শিরোনামঃ
স্টার্টআপে অর্থায়ন খরা ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতা আকাশে আয়ের নতুন দিগন্ত, কতটা প্রস্তুত বিমান? কাগজে ৪৮ হাজার কমিটি, বাস্তবে নেই মশা মারার উদ্যোগ আমদানি করা জ্বালানির চেয়ে সাশ্রয়ী: সৌরবিদ্যুতে জোর দিচ্ছে সরকার বিশ্বের ৫০০ ভালো শহরের তালিকায় নেই বাংলাদেশের কোনো শহর কোমর ব্যথায় করণীয় জ্বালানি আমদানি ও বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক সচল: কঠিন শর্তের ৩৩০ কোটি ডলার ঋণ নিচ্ছে সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে হবে : ববি হাজ্জাজ ঢাকার সব ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক ধারাবাহিক চীন সফর দুদেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেবে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ন

বিশ্বের ৫০০ ভালো শহরের তালিকায় নেই বাংলাদেশের কোনো শহর

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩ বার
প্রকাশ: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

মেগা প্রকল্পের দৃশ্যমান চাকচিক্য, সুউচ্চ অট্টালিকা কিংবা পরিসংখ্যানের প্রবৃদ্ধির স্ফীতি দিয়ে কোনো নগরীকে আধুনিক ও প্রকৃত অর্থে মানবিক বসবাসযোগ্য শহর হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যায় না| একটি জনপদকে নাগরিকদের জন্য সুখকর করে তুলতে প্রয়োজন নির্মল বাতাস, সুপেয় পানির সহজলভ্যতা, বিজ্ঞানসম্মত বর্জ্য ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, নাগরিক অধিকারের নিশ্চয়তা এবং কার্যকর সুশাসন| কিন্তু এসব মৌলিক সূচকে ক্রমাগত ব্যর্থতার পরিচয় দেওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নগরগুলোর মান ক্রমেই তলানিতে গিয়ে ঠেকছে| বৈশ্বিক মানদণ্ডে নগরগুলোর সার্বিক সক্ষমতা ও বাসযোগ্যতা মূল্যায়নে বিশ্বের শীর্ষ ৫০০ ভালো শহরের তালিকাতেও লাল-সবুজের একটি নগরীও স্থান করে নিতে পারেনি| বরং সময়ের আবর্তে দেশের প্রধান শহরগুলোর সার্বিক সক্ষমতা ও নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্যের মান আরও তীব্রভাবে নিম্নগামী হয়েছে|

যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিশ্বখ্যাত স্বাধীন গবেষণা ও অর্থনৈতিক পরামর্শক সংস্থা ‘অক্সফোর্ড ইকোনমিকস’-এর প্রকাশিত ‘গ্লোবাল সিটিজ ইনডেক্স ২০২৬’-এ বিশ্বের ১৬৩টি দেশের এক হাজার প্রভাবশালী শহরকে পুঙ্খানুপুঙ্খ মূল্যায়নের আওতায় আনা হয়েছে| মোট পাঁচটি সুনির্দিষ্ট স্তম্ভ—অর্থনৈতিক শক্তি, মানবসম্পদের দক্ষতা, জীবনযাত্রার সামগ্রিক মান, পরিবেশগত নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সুশাসনের ভিত্তিতে ১০০ নম্বরের স্কেলে এই বৈশ্বিক তালিকা প্রণয়ন করা হয়| অর্থনীতিতে সর্বোচ্চ ৩০, মানবসম্পদ ও জীবনমানে ২৫ করে এবং পরিবেশ ও সুশাসনে ১০ করে নম্বর বণ্টন করা হয়েছিল| এই সমীক্ষায় বাংলাদেশের আটটি প্রধান শহর স্থান পেলেও শীর্ষ ৫০০ শহরের তালিকায় কেউই পৌঁছাতে পারেনি| দেশের শহরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে থাকা রাজধানী ঢাকা অবস্থান করছে ৫১৫ নম্বরে| অথচ বিগত বছরেও ঢাকার অবস্থান ছিল ৪৮২তম স্থানে| মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ৩৩ ধাপ নিচে ছিটকে পড়ে ঢাকা বিশ্বের সেরা ৫০০ শহরের মর্যাদাপূর্ণ বলয় থেকে চূড়ান্তভাবে বাদ পড়েছে|

