদের ওপর প্রায় দ্বিগুণ মাত্রায় পারিবারিক চাপ প্রয়োগ করা হয়| অর্থাৎ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক দুর্বলতার কারণে বৈরী জলবায়ুর রোষানলে তারাই সবচেয়ে বেশি পিষ্ট হয় এবং তাদের আর্তনাদ কখনোই নীতিনির্ধারকদের কানে পৌঁছায় না|

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিনা ঘেলানি এই বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন| তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় সতর্ক করে বলেন যে, কন্যাশিশুদের কাছে জলবায়ু সংকট ভবিষ্যতের কোনো দূরের হুমকি বা কল্পকাহিনী নয়, বরং এটি এখনই অত্যন্ত রূঢ়ভাবে তাদের প্রাত্যহিক জীবনে আঘাত হানছে| এটি প্রতিনিয়ত তাদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করছে এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করে তাদের জীবনকে অগণিত ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে| এই চরম বিপর্যয় ঠেকাতে এবং কন্যাশিশুদের ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে অবিলম্বে কিছু সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়েছে| এর মধ্যে দুর্যোগকালীন সময়ে কন্যাশিশুদের নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা, তাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা যেকোনো মূল্যে চালু রাখা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কঠোর সামাজিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং জলবায়ু সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে শক্তিশালী অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করার ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে|

বাংলাদেশের স্বনামধন্য নারী অধিকার সংগঠন মহিলা পরিষদের সভাপতি ফৌজিয়া মোসলেমও এই আন্তর্জাতিক গবেষণার ফলাফলের সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত পোষণ করে এর ভয়াবহতা তুলে ধরেছেন| একটি জাতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি অত্যন্ত আক্ষেপের সঙ্গে জানান যে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক দুর্যোগগুলো আমাদের সমাজে আগে থেকেই বিদ্যমান গভীর জেন্ডার বৈষম্যকে আরও বহুগুণ উসকে দেয়| এর ফলে সমাজ ও পরিবারের ভেতরে সবচেয়ে বেশি বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকার হওয়া কন্যাশিশুদের স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চরমভাবে বিঘ্নিত হয়| তিনি আরও বলেন, যেকোনো দুর্যোগে কন্যাশিশুরাই সবচেয়ে বড় ভোগান্তির শিকার হয়, কারণ অর্থনৈতিক চাপ কমাতে সমাজ সবার আগে তাদের শিক্ষার অধিকার কেড়ে নেয় এবং খুব দ্রুত বিয়ে দিয়ে তাদের ঘাড় থেকে একটি অলিখিত পারিবারিক বোঝা নামানোর নিষ্ঠুর চেষ্টা করে| এই অমানবিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় হলো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জলবায়ু মোকাবিলার যেকোনো পরিকল্পনা গ্রহণের সময় সেখানে নারী ও কন্যাশিশুদের সক্রিয় ও প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করা| যতক্ষণ পর্যন্ত না নারীদের নিজস্ব মতামতকে জলবায়ু নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত প্রাকৃতিক দুর্যোগের এই নীরব বলি থেকে কন্যাশিশুদের রক্ষা করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না|

তথ্যসূত্র: নিউএজ


এ জাতীয় আরো খবর...