শিরোনামঃ
বাফার স্টক না থাকায় বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ও সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি দেশের অর্থনীতি দেশী ট্যাংকার থাকতেও জ্বালানি পরিবহনে বিদেশি জাহাজের ওপর নির্ভরশীলতা কেন? রাজধানীতে অপরাধের ভিন্ন চিত্র: ওয়ারী-মিরপুরে খুন-ধর্ষণ, গুলশানে ছিনতাই-ডাকাতি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসকদের রমরমা বাণিজ্য হাজব্যান্ড থিংস! অনাহার ও তোষণনীতি: রাজনৈতিক কাঠামোর কাছেই জিম্মি সাধারণ মানুষ আসন্ন বৈশ্বিক খাদ্যসংকটের পদধ্বনি: ফোর-এফ সংকটের মুখে কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ? লোকসানের ফাঁদে আউশ: কেবল প্রণোদনা নয়, কৃষকের লাভ নিশ্চিত করা জরুরি দাঁড়িয়ে থাকার ফলে কোমর ব্যথা হলে কী করবেন? ১০১ শিক্ষককে বিশেষ সম্মাননা পদক প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন

সোনা পাচারের দায়ে কন্নড় অভিনেত্রীর এক বছরের জেল

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৩০ বার
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫
Ranya Rao
রানিয়া রাও। ফাইল ছবি

সোনা পাচারে অভিযুক্ত কন্নড় অভিনেত্রী রানিয়া রাওকে এক বছরের হাজতবাসের নির্দেশ দিল আদালত। বিদেশি মুদ্রা ও পাচারমূলক কার্যকলাপ দমন আইনে সোনা পাচারের দায়ে সাজা ঘোষণা করেছে আদালত। এই একবছরের মধ্যে কোনওরূপ জামিনে মুক্তি পাবেন না ৩২ বছর বয়সি অভিনেত্রী।

এর আগে গত ২০ মে নগর আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পেয়েছিলেন রানিয়া রাও ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী, অভিযুক্ত তরুণ রাজু। কারণ ডিরেক্টরেট অফ রেভেনেই ইন্টেলিজেন্স তাঁদের বিরুদ্ধে সময়মতো চার্জশিট দাখিল করতে পারেনি। সেই সময়ে ২ লক্ষ টাকার বন্ড ও সিওরিটি মূল্যে দুজনেই জামিন পেলেও কফেপোসায় তাঁদের হেফাজতে থাকতে হয়েছিল। এই আইনে একবছর পর্যন্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও চার্জ গঠন ছাড়াই হেফাজতে রাখা যায়। শুধুমাত্র পাচারমূলক কাজের সন্দেহে অভিযুক্তদের জেলে রাখতে পারার ক্ষমতা রয়েছে এই আইনে।

ত মার্চ মাসের গোড়ার দিকে সোনা পাচারের অভিযোগে বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরে গ্রেফতার হন প্রখ্যাত কন্নড় অভিনেত্রী। বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে ডিরেক্টরেট অফ রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স বেঙ্গালুরুর কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করে রানিয়া রাওকে। তাঁর কাছ থেকে ১৪.৮ কেজি সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়। দুবাই থেকে আসা এমিরেটস বিমান সংস্থার একটি বিমান থেকে নামতেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন আধিকারিকরা। অভিনেত্রীকে তল্লাশি চালিয়ে তাঁর গায়ে ও জামাকাপড়ের মধ্য থেকে সোনা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারের পর কন্নড় অভিনেত্রীকে আর্থিক অপরাধ সংক্রান্ত আদালতে তোলা হয়। আদালত রানিয়া রাওকে ১৪ দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়। উল্লেখ্য, রানিয়া কর্নাটকের ডিজিপি পদমর্যাদার এক আইপিএস অফিসারের কন্যা।

ডিআরআই বেশ কিছুদিন ধরেই রানিয়ার উপর রাখছিল। তাঁর ঘনঘন দুবাই যাওয়া-আসা নিয়ে অভিনেত্রীকে পাকড়াও করতে তক্কেতক্কে ছিলেন আধিকারিকরা। অফিসারদের সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিনেত্রী অধিকাংশ সোনার গয়না যাতে খালি চোখে না দেখা যায়, এমনভাবে শরীরের পোশাকে লুকিয়ে রেখেছিলেন। এবং সোনার বাঁটগুলি তাঁর বাক্সের পোশাকের ভাঁজে ভাঁজে রাখা ছিল।

৩২ বছরের রানিয়া রাও কর্নাটকের চিকমাগালুরের বাসিন্দা। সিনেমার পর্দায় আসার আগে রানিয়া বেঙ্গালুরুর দয়ানন্দ সাগর কলেজ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হন। ২০১৪ সালে রানিয়া প্রথম সিনেমায় আসেন। কন্নড় ভাষার ‘মানিক্য‘ ছবিতে অভিনয় দিয়ে তাঁর অভিনেত্রীর জীবন শুরু করেন। ওই ছবির পরিচালক ও অভিনেতা ছিলেন সুদীপ। কন্নড় ভাষা ছাড়াও ২০১৬ সালে তামিল ছবিতেও কাজ শুরু করেন রানিয়া। একটি রোমান্টিক ড্রামায় তিনি বিক্রম প্রভুর বিপরীতে অভিনয় করেন। তার পরের বছর ফের কন্নড় ছবি ‘পটাকি‘ নামে একটি হাসির ছবিতে অভিনয় করেন।


এ জাতীয় আরো খবর...