রাজধানীর দক্ষিণ অংশে ডেঙ্গুর ঝুঁকি এখন আর কোনো দূরবর্তী আশঙ্কার কথা নয়, জরিপের সংখ্যায় তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৫৭টিতেই এডিস মশার ঘনত্ব নির্ধারিত সূচকের চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২৯টি ওয়ার্ডকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি। গতকাল সকালে নগর ভবন অডিটোরিয়ামে বর্ষাকালীন এডিস মশার লার্ভা জরিপ-২০২৬-এর ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানায় ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ। জরিপের চিত্র বলছে, মশার প্রজনন এখন নগরীর প্রায় সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে এবং এখনই সতর্ক না হলে সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত ১২ দিন ধরে এই জরিপ পরিচালনা করা হয়। ডিএসসিসির ৭৫টি ওয়ার্ডের প্রতিটি থেকে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে ৩০টি করে মোট ২ হাজার ২৫০টি বাড়ি নমুনা হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছিল। জরিপে ডিএসসিসি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ৩৬ জন মাঠকর্মী অংশ নেন। তথ্য সংগ্রহের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে ব্যবহার করা হয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম কোবোটুলবক্স। ফলে কোন বাড়িতে লার্ভা পাওয়া গেল, কোন পাত্রে পাওয়া গেল, তার হিসাব সরাসরি ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়েছে।
জরিপের তথ্য অনুযায়ী, পরিদর্শন করা ২ হাজার ২৫০টি বাড়ির মধ্যে ৩২২টিতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপা পাওয়া গেছে। অর্থাৎ নমুনা হিসেবে পরিদর্শন করা প্রায় ১৪ দশমিক ৩১ শতাংশ বাড়িতে এডিস মশার প্রজননের প্রমাণ মিলেছে। প্রতি সাতটি বাড়ির মধ্যে একটিতে মশার বংশবিস্তারের উপযুক্ত পরিবেশ রয়েছে বলে এই হার থেকে বোঝা যায়। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এত উচ্চ হারে লার্ভা পাওয়া গেলে ওই এলাকায় ডেঙ্গু ছড়ানোর আশঙ্কা এমনিতেই বেড়ে যায়। কারণ লার্ভা থেকে পিউপা, আর পিউপা থেকে পূর্ণাঙ্গ মশা হতে বেশি দিন লাগে না।
বাড়ির ধরন অনুযায়ী জরিপে দেখা গেছে, একক বাড়িতে সবচেয়ে বেশি ৩১ দশমিক ৩৭ শতাংশ লার্ভা ও পিউপা পাওয়া গেছে। বহুতল ভবনে এই হার ৩১ দশমিক ০৬ শতাংশ। এ ছাড়া সেমিপাকা বাড়িতে ১৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ, নির্মাণাধীন বাড়িতে ১৩ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং খালি প্লটে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ পাওয়া গেছে। এই হিসাব থেকে পরিষ্কার, শুধু বস্তি বা পুরোনো বাড়িতেই নয়, আধুনিক বহুতল ভবনেও মশার প্রজনন সমানভাবে চলছে। ফলে ধনী-গরিব, ছোট-বড় কোনো বাড়িই এই ঝুঁকির বাইরে নয়।
জরিপে মশার প্রজননক্ষেত্র হিসেবে সবচেয়ে বেশি চিহ্নিত হয়েছে প্লাস্টিকের বালতি। এসব পাত্রে ১৪ দশমিক ২১ শতাংশ লার্ভা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া প্লাস্টিকের ড্রামে ১১ দশমিক ২২ শতাংশ, বেজমেন্টে জমে থাকা পানিতে ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ, প্লাস্টিকের মগে ৯ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং ফুলের টবে ৫ দশমিক ৯৯ শতাংশ লার্ভা শনাক্ত হয়েছে। অর্থাৎ ঘরের ভেতরের সাধারণ পাত্রেই মশা বংশবিস্তার করছে। এডিস মশা পরিষ্কার জমে থাকা পানিতে ডিম পাড়ে বলেই বালতি, ড্রাম, মগ আর ফুলের টব তার প্রিয় প্রজননস্থল হয়ে উঠেছে।
জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণে ব্রেটো ইনডেক্স, হাউস ইনডেক্স, কনটেইনার ইনডেক্স এবং পিউপা ইনডেক্স ব্যবহার করা হয়েছে। হাউস ইনডেক্স বলতে বোঝায় প্রতি ১০০টি বাড়ির মধ্যে কতটিতে লার্ভা বা পিউপা পাওয়া গেল। কনটেইনার ইনডেক্স হলো পানি ধারণকারী পাত্রের মধ্যে কত শতাংশে লার্ভা মিলল তার হিসাব। ব্রেটো ইনডেক্স হলো প্রতি ১০০টি বাড়িতে কতগুলো লার্ভাযুক্ত পাত্র পাওয়া গেল তার সংখ্যা। আর পিউপা ইনডেক্স দিয়ে বোঝা যায় কতগুলো পিউপা রয়েছে, কারণ পিউপা থেকেই শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ মশা বের হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, হাউস ইনডেক্স ৩৫ শতাংশের বেশি, কনটেইনার ইনডেক্স ২০ শতাংশের বেশি এবং ব্রেটো ইনডেক্স ৫০-এর বেশি হলে ওই এলাকাকে ডেঙ্গু সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ বলে ধরা হয়। এসব সূচকের মাধ্যমে মশার ঘনত্ব ও প্রজনন পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে ডেঙ্গুর সম্ভাব্য হটস্পট চিহ্নিত করা হয়।
অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ২৯টি ওয়ার্ডের তালিকায় অঞ্চল-১-এর ১৫, ১৬, ১৯, ২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ড রয়েছে। অঞ্চল-২-এর ১, ২, ৯, ১১, ১২ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডও এই তালিকায় আছে। অঞ্চল-৩-এর ১৪, ২২, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ৫৫ ও ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলা হয়েছে। অঞ্চল-৪-এর ৩১ নম্বর ওয়ার্ড, অঞ্চল-৫-এর ৪৩ ও ৪৪ নম্বর ওয়ার্ড, অঞ্চল-৭-এর ৭১ নম্বর ওয়ার্ড, অঞ্চল-৯-এর ৬২ ও ৬৫ নম্বর ওয়ার্ড এবং অঞ্চল-১০-এর ৫৮, ৫৯, ৬০ ও ৬১ নম্বর ওয়ার্ডও রয়েছে এই তালিকায়। এই ওয়ার্ডগুলো নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকায় বোঝা যাচ্ছে, ঝুঁকি কোনো একটি পাড়া বা এলাকায় সীমাবদ্ধ নয়।
জরিপ অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, চলতি বছর ঢাকা মহানগর দক্ষিণে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্যে রাখতে কাজ করছে সিটি করপোরেশন। নগরবাসীর সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রশাসক বলেন, সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের আরও সচেতন হতে হবে। প্রত্যেকে নিজ নিজ বাড়ির জমে থাকা পানি অপসারণ করলে ডেঙ্গুর প্রকোপ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব বলে তিনি জানান। এ জন্য বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, ফ্রিজের নিচে এবং আশপাশের ড্রেনে পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ডিএসসিসির এই জরিপ এমন এক সময়ে প্রকাশিত হলো, যখন সারা দেশেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৪ নভেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গুতে ৪৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৭৫ জন। শুধু অক্টোবর মাসেই মারা গেছেন ১৭৪ জন, যা চলতি বছরের কোনো এক মাসে সর্বোচ্চ। তার আগের মাস সেপ্টেম্বরে মৃত্যু হয়েছিল ১৪৮ জনের। নভেম্বরের প্রথম চার দিনেই প্রাণ গেছে ২৬ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৮৬৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৮৬৮ জনই ঢাকা বিভাগের। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫ হাজার ৯৩৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মৃত্যুর বিভাগভিত্তিক হিসাবে ঢাকা বিভাগেই সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছেন। চলতি বছরে ঢাকা বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ২১২ জনের। এরপর রয়েছে খুলনা বিভাগ, সেখানে মারা গেছেন ৮২ জন। চট্টগ্রামে ৪৩ জন, ময়মনসিংহে ৩৭ জন, বরিশালে ৩০ জন, রাজশাহীতে ২৯ জন, রংপুরে ৮ জন এবং সিলেটে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ দেশের মোট মৃত্যুর প্রায় অর্ধেকই ঢাকা বিভাগের। রাজধানী ও এর আশপাশের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় মশার প্রজনন বেশি বলেই এখানে প্রাণহানি সবচেয়ে বেশি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা আরও উদ্বেগের। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিসেম্বরের আগে এই প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমার সম্ভাবনা কম। বাংলাদেশে ডেঙ্গুর সবচেয়ে ভয়াবহ বছর ছিল ২০২৩ সাল, সেবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন এবং মারা গিয়েছিলেন ১ হাজার ৭০৫ জন। চলতি বছর সেই ভয়াবহতাকে ছাড়িয়ে না গেলেও ২০২৩ সালের পর এটিই দ্বিতীয় ভয়াবহ বছর হয়ে উঠেছে বলে বিশ্লেষকরা বলছেন। অক্টোবরের ২৫ তারিখে এক দিনে রেকর্ড ২ হাজার ২৪৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।