ঢাকার এই ঐতিহাসিক পতনের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য বিভাগীয় ও ঐতিহ্যবাহী বড় শহরগুলোর অবস্থান আরও বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছে| গত এক বছরে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় অবনমন ঘটেছে উত্তরের বিভাগীয় নগরী রাজশাহীর| এক লাফে ৬৬ ধাপ নিচে নেমে পরিচ্ছন্ন হিসেবে পরিচিত এই নগরীর বর্তমান বৈশ্বিক অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৭৭৯তম স্থানে| বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম ১৪ ধাপ পিছিয়ে গিয়ে ৭৬৩তম স্থানে অবস্থান করছে| দেশের অন্যান্য প্রধান শহরগুলোর মধ্যে শিল্পনগরী খুলনা ৮১১তম, চায়ের দেশ সিলেট ৮৩৪তম এবং বিভাগীয় শহর ময়মনসিংহ রয়েছে ৮৯৫তম অবস্থানে| ঐতিহ্যবাহী জেলা শহর বগুড়া ৩২ ধাপ পিছিয়ে গিয়ে ৯২৬তম স্থানে জায়গা পেয়েছে| শুধু কুমিল্লা শহরটি তার পূর্বের অবস্থান ধরে রেখে ৮৮৩তম স্থানে স্থিতিশীল রয়েছে| সামগ্রিকভাবে দেশের শীর্ষ শহরগুলোর এমন ক্রমাবনতি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, টেকসই পরিকল্পনা ও মৌলিক নাগরিক সেবার উন্নয়ন ব্যতিরেকে নগর ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি মুখ থুবড়ে পড়েছে|

পরিবেশগত সূচকে বাংলাদেশের শহরগুলোর ব্যর্থতা সবচেয়ে ন্যক্কারজনক ও বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে| একসময় সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও শিক্ষানগরী হিসেবে পরিচিত রাজশাহীর পরিবেশ সূচক এখন বিশ্বদরবারে ৮৫২ নম্বরে নেমে এসেছে| রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে যে, অপরিকল্পিতভাবে নগরের প্রাচীন ও বিশাল ছায়াদানকারী বৃক্ষগুলো নির্বিচারে নিধন করা হয়েছে| ফলে সেখানে তাপমাত্রা অস্বাভাবিক মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে, তীব্র বায়ুদূষণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ পানির গভীর সংকট ও স্থানীয় নদীগুলোর দূষণ পরিবেশকে বিষিয়ে তুলেছে| দেশের শহরগুলোর মধ্যে পরিবেশের দিক থেকে কিছুটা এগিয়ে থাকা সিলেটের অবস্থানও বৈশ্বিক তালিকায় ৭৩৫তম| সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থায় রয়েছে শিল্পশহর খুলনা, যার পরিবেশগত অবস্থান ৯৭৪তম| আর মেগা সিটি ঢাকার পরিবেশগত মান দাঁড়িয়েছে বিশ্বের মধ্যে ৯৩০ নম্বরে| ময়মনসিংহ ৯৪০ এবং চট্টগ্রাম ৯২৪তম অবস্থানে রয়েছে| শহরগুলোতে বৃষ্টি হলেই রাজপথে সৃষ্টি হচ্ছে বুকসমান জলাবদ্ধতা, অথচ একই সময় বাসাবাড়িতে সুপেয় ও রান্নার পানির হাহাকার তৈরি হচ্ছে, যা পরিবেশগত বিপর্যয়ের চরম পরিহাস|

