শিরোনামঃ
আমাদের ১০টি কমন স্বভাব টাকা ছাপিয়ে ন্যাশনাল ব্যাংককে ঋণ দেবে না বাংলাদেশ ব্যাংক ঢাবিতে নেকাব পরা শিক্ষার্থীকে অপমান ইসলামবিদ্বেষী মানসিকতা: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস পশ্চিমবঙ্গ মাদরাসা সার্ভিস কমিশন বিলুপ্ত ঘোষণা করল বিজেপি সরকার মোদির সঙ্গে ত্রিবেদীর দীর্ঘ বৈঠক, তারেক রহমানের সফর নিয়ে আলোচনা ১২ ডিসেম্বরের আগেই নবায়ন হবে গঙ্গা চুক্তি: পানিসম্পদমন্ত্রী শিক্ষকদের দাবি পর্যায়ক্রমে মেনে নেবে সরকার: রিজভী দুর্নীতি করে শিক্ষকদের ভাতা বন্ধ করেছিল ফ্যাসিবাদী সরকার: মাহদী আমিন ভিসা সহজীকরণ ও বাণিজ্য বৃদ্ধি জোরদারে ইন্দোনেশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মাহ্দী আমিনের বৈঠক কূটনীতির মাধ্যমেই পানি সমস্যার সমাধান করতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৩ অপরাহ্ন

ঢাবিতে নেকাব পরা শিক্ষার্থীকে অপমান ইসলামবিদ্বেষী মানসিকতা: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩ বার
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের শ্রেণিকক্ষে নেকাব পরা এক শিক্ষার্থীকে নিয়ে শিক্ষকের আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন, ঢাবিতে নেকাব পরা শিক্ষার্থীকে অপমান ইসলামবিদ্বেষী মানসিকতার প্রকাশ।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, একজন মুসলিম শিক্ষার্থীকে তার ধর্মীয় পোশাকের কারণে অপমান করা শুধু ব্যক্তিগত মর্যাদার ওপর আঘাত নয়, এটি মুসলিম সমাজের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি অবমাননা। তিনি বলেন, শিক্ষাঙ্গনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলে যদি নেকাব, হিজাব বা ইসলামি পোশাককে বিদ্রূপ করা হয়, তাহলে সেটি নিছক মতপ্রকাশ নয়, এর মধ্যে ইসলামবিদ্বেষী মানসিকতার প্রকাশ আছে। একজন শিক্ষকের দায়িত্বশীল অবস্থানকে ব্যবহার করে কোনো শিক্ষার্থীকে ‘সন্ত্রাসী’ বা ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা হলে সেটি আরও গুরুতর বিষয়।

মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, নিজেদের তথাকথিত আধুনিকতাকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করতে গিয়ে ইসলামি পোশাককে পশ্চাৎপদতা, মৌলবাদ বা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত করা মূলত এক ধরনের সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদ।

তার মতে, ইসলামি পোশাক দেখলেই ‘সন্ত্রাসী’ আর অশালীনতাকে দেখলেই ‘আধুনিক’- এই দ্বৈত মানদণ্ড কোনো মুক্তবুদ্ধির পরিচয় নয়। বরং এ ধরনের মানসিকতা ব্যক্তি-স্বাধীনতার নামে ধর্মীয় স্বাধীনতাকে সংকুচিত করার একটি বিপজ্জনক প্রবণতা।

তিনি অবিলম্বে এ ঘটনার তদন্ত শেষ করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, শুধু কোর্স পরিবর্তন বা সাময়িক প্রশাসনিক ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। একই সঙ্গে তদন্ত চলাকালে অভিযোগকারী শিক্ষার্থী যেন কোনো ধরনের একাডেমিক বা প্রশাসনিক হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে। ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মুসলমানদের ধর্মীয় বিশ্বাস, পোশাক ও মর্যাদাকে অবজ্ঞা করার অধিকার কারও নেই। নেকাব পরা, ইসলাম পালন করা এবং ধর্মীয় পরিচয় কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়।


এ জাতীয় আরো খবর...