দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে থাকা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সপ্তম জাতীয় কাউন্সিল নিয়ে চলতি বছরের ডিসেম্বরেও কোনো সুখবর মিলছে না| সম্প্রতি দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও সেখানে কাউন্সিল আয়োজনের বিষয়ে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি| দলটির সাবেক মহাসচিব এবং বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার দায়িত্ব পালনকালে একাধিকবার দ্রুত সময়ের মধ্যে দলের কাউন্সিল আয়োজনের জোরালো আশ্বাস দিয়েছিলেন| কিন্তু তিনি রাষ্ট্রপতির চেয়ারে বসার পর থেকে বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এই বিশাল সাংগঠনিক কর্মযজ্ঞ নিয়ে এক প্রকার নীরবতা বিরাজ করছে| দলটির শীর্ষ নেতাদের কথায় স্পষ্ট যে, বর্তমানে তাদের সমস্ত মনোযোগ ও সাংগঠনিক তৎপরতা আসন্ন স্থানীয় সরকার বা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে| তাই একটি পূর্ণাঙ্গ কাউন্সিলের বদলে আপাতত দলীয় গঠনতন্ত্রের বিশেষ ক্ষমতাবলে দলের শূন্য পদগুলোতে নতুন নেতাদের পদায়নের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ কাঠামো মজবুত করার কৌশল নিয়েছে বিএনপি| দলের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীও সপ্তম কাউন্সিলের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি| তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, কাউন্সিলের বিষয়ে নীতিনির্ধারকরা এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হননি এবং যখনই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে|
বিএনপির ভেতরের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে যে, একটি সর্বজনীন ও জাঁকজমকপূর্ণ কাউন্সিল এখনই অনুষ্ঠিত না হলেও দলে যাতে কোনোভাবেই নেতৃত্বের শূন্যতা বা স্থবিরতা তৈরি না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর রাখছেন দলের শীর্ষ নেতারা| এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে দলের একটি বিশেষ ও গোপনীয় কমিটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে| তাদের মূল দায়িত্ব হলো সারা দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের সাংগঠনিক শূন্য পদগুলো নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করা এবং সেখানে যোগ্য নেতাদের পদায়ন করা| বিশেষ করে দলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্থায়ী কমিটি, বিভিন্ন ভাইস চেয়ারম্যান পদ, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক, বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিপুল সংখ্যক শূন্য পদে নতুন ও পরীক্ষিত নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া বেশ জোরেশোরেই চলছে| সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, গত আগস্ট মাস থেকেই এই অভ্যন্তরীণ পুনর্গঠন প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত নীরবে শুরু হয়েছে এবং আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই দলের আরও বেশ কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও শীর্ষ পদে নতুন মুখের দেখা মিলতে পারে| মূলত শূন্য পদ পূরণের এই চলমান ব্যাপক তৎপরতা এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ব্যস্ততার কারণেই আগামী ডিসেম্বর বা আগামী বছরের জানুয়ারিতে বিএনপির একটি পূর্ণাঙ্গ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে|
দলের বর্তমান রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক ব্যস্ততা প্রসঙ্গে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম জানিয়েছেন যে, তারা এখন মূলত পূজা ও আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত| তিনি জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে দলের চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর একটি সুস্পষ্ট ও কঠোর নির্দেশনা রয়েছে| সেই নির্দেশনা অনুযায়ী, উৎসব চলাকালীন সারা দেশে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ধর্মীয় আচার পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠে অত্যন্ত সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন| এই কারণে দলের নেতারা এখন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক ও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন|
তবে কাউন্সিলের বিলম্ব নিয়ে দলের ভেতরেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবং চাপা অসন্তোষ রয়েছে| নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের একজন প্রবীণ ভাইস চেয়ারম্যান আক্ষেপের সুরে বলেন যে, রাজনৈতিক দলগুলো যখনই সরকার গঠনের সুযোগ পায়, তখনই তারা পুরোপুরি সরকার পরিচালনায় নিমগ্ন হয়ে পড়ে এবং দলের সাংগঠনিক কাঠামোর দিকে নজর দিতে ভুলে যায়| এর ফলে ক্রমান্বয়ে দলের মূল শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে| তার মতে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কেবল সরকার চালালেই চলবে না, বরং রাজনৈতিকভাবে দলকে অত্যন্ত গতিশীল ও শক্তিশালী রাখতে হবে| আর একটি দলকে প্রকৃত অর্থে গতিশীল করতে হলে তৃণমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত একটি নিয়মতান্ত্রিক কাউন্সিলের কোনো বিকল্প নেই| তিনি মনে করেন, বর্তমানে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের গোপন তৎপরতা রুখতে হলে বিএনপিকে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও সুসংগঠিত রাজনৈতিক দলে পরিণত করতে হবে| এছাড়া বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মতো বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্যও দলের একটি শক্ত অবস্থান প্রয়োজন| এই মুহূর্তে দলের একজন পূর্ণাঙ্গ মহাসচিবের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজনে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকেই পূর্ণাঙ্গ মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে| উল্লেখ্য, মির্জা ফখরুলের পর তাকে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব থেকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করা হলেও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিবের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদটি এখনো শূন্যই রাখা হয়েছে|
