প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বেইজিং সফর বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে। রাষ্ট্রীয় সফরে গিয়ে তিনি কেবল দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির অঙ্গীকারই করেননি, বরং বিস্তারিত..
নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টারত দেশের আবাসন খাত বর্তমানে এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। নির্মাণ সামগ্রীর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুতের বাড়তি খরচ এবং আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রস্তাবিত নতুন করের
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের বহুমুখীকরণের পরিকল্পনায় বড় ধরনের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারতের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের নতুন সিদ্ধান্ত। নেপাল থেকে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা নিয়ে বেশ আশাবাদী ছিল ঢাকা, কিন্তু ভারতের
বাংলাদেশের ভঙ্গুর ও সংকটাপন্ন ব্যাংকিং খাতকে পুনর্গঠন এবং দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বিশ্বব্যাংক ৪৫ কোটি ডলারের বড় আকারের অর্থায়ন অনুমোদন করেছে। ‘ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২’ শীর্ষক এই প্রকল্পের আওতায় মূলত
রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, চরম মূল্যস্ফীতির চাপ এবং বৈশ্বিক নানা অনিশ্চয়তার মধ্যেও চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৪২ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করেছে।
সরকারি অর্থের প্রবাহে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং দীর্ঘদিনের সমন্বয়হীনতা দূর করতে বড় ধরনের সংস্কারের পথে হাঁটছে সরকার। বর্তমানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং স্থানীয় সরকারের অধীনে থাকা প্রায় ১৯
বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আগামী চার বছর হতে যাচ্ছে চরম অগ্নিপরীক্ষার সময়। সরকারি নথিপত্র এবং বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদদের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৪.১১ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণের সার্ভিসিং বা কিস্তি
ঘুষ, দুর্নীতি এবং কর ফাঁকি রোধে নগদ টাকার ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে একটি আধুনিক ক্যাশলেস বা নগদবিহীন অর্থনীতির দিকে হাঁটছে বাংলাদেশ। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ব্যাংক সব ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান