শিরোনামঃ
স্বস্তিতে শুরু মাধ্যমিকের লড়াই: প্রশ্নফাঁসের শঙ্কা উড়িয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী বাসের ভাড়ায় আসছে সমন্বয়, সাংস্কৃতিক কূটনীতিতে ‘আঞ্চলিক’ নববর্ষের রূপরেখা ত্যাগের মূল্যায়নে স্বজন-ছায়া: নারী আসনে বিএনপির ৩৬ মুখ জোটের শরিকদের ছাড়, নারী আসনে জামায়াত-এনসিপির চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত গম পাচার কেলেঙ্কারি: ভোটের মুখেই ইডির তলবে বিপাকে নুসরাত ব্যাট ছেড়ে মালিকানায় ‘ইউনিভার্স বস’: স্কটিশ ফ্র্যাঞ্চাইজি কিনলেন গেইল জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি—সরকারের সাশ্রয়ের বিপরীতে কতটা পুড়ছে সাধারণ মানুষ? চার দেওয়াল পেরিয়ে দেশ গড়ার অঙ্গীকার: নারী আসনের ভোটে সরগরম নির্বাচন ভবন হামের থাবায় কাঁপছে কুষ্টিয়া: একদিনে হাসপাতালে ২৮ অপহরণ, সালিশ ও ফের পলায়ন: কুমিল্লার মেঘনায় স্কুলছাত্রীকে নিয়ে ধূম্রজাল
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন

স্বস্তিতে শুরু মাধ্যমিকের লড়াই: প্রশ্নফাঁসের শঙ্কা উড়িয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২ বার
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

দেশজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ও উৎসবমুখর পরিবেশে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর দেশবাসীকে স্বস্তির খবর দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ২টার দিকে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন নিশ্চিত করেছেন যে, প্রথম দিনের পরীক্ষায় দেশের কোথাও কোনো ধরনের প্রশ্নপত্র ফাঁস বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। অত্যন্ত সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে জানিয়ে তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সব ধরনের গুজব থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান।

পরীক্ষাকেন্দ্রে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিতে এবার প্রযুক্তির ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। দেশব্যাপী প্রায় চার হাজার কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হওয়া এই বিশাল কর্মযজ্ঞে কোনো ধরনের অনিয়ম যেন প্রশ্রয় না পায়, সেজন্য সব কেন্দ্রকে আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় আনা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি সুস্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন যে, পরীক্ষা নিয়ে কোনো ধরনের অভিযোগ এলেই তাৎক্ষণিকভাবে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর ফলে পরীক্ষার্থী থেকে শুরু করে কেন্দ্রসচিব—সবাইকেই একটি জবাবদিহির কাঠামোর মধ্যে আনা সম্ভব হচ্ছে।

দেশব্যাপী ১৮ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীর এই পরীক্ষায় গণমাধ্যমের ইতিবাচক ও সতর্ক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন ড. মিলন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, সমাজের দর্পণ হিসেবে গণমাধ্যমকর্মীরা যদি সজাগ থাকেন এবং বস্তুনিষ্ঠ তথ্য তুলে ধরেন, তবে কেন্দ্রগুলোতে নকল বা জালিয়াতির মতো অপরাধ অনেকাংশেই নির্মূল করা সম্ভব। প্রথম দিনের এই সাফল্যের পর আত্মতুষ্টিতে না ভুগে আগামী ২০ মে পর্যন্ত চলা প্রতিটি পরীক্ষাতেই একইভাবে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রাখা হবে বলে তিনি নিশ্চয়তা দিয়েছেন। শিক্ষা প্রশাসনের এই আপসহীন মনোভাব ও জিরো টলারেন্স নীতির ফলে বিগত বছরগুলোর প্রশ্নফাঁসের আতঙ্ক কাটিয়ে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এবার আস্থার এক নতুন পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।


এ জাতীয় আরো খবর...