তবে দলের শীর্ষ পর্যায়ে কিছু পরিবর্তন ইতিমধ্যে আনা হয়েছে| গত ১৫ আগস্ট দলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে নতুন চারজন জ্যেষ্ঠ নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে| তারা হলেন বর্তমান ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, আমানউল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম (ডোনার) এবং মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ| এদের মধ্যে রুহুল কবির রিজভী আগে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদে আসীন ছিলেন এবং বাকি তিনজন দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন|
ফিরে তাকালে দেখা যায়, ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ বিএনপির সর্বশেষ এবং ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল এক বিশাল আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল| দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পরপর একটি জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের সুস্পষ্ট বিধান থাকলেও দেশের অত্যন্ত বৈরী ও প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশের কারণে দলটি আর কোনো কাউন্সিল করতে পারেনি| দীর্ঘদিন পর ক্ষমতায় ফেরার পরপরই দলের ভেতরে ও বাইরে সপ্তম কাউন্সিলের বিষয়টি পুনরায় জোরালোভাবে আলোচনায় উঠে আসে| বিশেষ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার ঠিক আগে একাধিকবার অত্যন্ত জোর দিয়ে বলেছিলেন যে খুব শিগগিরই দলের একটি জমকালো কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে| তবে তিনি এও উল্লেখ করেছিলেন যে, একটি জাতীয় কাউন্সিলের আগে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে পুরোপুরি গুছিয়ে নেওয়ার মতো একটি বড় কাজ বাকি রয়েছে| এর মধ্যে রয়েছে আংশিক কমিটিগুলোকে পূর্ণাঙ্গ করা, মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলোর জায়গায় নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা এবং যেসব জেলায় দীর্ঘদিন ধরে আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে কাজ চলছে, সেখানে দ্রুত সম্মেলন বা কাউন্সিল করা| কিন্তু বাস্তবে মাঠপর্যায়ে সেই ধরনের কোনো জোরালো সাংগঠনিক উদ্যোগ বা তৎপরতা এখনো দৃশ্যমান নয়| মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর দলের এই কাউন্সিল আয়োজনের আলোচনাটি যেন পুরোপুরি ফাইলবন্দী হয়ে গেছে|
মূল দলের পাশাপাশি বিএনপির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুই অঙ্গসংগঠন ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়| দীর্ঘদিন ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও এই দুটি সংগঠনের নতুন কোনো কমিটি ঘোষণা করা হয়নি, যার ফলে পদপ্রত্যাশী নেতাকর্মীদের মধ্যে এক চরম হতাশা ও স্থবিরতা কাজ করছে| ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন যে, তাদের বর্তমান কমিটির মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে| এমনকি সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দলের চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও করেছিলেন| সেই বৈঠকের পরপরই ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন বিদায়ী স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন, যা নতুন কমিটি আসার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল| এর পরপরই বিভিন্ন পদের প্রত্যাশী নেতারা নিজেদের অনুসারীদের নিয়ে রাজনৈতিক দৌড়ঝাঁপ ও লবিং শুরু করেছিলেন| কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও নতুন কমিটি গঠনের কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা না আসায় তারা এখন পুরোপুরি হতাশ ও ঝিমিয়ে পড়েছেন| একই অবস্থা বিরাজ করছে স্বেচ্ছাসেবক দলেও| সেখানকার নেতাকর্মীরা শুধু এটুকু বলছেন যে, যাকে ইচ্ছা তাকেই নেতৃত্ব দেওয়া হোক, কিন্তু দ্রুত একটি নতুন কমিটি ঘোষণা করা হোক| কারণ নতুন কমিটি না এলে সংগঠনে কোনোভাবেই নতুন প্রাণচাঞ্চল্য বা রাজনৈতিক গতিশীলতা ফিরে আসবে না|
এরই মধ্যে দেশের নির্বাচন কমিশন আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনের একটি বিশাল কর্মযজ্ঞের ছক কষে ফেলেছে, যা বিএনপির কাউন্সিল আয়োজনের সম্ভাবনাকে আরও দূরে ঠেলে দিয়েছে| গত সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত একটি উচ্চ পর্যায়ের সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের একটি বিস্তারিত সময়সূচি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন| তিনি জানান যে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সারা দেশে মোট পাঁচ ধাপে করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে| পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি| এরপর ধারাবাহিকভাবে ৪ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপ, ২৯ এপ্রিল তৃতীয় ধাপ, ১৩ মে চতুর্থ ধাপ এবং সর্বশেষ ২৭ মে পঞ্চম ধাপের ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের প্রায় চার হাজার তিনশটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে|
নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার পর বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স জানিয়েছেন যে, যেহেতু ইসি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের একটি সুনির্দিষ্ট তফসিল ও সময়সূচি ঘোষণা করে দিয়েছে, তাই আগামী দিনগুলোয় দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী মূলত এই নির্বাচন নিয়েই অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করবেন| তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এমন একটি বিশাল নির্বাচনী কর্মযজ্ঞের মধ্যে দলের জাতীয় কাউন্সিলের মতো একটি এত বড় উদ্যোগ সম্পন্ন করা বাস্তবিকভাবেই অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ| তাই চলতি ডিসেম্বরে দলের সপ্তম কাউন্সিল আয়োজন করা কোনোভাবেই সম্ভবপর হবে না| তবে তিনি দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আশ্বস্ত করে বলেন যে, একটি আনুষ্ঠানিক কাউন্সিল না হলেও দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন শূন্য রাখা হবে না| দলের নিজস্ব গঠনতন্ত্র অনুসরণ করেই এই শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা হবে| তিনি আরও জানান যে, দলের চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় স্থায়ী কমিটির সাম্প্রতিক সভায় এই বিষয়ে একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই গৃহীত হয়েছে| সেই সিদ্ধান্তের আলোকেই দলের সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পরপরই জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করা হয়েছে এবং আগামীতেও এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে|
তথ্যসূত্র: দেশ রূপান্তর