সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও সুনির্দিষ্ট ও গতিশীল করতে আটজন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব ও দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। এছাড়া, সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে প্রধানমন্ত্রীর দুই প্রভাবশালী রাজনৈতিক উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত পৃথক কয়েকটি গেজেটের মাধ্যমে এই আদেশ জারি করা হয়।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারির প্রজ্ঞাপনে থাকা দায়িত্বগুলোতে পরিবর্তন এনে প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তরগুলো এখন আরও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে:
মো. শরিফুল আলম: আগে বাণিজ্য ও শিল্পসহ একাধিক দপ্তরে থাকলেও এখন থেকে তিনি কেবল বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু: তাকে দেওয়া হয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।
হাবিবুর রশিদ: দায়িত্ব পেয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের।
মো. রাজিব আহসান: তাকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং সেতু বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি: অর্থ মন্ত্রণালয় ছেড়ে তিনি এখন থেকে কেবল পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।
ফারজানা শারমীন: তাকে কেবল সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মো. নুরুল হক নুর: শ্রম মন্ত্রণালয় সরিয়ে তাকে কেবল প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ববি হাজ্জাজ: শিক্ষা মন্ত্রণালয় ছেড়ে তিনি এখন কেবল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রধানমন্ত্রী ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর ৩বি(আইআই) বিধি অনুযায়ী এই নতুন দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। গেজেট অনুযায়ী:
নজরুল ইসলাম খান: বর্তমান পদের পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ: বর্তমান পদের সঙ্গে তাকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁদেরকে পূর্ণ মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। আজ (বুধবার) থেকে তাঁদের এই অতিরিক্ত দায়িত্ব কার্যকর হবে।