শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১ অপরাহ্ন

কাগজে দাম নির্ধারণ হলেও বাস্তবে এলপিজিতে নৈরাজ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৫ বার
প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬
এলপি গ্যাস

নিত্যপ্রয়োজনীয় রান্নার জ্বালানি সিলিন্ডারজাত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির বাজারে বর্তমানে চরম নৈরাজ্য ও অস্থিরতা বিরাজ করছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি প্রতি মাসের শুরুতে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে এলপিজির একটি সুনির্দিষ্ট খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে দিলেও, দেশের উন্মুক্ত বাজারে সেই নির্দেশনার বিন্দুমাত্র প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। খুচরা বিক্রেতা, ডিলার এবং পরিবেশকরা সরকারি এই দরকে প্রকাশ্যেই বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমতো অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রি করে যাচ্ছেন। অসাধু ব্যবসায়ীদের এমন লাগামহীন অতিমুনাফা ও সিন্ডিকেটের নির্মম খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের, যাদের দৈনন্দিন সংসার চালানোই এখন এক কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশে পর্যাপ্ত এলপিজি আমদানি থাকা সত্ত্বেও এক অদৃশ্য সিন্ডিকেট কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানোর এই অনৈতিক মহোৎসব শুরু করেছে। এই সংকট উত্তরণে সরকার গত ২০ সেপ্টেম্বর জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন আমদানিকারক কোম্পানির প্রতিনিধিদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করলেও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতায় কোনো পরিবর্তন আসেনি।
ভোক্তাদের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসির চরম দুর্বল তদারকি ও দায়িত্বহীনতা। বাজারে কৃত্রিম সংকট সামাল দিতে না পেরে বিইআরসি উল্টো ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিয়ে সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। কমিশন প্রতি কেজিতে এক লাফে ২১ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়িয়ে বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজি ওজনের একটি সিলিন্ডারের দাম আগের চেয়ে ২৫২ টাকা বৃদ্ধি করে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, সরকারিভাবে দাম বাড়িয়ে দেওয়ার পরও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের কোনো জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে এই নির্ধারিত দামে গ্যাস মিলছে না। ক্রেতাদের অবস্থান ও কোম্পানির ব্র্যান্ডভেদে প্রতিটি ১২ কেজির সিলিন্ডার কিনতে গুনতে হচ্ছে ২ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ প্রতিটি সিলিন্ডারে সরকারি দামের চেয়ে ২০০ থেকে শুরু করে প্রায় ৭০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম যখন ১ হাজার ৫৪৫ টাকা ছিল, তখনও সংকটের অজুহাত তুলে তা বিক্রি করা হয়েছিল প্রায় ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত। এর ফলে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, কমিশন দাম বাড়াক বা কমাক, মাঠপর্যায়ের ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছেমতো দাম চাপিয়ে দিয়ে অতিরিক্ত মুনাফা পকেটস্থ করতেই ব্যস্ত রয়েছে।
বর্তমানে বাজারে রান্নার কাজে বিভিন্ন পরিমাণের সিলিন্ডার থাকলেও সবচেয়ে বেশি বিক্রি ও ব্যবহার হয় ১২ কেজির সিলিন্ডার। এছাড়া হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত ৩৩ কেজির বড় সিলিন্ডারের ক্ষেত্রেও একই কারসাজি চলছে। সরকারিভাবে ৩৩ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫ হাজার ৫১ টাকা নির্ধারণ করা থাকলেও তা প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৫০০ টাকায়। সাধারণ ভোক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন যে, সরবরাহ লাইনের বিভিন্ন স্তরে থাকা ব্যবসায়ীরা একজোট হয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজিতে অন্তত ৭৬ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধি করেছেন। এর পেছনে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কোনো কার্যকর অভিযান বা নজরদারি না থাকায় সিন্ডিকেটের হাত দিন দিন আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁয় খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, তারা বাধ্য হয়ে প্রতিটি ১২ কেজি সিলিন্ডার ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় কিনে রান্না চালিয়ে যাচ্ছেন, যার চূড়ান্ত আর্থিক বোঝা পরোক্ষভাবে সাধারণ খাবারের ভোক্তাদের ঘাড়েই চাপছে।
এই অস্বাভাবিক সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির দায় নিয়ে বাজারে ডিলার, পরিবেশক এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পরস্পরকে দোষারোপের পালা চলছে। বিভিন্ন স্তরের খুচরা বিক্রেতা ও ডিলারদের দাবি, মূল আমদানিকারক কোম্পানিগুলো বাজারে সিলিন্ডারের সরবরাহ হঠাৎ কমিয়ে দিয়েছে। সরবরাহ কম থাকায় তারা চড়া দামে সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে বাধ্য হচ্ছেন এবং সেই কারণে খুচরা পর্যায়েও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। অন্যদিকে কোম্পানিগুলোর দাবি, দেশে এলপিজির কোনো ঘাটতি নেই এবং তাদের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। সাধারণ ক্রেতারা অবশ্য এসব অজুহাত পুরোপুরি নাকচ করে দিয়ে বলছেন, খুচরা বিক্রেতা থেকে শুরু করে ডিলার ও কোম্পানির অসাধু কর্মকর্তারা মিলেমিশে পরিকল্পিতভাবে এই কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ক্রেতাদের পকেট কাটছে। তবে বিইআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে জানিয়েছেন যে, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণ এলপিজি আমদানি করা হয়েছে।
পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, দেশে প্রতি মাসে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টন এবং দিনে প্রায় ৫ হাজার টন বা ৫০ লাখ কেজি এলপিজির স্বাভাবিক চাহিদা রয়েছে, যার বিপরীতে বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১৫ লাখ টন। অথচ আমদানির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্ট মাসে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ টন এবং সেপ্টেম্বর মাসে ১ লাখ ৫৬ হাজার ১২৯ টন এলপিজি দেশে আমদানি করা হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যে এই দুই মাসেই দেশে রেকর্ড পরিমাণ সর্বোচ্চ এলপিজি আমদানি সম্পন্ন হয়েছে। আমদানি যখন চাহিদার চেয়ে বেশি, তখন বাজারে সিলিন্ডারের ঘাটতি তৈরি হওয়া কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয়। বিইআরসি ইতিমধ্যে লাইসেন্সধারী কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে এবং তাদের নিজস্ব তদন্ত দল মাঠে কাজ করছে। আমদানি, পরিবেশক কিংবা ডিলার—ঠিক কোন পর্যায়ে কারসাজি করে এই গ্যাসের প্রবাহ আটকে দেওয়া হয়েছে, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রাজধানীর বাইরে দেশের প্রত্যন্ত জেলাগুলোতেও এই কারসাজির মাত্রা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দ্বীপজেলা ভোলার চিত্র পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সেখানকার ডিলাররা ১২ কেজি এলপিজির প্রতিটি সিলিন্ডার ১ হাজার ৮৫০ টাকায় খুচরা বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করছেন। পরবর্তীতে সেই খুচরা বিক্রেতারা সাধারণ ভোক্তাদের কাছে তা বিক্রি করছেন ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত। ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হামিদ পারভেজ আক্ষেপ করে জানান, কোনো উপায় না পেয়ে তিনি বাধ্য হয়ে ২ হাজার টাকায় একটি ১২ কেজির গ্যাস সিলিন্ডার কিনেছেন। স্থানীয় মেসার্স মোসলেম ট্রেডার্সের মতো খুচরা বিক্রেতারা স্বীকার করেছেন যে, তারা ডিলারদের কাছ থেকে বেশি দামে কেনার কারণে ১ হাজার ৯৫০ টাকার নিচে সিলিন্ডার বিক্রি করতে পারছেন না। আবার কিছু ডিলার দাবি করছেন, তারা খুচরা দোকানে সিলিন্ডার প্রতি ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৮৮০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি করছেন।