তবে পরিবেশ ও নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্যের চরম বিপর্যয় সত্ত্বেও বিপুল অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও জনসংখ্যার ঘনত্বের কারণে কেবল অর্থনৈতিক সূচকটিতে ঢাকা তুলনামূলকভাবে কিছুটা স্বস্তিকর অবস্থানে রয়েছে| জিডিপির আকার, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, মাথাপিছু আয়, কর্মসংস্থানের সুযোগ ও বৈচিত্র্যের ওপর ভিত্তি করে প্রণীত অর্থনীতি সূচকে ঢাকা বিশ্বে ২৮৬তম স্থান অধিকার করেছে| দেশের অন্য শহরগুলোর মধ্যে অর্থনীতিতে চট্টগ্রাম ৭০২ ও ময়মনসিংহ ৭৩৪তম অবস্থানে রয়েছে| একই সঙ্গে মেধা, তরুণ জনসংখ্যা, উচ্চশিক্ষা ও ব্যবসা পরিচালনার সক্ষমতার নিরিখে মানবসম্পদ সূচকেও ঢাকার অবস্থান কিছুটা ইতিবাচক, যেখানে বিশ্বের মধ্যে শহরটি ১৭৮তম স্থান অর্জন করেছে| মানবসম্পদে খুলনা ৫৪১ এবং রাজশাহী রয়েছে ৫৯৯তম স্থানে| তবে অর্থনীতি ও মানবসম্পদে ঢাকার এই অগ্রগতি সার্বিক বসবাসযোগ্যতায় কোনো ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারছে না, কারণ নগরীর দমবন্ধ পরিবেশ ও ভঙ্গুর শাসনব্যবস্থা সেই অর্জনকে পুরোপুরি ম্লান করে দিচ্ছে|

নাগরিক জীবনমানের সার্বিক সূচকে দেশের শহরগুলোর মধ্যে সবার ওপরে জায়গা করে নিয়েছে রাজশাহী, যার বৈশ্বিক অবস্থান ৫৪২তম| এরপর খুলনা ৬১২ ও চট্টগ্রাম ৬৫৩তম অবস্থানে রয়েছে| চিকিৎসা, জনস্বাস্থ্য, আর্থিক সচ্ছলতা ও সার্বিক নাগরিক সুবিধার প্রাপ্তির নিরিখে এই তালিকা নির্ধারিত হলেও বৈশ্বিক মানের তুলনায় তা এখনো বহুদূরে| দেশের বড় শহরগুলোতে সুশাসনের অভাব, লাগামহীন জনসংখ্যার চাপ, বস্তির অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার এবং যাতায়াতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকার মতো অভিশাপ মানুষের কর্মক্ষমতা প্রতিদিন ধ্বংস করে দিচ্ছে| এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে দীর্ঘ সময় নষ্ট হওয়া, মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমবণ্টন না থাকা এবং আর্সেনিকমুক্ত পানি ও পরিষ্কার বাতাসের অনুপস্থিতি পুরো নগরজীবনকে স্থবির করে ফেলেছে|

নগরের এই জটিল সংকট নিয়ে নগর বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদদের পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত উদ্বেগজনক| গবেষণা সংস্থা র‌্যাপিডের মতে, কোনো ধরনের বৈজ্ঞানিক মাস্টারপ্ল্যান ছাড়াই দেশের শহরগুলো জগাখিচুড়ি অবস্থায় বড় হয়েছে| নগরায়ণের প্রাকৃতিক চাপে ভবিষ্যতে আবাসনের সংকট আরও তীব্র হবে, যা সুশাসন ও পরিবেশের ভারসাম্য ছাড়া সামলানো অসম্ভব| একই সঙ্গে দেশের বৃহৎ শহরগুলোতে বর্তমানে মারাত্মক ‘আরবান হিট আইল্যান্ড’ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে| এর ফলে কংক্রিটের জঙ্গল ও সবুজ গাছপালার অভাবে নগরগুলো দিন-রাত তপ্ত চুল্লির মতো ফুটছে| অতিরিক্ত এই তাপদাহের কারণে নাগরিকদের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি মশাবাহিত ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত নানা সংক্রামক ব্যাধি মহামারির রূপ নিচ্ছে, যা শহরের মানবিক জীবনমানকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে এনেছে|

