শিরোনামঃ
লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জারদের বৈদেশিক মুদ্রা জমায় নতুন সুবিধা রফতানি ও রেমিট্যান্সে ইতিবাচক ধারা, রিজার্ভ ৩৬.২৫ বিলিয়ন ডলার সিটি গ্রুপকে ৩ হাজার কোটি টাকার ঋণ দিতে আইন শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক সিঙ্গাপুরে প্রশিক্ষণে যাচ্ছেন সচিব, অতিরিক্ত সচিবসহ ৩৫ সরকারি কর্মকর্তা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনা মন্ত্রীর সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান ঋণ সহায়তার বাইরে কোরিয়ার সঙ্গে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর সৌরবিদ্যুৎ পরিকল্পনা ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও শিল্পপর্যায়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে : মাহদী আমিন আর্টিলারি রেজিমেন্টের অধিনায়ক সম্মেলন ও পুনর্মিলনীতে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা আরও গভীর করতে চীনের অঙ্গীকার: লিউ মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে কাজ করবে সংসদীয় ককাস
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন

সিটি গ্রুপকে ৩ হাজার কোটি টাকার ঋণ দিতে আইন শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৫ বার
প্রকাশ: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

ঋণখেলাপি সিটি গ্রুপের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ৩ হাজার কোটি টাকার চলতি মূলধন ঋণ দিতে ব্যাংক কোম্পানি আইনের একটি ধারার প্রয়োগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। সিটি ব্যাংক পিএলসির নেতৃত্বে গঠিতব্য ব্যাংকগুলোর সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এ ঋণ দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ২৭কক (৩) ধারার বিধান কার্যকর হবে না।

তবে ঋণ বিতরণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে চারটি শর্ত দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিটি গ্রুপের ঋণখেলাপি পাঁচ প্রতিষ্ঠান—সিটি সিড ক্রাশিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সিটি সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড, সিটি ডাল মিলস লিমিটেড ও শম্পা ফ্লাওয়ার মিলস লিমিটেডের অনুকূলে ৩ হাজার কোটি টাকার চলতি মূলধন ঋণ সুবিধা দেওয়া হবে। এ জন্য ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ১২১ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ২৭কক (৩) ধারার বিধান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

তবে এ ঋণের দায় সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক নেবে না। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত ঋণের বিপরীতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো দায় সৃষ্টি হবে না। ভবিষ্যতে সিটি ব্যাংক পিএলসি কিংবা সিন্ডিকেটভুক্ত অন্য কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ ঋণের জন্য সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আর্থিক সহায়তা দাবি করতে পারবে না।

ঋণের বিপরীতে জামানত হিসেবে সিটি গ্রুপকে তাদের অন্য কোনো ঋণ বা দায়ের বিপরীতে বন্ধক রাখা হয়নি, এমন দায়মুক্ত সম্পত্তি রেজিস্টার্ড মর্টগেজ দিতে হবে। এ সম্পত্তির মাধ্যমে ঋণের বিপরীতে যুক্তিসংগত জামানত নিশ্চিত করতে হবে। ঋণের অর্থে কেনা পণ্য বিক্রির পর পাওয়া অর্থও নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা রাখতে হবে। সেখান থেকে আনুপাতিক হারে সিন্ডিকেটেড ঋণ প্রদানকারী ব্যাংকগুলোর পাওনা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়মিত পরিশোধ করতে হবে।

এ ছাড়া ঋণের অর্থে আমদানি করা কাঁচামাল ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণদাতা ব্যাংকগুলোর সিকিউরিটি এজেন্টের প্রতিনিধি হিসেবে কিনবে। পরে জিম্মাদার হিসেবে এসব কাঁচামাল প্রক্রিয়াজাত করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের ফলে সিটি গ্রুপের পাঁচটি ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠান নতুন করে ৩ হাজার কোটি টাকার চলতি মূলধন ঋণ পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। তবে ঋণের অর্থের নিরাপত্তা, জামানত এবং পরিশোধ নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দিষ্ট শর্ত আরোপ করেছে।


এ জাতীয় আরো খবর...