শিরোনামঃ
ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন চার বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী ইজতেমার সময় গাজীপুরের স্থানীয় নির্বাচন নয়, সিইসির কাছে আবেদন তাবলীগ জামাতের অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব রক্ষায় দ্রুত সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের প্রিজনভ্যান থেকে পিচ্চি রাজার পলায়ন, গ্রেপ্তার দুই পুলিশসহ তিন আসামি ৪ দিনের রিমান্ডে মিডওয়াইফের ৯১৪ পদে নিয়োগের প্রস্তাব পিএসসিতে পাঠালো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ভিডব্লিউবি কার্যক্রমের আওতায় ১,৪৭২ নারী পাবেন ২০ হাজার টাকা করে ব্যবসায়িক অনুদান ধানমন্ডি লেকের উন্নয়ন আমার নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল, আজ তা বাস্তবায়ন হচ্ছে : সড়ক মন্ত্রী ৪৯তম বিসিএস থেকে শিক্ষা ক্যাডারে আরও ৪০ জনকে নিয়োগ আইপিইউর এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান হলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন, গেজেট প্রকাশ
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন

টেকসই গণতন্ত্রের জন্য নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে: সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১২ বার
প্রকাশ: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে নারীদের অংশগ্রহণ। প্রয়োজন নারীদের কার্যকর অংশগ্রহণ।

তিনি বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে বাইরে রেখে আমরা গণতন্ত্র সুসংহত করতে পারবো না। কার্যকর ও টেকসই গণতন্ত্রের জন্য নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি গণতন্ত্রকে বিশ্বাসযোগ্য ও টেকসই করতে চাই, তবে দেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশ নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা আমাদের জন্য অপরিহার্য।’

আজ রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ইউএন ইলেকটোরাল প্রজেক্টের আয়োজনে ড্রাফট জেন্ডার ইকুয়ালিটি স্ট্রাটেজি শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে নারী ভোটারদের বিপুল অংশগ্রহণ হবে তবে প্রার্থী কম হবে। কারণ কালচার ও বিশ্বাস।

তিনি আরও বলেন , পরিবর্তন মানুষ সহজে চায় না, পরিবর্তন করতে গেলে আমরা ১০ বার ভাবি। এজন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে, ব্যাপক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।

সিইসি বলেন, নির্বাচনে নারীদেরও যথাযথ অংশগ্রহণ ও সুযোগ থাকা উচিত।

এ সময় তিনি আরও বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটি নির্বাচন হবে। কারণ প্রার্থীরা সবাই স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় তারা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। ফলে ভোটারদের অংশগ্রহণ যে বিপুল হবে, তা অতীতের পরিসংখ্যানই নিশ্চিত করে। তবে এটাও সত্য যে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা খুবই কম হয়।

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, নারীদের সুরক্ষায় শক্ত আইন আছে। তবে নারীর অধিকার সুরক্ষার জন্য এসব আইনের পাশাপাশি সামাজিক বিপ্লব প্রয়োজন।

ইসি বেগম তাহমিদা আহমদ বলেন, সমস্যার গভীরে যেতে হবে। নারী ভোটার বাড়াতে হলে গ্রামাঞ্চল ও উপকূলীয় অঞ্চলে যেতে হবে।

ইসি মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, জেন্ডার ইকুইলিটি নিশ্চিত করতে হলে নারীদের ভোটার নিবন্ধন সহজ করতে হবে। নারী ভোটার ও প্রার্থীদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে। নারী প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

ইসি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে নারীদের অনেক সুযোগ আছে। স্থানীয় সরকারে তাদের জন্য পদ সংরক্ষিত আছে। এখানে ভালো করলে তারা জাতীয় রাজনীতিতে যেতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, দুঃখজনকভাবে গত জাতীয় নির্বাচনে কম নারী প্রার্থী ছিলো। দলীয় ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় নারীরা থাকলে প্রার্থী আরো বাড়তো।

মো. সানাউল্লাহ বলেন, নারীদের বিরুদ্ধে যেসব ভুয়া ও অপতথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ায়, তা বন্ধ করতে উদ্যোগ নিতে হবে।


এ জাতীয় আরো খবর...