শিরোনামঃ
সিংগাইরে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী সন্তানের বয়স ১৮ থেকে ২৪: বাবা-মায়ের জন্য ১০টি পরামর্শ শিশু ইরা মনি হত্যা মামলার রায় পেছাল সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সংকেত বহাল সারাদেশে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে কোমে খামেনির জানাজা সম্পন্ন স্পেনের কাছে হারের পর পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজের পদত্যাগ চিকিৎসাকে বিশেষ সুবিধা নয় অধিকার ভাবার আহ্বান জুবাইদা রহমানের
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন

আজ থেকে তেল বিক্রিতে নতুন রেশনিং পদ্ধতি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা / ৭৪ বার
প্রকাশ: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও কৃত্রিম সংকট রোধে আজ রোববার থেকে সারা দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিং পদ্ধতি কার্যকর করেছে সরকার। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) প্রতিটি যানবাহনের জন্য দৈনিক তেলের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দিয়েছে, যা নিশ্চিত করতে মাঠে নামানো হয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই নতুন পদ্ধতির রূপরেখা চূড়ান্ত করে পাম্পগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

যানবাহনভেদে দৈনিক তেলের বরাদ্দ:

বিপিসির নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, যানবাহনের ধরন অনুযায়ী তেলের পরিমাণ নির্ধারিত হয়েছে নিম্নরূপ:

  • মোটরসাইকেল: সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন।

  • ব্যক্তিগত গাড়ি (কার): সর্বোচ্চ ১০ লিটার পেট্রল বা অকটেন।

  • এসইউভি (জিপ) ও মাইক্রোবাস: দৈনিক ২০ থেকে ২৫ লিটার।

  • স্থানীয় রুটের বাস ও পিকআপ ভ্যান: দৈনিক ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল।

  • দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনারবাহী ট্রাক: দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার ডিজেল।

সরকারের বক্তব্য ও সতর্কতা

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনে সৃষ্ট অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় এই আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু স্পষ্ট করেছেন যে, দেশে তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং আগামী ৯ মার্চ আরও দুটি তেলবাহী জাহাজ বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

সম্প্রতি বিভিন্ন পাম্পে তেলের জন্য দীর্ঘ সারি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিলে সরকার কঠোর নজরদারির সিদ্ধান্ত নেয়। পাম্পগুলো যেন কোনো ধরনের বৈষম্য না করে এবং নির্ধারিত পরিমাণের বেশি তেল বিক্রি করে মজুত দ্রুত শেষ না করে, তা নিশ্চিত করতে আজ থেকে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত বা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

আপনার জন্য পরবর্তী ধাপ:

এই রেশনিং পদ্ধতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে উদ্বেগ রয়েছে, তা প্রশমনে কি আমি ‘জনসচেতনতামূলক একটি নির্দেশিকা’ তৈরি করে দেব, যা আপনার পোর্টালে প্রকাশ করা যায়?


এ জাতীয় আরো খবর...