উত্তরাঞ্চলের জেলা টাঙ্গাইলে এলপিজির সংকট আরও মারাত্মক রূপ নিয়েছে। সেখানকার অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান জেএমটিআই কোম্পানি টানা দুই মাস ধরে সিলিন্ডার সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ রেখেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে ওই এলাকায় প্রতিটি ১২ কেজির সিলিন্ডার ২ হাজার ১০০ টাকা বা তারও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। টাঙ্গাইল জেলা এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার পরিবেশক সমিতির সভাপতি হারুন অর রশিদ এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে প্রশাসনিক ও পরিবহন ব্যয়ের একটি ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, সরকারি নির্ধারিত দর ১ হাজার ৭৪২ টাকায় কোম্পানি থেকে সিলিন্ডার কেনা হলেও কোম্পানিগুলো কোনো ধরনের পরিবহন সুবিধা বা খরচ দেয় না। ফলে ট্রাকভাড়া, পরিবহন ব্যয়, লোড-আনলোড খরচ, গুদামভাড়া, বিদ্যুৎ বিল এবং কর্মচারীদের মাসিক বেতন বাবদ প্রতি সিলিন্ডারে ডিলারদের অতিরিক্ত সর্বনিম্ন ১০০ টাকা ব্যয় করতে হয়। এর ফলে খুচরা দোকানে পৌঁছাতে পৌঁছাতেই সিলিন্ডারের দাম সরকারি রেটকে বহু আগেই ছাড়িয়ে যায় এবং ব্যবসায়ীদের লোকসানের মুখে পড়তে হয়।
একই ধরনের নৈরাজ্যকর চিত্র দেখা গেছে চাঁদপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং নোয়াখালী জেলাতেও। চাঁদপুরের তালতলা, মিশন রোড, নিউ ট্রাক রোড ও নতুন বাজার এলাকায় খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে প্রতিটি ১২ কেজি সিলিন্ডার সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাজারে যমুনা, পেট্রোম্যাক্স, আইগ্যাস ও ওমেরা কোম্পানির গ্যাস পাওয়া গেলেও ডিলার পয়েন্ট থেকে খুচরা বিক্রেতাদের তা কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৮২০ টাকায়, যা সাধারণ ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাতে পৌঁছাতে ১ হাজার ৯০০ থেকে ২ হাজার টাকায় গিয়ে ঠেকছে। নোয়াখালীতেও সরকারি নির্ধারিত দরের চেয়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি দিয়ে সাধারণ ভোক্তাদের সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে হচ্ছে।
এলপিজি নিয়ে অনুসন্ধানকারী এক সরকারি কর্মকর্তার সূত্রে জানা গেছে, এই অস্থিরতার পেছনে একটি গভীর ষড়যন্ত্র ও গোপন তথ্য ফাঁস হওয়ার ভূমিকা রয়েছে। এলপিজি গ্যাসের দাম সরকারিভাবে বৃদ্ধি পাবে—এমন একটি আগাম অভ্যন্তরীণ খবর বা পূর্বাভাস পেয়ে অসাধু ডিলার, পরিবেশক এবং খুচরা বিক্রেতারা সব পর্যায়েই গোপনে গ্যাস মজুদ করতে শুরু করে। এই কৃত্রিম মজুদের কারণে বাজারে হঠাৎ টান পড়ে। অন্যদিকে বাজারজাতকারী বড় কোম্পানিগুলোও নিজেদের প্ল্যান্ট থেকে বাজারে তুলনামূলকভাবে অনেক কম পরিমাণে গ্যাস সরবরাহ করেছে, যা ছিল মূলত দাম বাড়ার পর বাড়তি মুনাফা লুফে নেওয়ার একটি অপকৌশল। মোটা দাগে এই পরিকল্পিত মজুদদারি এবং সরবরাহ কমিয়ে দেওয়াই বাজারে হঠাৎ সংকট ও অস্বাভাবিক দাম বাড়ার মূল কারণ হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।
বর্তমানে দেশে মোট ৩২টি প্রতিষ্ঠান সরকারের কাছ থেকে এলপিজি আমদানি ও বোতলজাতকরণের বৈধ অনুমোদন নিলেও, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে কেবল ১২টি কোম্পানি সরাসরি এই আমদানি ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। এই অল্পসংখ্যক কোম্পানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতাও কৃত্রিম সংকট তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। এই পুরো অনিয়মের বিষয়ে বিইআরসির গ্যাস বিষয়ক সদস্য মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, তারা বর্তমানে বেশ কিছু অত্যন্ত স্পর্শকাতর তথ্য নিয়ে কাজ করছেন এবং কারা প্রকৃতপক্ষে এই কৃত্রিম সংকট তৈরির পেছনে দায়ী, তাদের খুব দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। তবে সাধারণ ভোক্তাদের দাবি, শুধু আশ্বাস বা নামকাওয়াস্তে বৈঠকের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে অবিলম্বে মাঠপর্যায়ে কঠোর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা দরকার। খুচরা দোকান ও ডিলারদের কাছে থাকা ক্রয় রসিদ যাচাই এবং সরকারনির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রির নিশ্চয়তা দিতে না পারলে এই সিন্ডিকেটের হাত থেকে সাধারণ মানুষের মুক্তি মিলবে না।
তথ্যসূত্র: আজকের পত্রিকা


এ জাতীয় আরো খবর...