শিরোনামঃ
বড় হলে ভাইবোনদের দূরত্ব: ১০টি কারণ আমিই প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলাম তেলের ব্যবসা প্রাইভেটে দিতে: জ্বালানিমন্ত্রী বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী এখনো চূড়ান্ত হয়নি: চিফ হুইপ সরকার জ্বালানি সংকট সমাধানে কাজ করছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী শিক্ষক নিয়োগে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা বাড়াতে চায় ভিসা বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর যৌথ চেম্বার গঠনের প্রস্তাব পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর হাসিনার প্রত্যর্পণ ছাড়া ভারতের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কের উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য হবে না: নাহিদ শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএতেই রাখার দাবি ইসলামী আন্দোলনের
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন

শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএতেই রাখার দাবি ইসলামী আন্দোলনের

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪ বার
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ব্যবস্থাপনা কমিটির হাতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনেই রাখার দাবি জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) এক বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এ দাবি জানান।

তিনি বলেন, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির হাতে দেওয়া হলে অনিয়ম, অর্থ লেনদেন, রাজনৈতিক সুপারিশ ও স্বজনপ্রীতির সুযোগ তৈরি হবে।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, দীর্ঘ এক দশকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে একটি মেধাভিত্তিক কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নেওয়া ও সনদ দেওয়ার পাশাপাশি যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করত। এর ফলে ব্যবস্থাপনা কমিটির মাধ্যমে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির সুযোগ অনেকটাই কমে এসেছিল।

তিনি জানান, গত ৩ আগস্ট সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এনটিআরসিএর কার্যক্রম পর্যালোচনা নিয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের সভায় বিদ্যমান পদ্ধতি বাতিল করে স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে। দলটির মহাসচিব বলেন, আগের মতো শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএর কাছেই রাখা উচিত।

গাজী আতাউর রহমান আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকারের মধ্যে দলীয়করণের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পদে দলীয় নেতাদের নিয়োগ এবং বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে দলীয় লোকদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তার অভিযোগ, স্কুলের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ব্যবস্থাপনা কমিটির হাতে দেওয়া হলে নিয়োগে অনিয়ম, অর্থ লেনদেন, রাজনৈতিক প্রভাব ও স্বজনপ্রীতির সুযোগ আবারও বাড়বে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ইতিবাচক সংস্কারের প্রত্যাশা থাকলেও শিক্ষামন্ত্রী বিদ্যমান ভালো নিয়ম পরিবর্তন করে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছেন বলেও মন্তব্য করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব।

তিনি বলেন, গত বছরের সেপ্টেম্বরে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বাধীন কমিটির মাধ্যমে কর্মচারী নিয়োগের যে ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল, গত ২১ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তা বাতিল করা হয়েছে। এসব সিদ্ধান্তের কারণে শিক্ষামন্ত্রীর সদিচ্ছা ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারকে সতর্ক করে গাজী আতাউর রহমান বলেন, শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি লাখ লাখ বেকার তরুণের কর্মসংস্থানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। এ নিয়ে বড় ধরনের অসন্তোষ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সরকারকে দ্রুত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে আগের ব্যবস্থায় ফিরে যেতে হবে।


এ জাতীয় আরো খবর...