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মতো নগর পরিকল্পনাবিদরা অবশ্য বিষয়টিকে সাময়িক উন্নয়ন প্রক্রিয়ার একটি জটিল অধ্যায় হিসেবে সান্ত্বনা খোঁজার চেষ্টা করছেন| তাদের মতে, অতীতের টোকিও বা বেইজিংয়ের মতো অনেক আধুনিক শহরও তাদের উন্নয়নকাজের সূচনালগ্নে পরিবেশগত তীব্র বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে| ভবিষ্যতে মেগা প্রকল্পগুলোর নির্মাণকাজ শেষ হলে এবং ঢাকার চারপাশের পরিবেশদূষণকারী অবৈধ ইটভাটাগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করা সম্ভব হলে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে বলে তাদের দাবি| ড্যাপ বা বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনায় শহরের মানদণ্ড নির্ধারণ করা থাকলেও তার কঠোর প্রয়োগের অভাবেই মূলত শহরের বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না|

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাত্রাতিরিক্ত ঢাকাকেন্দ্রিকতাই এই পুরো জাতীয় সংকটের প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে| অর্থনীতিবিদদের মতে, দেশের মোট জিডিপির প্রায় ৬০ শতাংশ অর্থনৈতিক তৎপরতা এককভাবে এই ঢাকার ওপর নির্ভরশীল| দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নদীভাঙন, বন্যা, উপকূলীয় লবণাক্ততা, খরা ও কর্মসংস্থানের অভাবে মানুষ বাধ্য হয়ে বাঁচার তাগিদে রাজধানীতে ছুটে আসছে| বিপুল এই জনস্রোতের জন্য পরিকল্পিত আবাসন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে, যার ফলে দেশে বর্তমানে প্রায় ৮৮ লাখ বাসস্থানের তীব্র ঘাটতি বিরাজ করছে| রাজধানীমুখী এই সর্বনাশা জনস্রোত রুখতে হলে অবিলম্বে উপজেলা, জেলা ও অন্যান্য বিভাগীয় শহরগুলোতে বিনিয়োগের বিকেন্দ্রীকরণ ঘটাতে হবে| তৃণমূল পর্যায়ে কলকারখানা স্থাপন, উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে মানুষ নিজ এলাকাতেই জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পাবে|

আন্তর্জাতিক তুলনায় চোখ রাখলে বাংলাদেশের সার্বিক পশ্চাৎপদতা আরও পরিষ্কার হয়ে ওঠে| এবারের গ্লোবাল সিটিজ ইনডেক্সের শীর্ষ পাঁচটি শহর নির্বাচিত হয়েছে যথাক্রমে নিউইয়র্ক, লন্ডন, প্যারিস, সিয়াটল ও সান ফ্রান্সিসকো| অর্থনীতি ও শ্রমবাজারের অবিশ্বাস্য শক্তির জোরে নিউইয়র্ক ও লন্ডন সবার শীর্ষে এবং উন্নত জীবনমানের জন্য প্যারিস প্রশংসিত হয়েছে| এমনকি খোদ দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রধান শহরগুলোর সঙ্গেও বাংলাদেশের শহরগুলো কোনো প্রতিযোগিতাই গড়ে তুলতে পারছে না| এই অঞ্চলের মধ্যে ভারতের দিল্লি ২৬৮তম স্থানে উঠে এসে সবার শীর্ষে রয়েছে| এছাড়া দেশটির অন্যান্য শহর যেমন বেঙ্গালুরু ৩১১, মুম্বাই ৩৩০, চেন্নাই ৩৮১ এবং হায়দরাবাদ ৪২১তম স্থানে অবস্থান করছে| আন্তর্জাতিক অন্যান্য মূল্যায়নেও একই করুণ চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে, যেখানে ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের ২০২৬ সালের লিভেবিলিটি ইনডেক্সে ঢাকাকে বিশ্বের তৃতীয় নিকৃষ্টতম বসবাসের অযোগ্য শহর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে| বড় বড় মেগা অবকাঠামো দিয়ে যে বিশ্বমানের মানবিক ও আধুনিক শহর গড়ে তোলা যায় না, আন্তর্জাতিক এসব সূচকের নির্মম বার্তা দেশের নীতিনির্ধারকদের সামনে সেই সত্যটিই অত্যন্ত কঠোরভাবে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে|

তথ্যসূত্র: বণিক বার্তা


এ জাতীয় আরো খবর...