শিরোনামঃ
গৃহশিক্ষক নির্বাচন: কিছু অভিজ্ঞতা, কিছু পরামর্শ সরকারের সমালোচনা অপরাধ নয়, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বলা অপরাধ : তথ্যমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কৃষিভিত্তিক স্থাপনা স্থাপন করতে চাই: মির্জা ফখরুল ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলেই মিলবে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড় ঢাকায় ফের ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ, যুক্ত হতে পারে বেসরকারি খাত বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার বৈঠক সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে স্কুল মিল চালু করা হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ঢাকার চারপাশের নৌপথ সচলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৪ জনের মৃত্যু ঠাকুরগাঁওয়ে বজ্রাঘাতে দুইজনের মৃত্যু
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০২ পূর্বাহ্ন

ইসরায়েলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই যুক্তরাষ্ট্রের

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪ বার
প্রকাশ: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় কমান্ডের (ইউরোকম) প্রধান জেনারেল অ্যালেক্সাস গ্রিনকেভিচ সতর্ক করে বলেছেন, তাদের নৌবাহিনী অতিরিক্ত অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম না পেলে ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিরুদ্ধে ইসরাইলকে রক্ষা করা সম্ভব না-ও হতে পারে। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে সংঘাত অব্যাহত থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সামরিক রসদ প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল হয়ে পড়ছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব না-ও হতে পারে বলে জানান তিনি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেনারেল অ্যালেক্সাস গ্রিনকেভিচ চলতি সপ্তাহে পেন্টাগনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছেন, এই অঞ্চলে আরেকটি মার্কিন নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার নিযুক্ত না করা হলে ওয়াশিংটনকে ইসরাইলকে রক্ষা করা অথবা যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ভূখণ্ডের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে হতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা এবং সংঘাত বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে মার্কিন সামরিক সক্ষমতার ওপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর ফলে বিভিন্ন ফ্রন্টে নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে গিয়ে সীমিত সামরিক সম্পদ নিয়ে পেন্টাগনের ভেতরে উদ্বেগ বাড়ছে।

একই সময়ে ইসরাইলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য বিস্তৃত সামরিক অভিযানে তেলআবিব সরাসরি অংশ না নিলেও ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে পারে—এমন আশঙ্কায় দেশটির নিরাপত্তা সতর্কতার মাত্রা আরো বাড়ানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, চলমান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন হরমুজ প্রণালি, লোহিতসাগরসহ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে এসব এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়েছে।

সংঘাত তীব্র হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত নৌ ও বিমান বাহিনী মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে আরো উত্তেজনা প্রতিরোধ এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে।

মার্কিন ইউরোপীয় কমান্ড ইউরোপ ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মধ্যে ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় সহায়তা দেওয়া এবং একই সঙ্গে ন্যাটোভুক্ত মিত্র দেশগুলোর বিরুদ্ধে উদ্ভূত সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকির মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখাও অন্তর্ভুক্ত।
সূত্র: আরব নিউজ


এ জাতীয় আরো খবর...