শিরোনামঃ
ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন চার বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী ইজতেমার সময় গাজীপুরের স্থানীয় নির্বাচন নয়, সিইসির কাছে আবেদন তাবলীগ জামাতের অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব রক্ষায় দ্রুত সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের প্রিজনভ্যান থেকে পিচ্চি রাজার পলায়ন, গ্রেপ্তার দুই পুলিশসহ তিন আসামি ৪ দিনের রিমান্ডে মিডওয়াইফের ৯১৪ পদে নিয়োগের প্রস্তাব পিএসসিতে পাঠালো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ভিডব্লিউবি কার্যক্রমের আওতায় ১,৪৭২ নারী পাবেন ২০ হাজার টাকা করে ব্যবসায়িক অনুদান ধানমন্ডি লেকের উন্নয়ন আমার নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল, আজ তা বাস্তবায়ন হচ্ছে : সড়ক মন্ত্রী ৪৯তম বিসিএস থেকে শিক্ষা ক্যাডারে আরও ৪০ জনকে নিয়োগ আইপিইউর এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান হলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন, গেজেট প্রকাশ
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন

৪,৫৮৬ ইউনিয়নে মা-শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বাছাই করা হবে নতুন উপকারভোগী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৩ বার
প্রকাশ: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

দেশের ৪,৫৮৬টি ইউনিয়নে মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন উপকারভোগী বাছাই করা হবে। দারিদ্র্য, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা ও অপুষ্টির হার বিবেচনায় নিয়ে এসব উপকারভোগী নির্বাচন করবে সংশ্লিষ্ট উপজেলা কমিটি। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ১ অক্টোবরের এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ৩০ জুন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের সভাপতিত্বে মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির পিএসসি কমিটির সভায় নতুন উপকারভোগী নির্বাচনের জন্য ইউনিয়ন, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনভিত্তিক বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৫০৩টি উপজেলার ৪,৫৮৬টি ইউনিয়নে নতুন উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। এর মধ্যে দারিদ্র্য, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা ও অপুষ্টির হার বিবেচনায় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১৭৭টি উপজেলার ১,২১১টি ইউনিয়নে প্রতি মাসে ৯ জন করে উপকারভোগী নির্বাচনের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে, ৩২৬টি উপজেলার ৩,৭৯টি ইউনিয়নে প্রতি মাসে ৬ জন করে উপকারভোগী নির্বাচনের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থানীয় দারিদ্র্য ও পুষ্টি পরিস্থিতি বিবেচনায় উপকারভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে। এ ছাড়া ‘ক’ শ্রেণির ২০৭টি পৌরসভার ১,৯৮৭টি ওয়ার্ডে জনসংখ্যার ঘনত্ব বিবেচনায় প্রতি মাসে ৩ জন করে এবং ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণির ১২৫টি পৌরসভার ১,১২৫টি ওয়ার্ডে প্রতি মাসে ২ জন করে নতুন উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।

১৩টি সিটি করপোরেশনের ৫০১টি ওয়ার্ডের জন্যও পৃথক বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩টি সিটি করপোরেশনের ১৭০টি ওয়ার্ডে প্রতি মাসে ৪ জন করে এবং অপর ১০টি সিটি করপোরেশনের ৩০১টি ওয়ার্ডে প্রতি মাসে ২ জন করে উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।

শিল্প খাতের ৫০০টি কারখানাকেও কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও এফএলএক্সএ-এর আওতাভুক্ত এসব কারখানায় প্রতি মাসে একজন করে উপকারভোগী নির্বাচনের বরাদ্দ রয়েছে। এ হিসাবে কারখানাগুলোতে বছরে মোট ৬ হাজার উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, কোনো ইউনিয়ন বা পৌরসভা তালিকা থেকে বাদ পড়লে অথবা স্থানীয় চাহিদার তুলনায় কোথাও বরাদ্দ কম বা বেশি হলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা কমিটি নিজ উপজেলার নির্ধারিত বরাদ্দের মধ্যে তা পুনর্বিন্যাস করতে পারবে। তবে কোনো উপজেলা তার জন্য নির্ধারিত মোট বরাদ্দের বেশি উপকারভোগী নির্বাচন করতে পারবে না।

– বাসস


এ জাতীয় আরো খবর...