শুধু আক্রান্তের সংখ্যাই নয়, মৃত্যুর ধরনও চিকিৎসকদের ভাবাচ্ছে। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, পরীক্ষা করা ১১৯ জন মৃত রোগীর মধ্যে তিন ভাগের এক ভাগের বেশি হাসপাতালে ভর্তির এক দিনের মধ্যেই মারা গেছেন। চিকিৎসকরা বলছেন, জ্বর হলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়া জরুরি। ডেঙ্গুতে প্লেটলেট কমে যাওয়া, রক্তচাপ পড়ে যাওয়া আর শক সিনড্রোমের মতো জটিলতা খুব দ্রুত তৈরি হতে পারে। তাই জ্বরের সঙ্গে তীব্র পেটব্যথা, বমি, শরীরে রক্তের দাগ বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে এক মুহূর্তও দেরি করা উচিত নয়।
ঢাকার হাসপাতালগুলোর ওপর চাপও এখন চরমে। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক দিনে ৬৭ জন নতুন রোগী ভর্তি হওয়ার পর সেখানে মোট ২৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক। অন্য হাসপাতালগুলোতেও একই চিত্র। ফলে সাধারণ রোগীদের সেবা ব্যাহত হচ্ছে এবং চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রতিরোধই সবচেয়ে বড় চিকিৎসা বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
ডেঙ্গু ছড়ায় মূলত এডিস ইজিপ্টি নামের মশার মাধ্যমে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ১২৯টি দেশের প্রায় ৩৯০ কোটি মানুষ ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে রয়েছে। এই মশা দিনের বেলায়, বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যায় কামড়ায় এবং ঘরের ভেতর বিশ্রাম নিতে পছন্দ করে। এডিস মশা পরিষ্কার জমে থাকা পানিতে ডিম পাড়ে বলেই বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী সময়ে এর প্রজনন বেড়ে যায়। ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরে অসংখ্য ভবন, নির্মাণকাজ আর জমে থাকা পানির উৎস থাকায় মশার জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।
এই পরিস্থিতিতে নাগরিকদের করণীয় নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ খুবই স্পষ্ট। প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন বাড়ির সব পাত্রের জমে থাকা পানি ফেলে দিতে হবে। ফুলের টব, ফ্রিজের নিচের ট্রে, এসির পানি জমার জায়গা, ছাদের ড্রাম আর বালতি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। নির্মাণাধীন ভবনের আশপাশে জমে থাকা পানি অপসারণ করতে হবে। ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করতে হবে এবং দিনের বেলায়ও শিশু ও বয়স্কদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। বাড়ির আশপাশের ড্রেন পরিষ্কার রাখতে হবে, যাতে কোথাও পানি জমে না থাকে।
সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মশা নিধনে ওষুধ ছিটানো, লার্ভা ধ্বংসের অভিযান আর সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ মশার প্রজননস্থলের বড় অংশই মানুষের বাড়ির ভেতরে, যেখানে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা সব সময় পৌঁছাতে পারেন না। তাই প্রতিটি পরিবারকে নিজের বাড়ির দায়িত্ব নিজে নিতে হবে।
ডিএসসিসির জরিপের ফলাফল তাই শুধু একটি সংখ্যার হিসাব নয়, এটি একটি সতর্কবার্তা। ৫৭টি ওয়ার্ডে নির্ধারিত সূচকের চেয়ে বেশি মশার ঘনত্ব আর ২৯টি ওয়ার্ডে অধিক ঝুঁকির কথা বলছে, নগরীর অর্ধেকের বেশি এলাকায় ডেঙ্গুর হুমকি এখন দরজায় কড়া নাড়ছে। মশা মারার ওষুধ আর হাসপাতালের চিকিৎসার চেয়ে সস্তা ও কার্যকর উপায় হলো প্রজননস্থল ধ্বংস করা। জমে থাকা পানি সরিয়ে ফেললেই মশার জন্ম থামে। তাই এখনই ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনগুলোতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন