বিগত আড়াই দশকে উন্নত জীবনের প্রত্যাশা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকাসহ বিশ্বের শীর্ষ দশটি দেশে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন প্রায় ছয় লাখ বাংলাদেশী। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের দীর্ঘমেয়াদি তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে যে ২০০০ সাল থেকে শুরু করে ২০২৫ সাল পর্যন্ত এই ২৬ বছরে প্রধান দশটি গন্তব্য দেশে মোট পাঁচ লাখ ৮৭ হাজার ৯৯২ জন বাংলাদেশী নাগরিক আনুষ্ঠানিকভাবে আশ্রয়ের আবেদন দাখিল করেছেন। আন্তর্জাতিক এই পরিসংখ্যানের শীর্ষে অবস্থান করছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ ফ্রান্স। দেশটিতে জমা পড়া আবেদনের সংখ্যা এক লাখ ৫৭ হাজার ২৪৫টি। ঠিক তার পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ইতালিতে জমা পড়েছে এক লাখ ৫২ হাজার ৪১৫টি আবেদন। অর্থাৎ কেবল ফ্রান্স ও ইতালি—এই দুই দেশেই শীর্ষ দশ দেশের মোট আবেদনের প্রায় ৫৩ শতাংশ বা তিন লাখ নয় হাজারেরও বেশি আবেদন জমা হয়েছে।
ইউএনএইচসিআরের বিস্তারিত দেশভিত্তিক তালিকায় দেখা যায় যে সামগ্রিক তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে আফ্রিকার দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা, যেখানে জমা পড়েছে ৭৭ হাজার ৮০৪টি আবেদন। এরপর পর্যায়ক্রমে চতুর্থ স্থানে যুক্তরাজ্যে ৪৮ হাজার ৭৮৫টি, পঞ্চম স্থানে গ্রিসে ৪৫ হাজার ৩৩৮টি, ষষ্ঠ স্থানে কানাডায় ৩৩ হাজার ৫০২টি এবং সপ্তম স্থানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ হাজার ৭৯৮টি আবেদন জমা পড়েছে। এছাড়া শীর্ষ দশের বাকি তিনটি দেশ হলো সাইপ্রাস (২১ হাজার ২৮৬টি), অস্ট্রিয়া (১০ হাজার ৭৭৯টি) এবং জার্মানি (১০ হাজার ৪০টি)। পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে এই তালিকার শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে সাতটিই ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে উত্তর আমেরিকার দুই প্রভাবশালী দেশ কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র মিলিয়ে আবেদনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৪ হাজার বা মোট সংখ্যার প্রায় ১১ শতাংশ।
দীর্ঘ ছাব্বিশ বছরের সামগ্রিক পরিসংখ্যানে ফ্রান্স তালিকার শীর্ষে থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চিত্রপটে বড় ধরনের নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশীদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের প্রধানতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে ইতালি। আন্তর্জাতিক আশ্রয় সংস্থার তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশীদের সবচেয়ে বেশি আশ্রয় আবেদন জমা পড়া শীর্ষ তিনটি দেশ হলো যথাক্রমে ইতালি, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এজেন্সি ফর অ্যাসাইলাম বা ইইউএএর তথ্য বলছে যে ২০২৪ সালে ইউরোপে বাংলাদেশীদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন এক দশকের মধ্যে সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়েছিল। কেবল সেই বছরেই ইউরোপের দেশগুলোতে জমা পড়া মোট আবেদনের ৭৭ শতাংশ বা ৩৩ হাজার ৪৫৫টি আবেদন জমা পড়েছিল এককভাবে ইতালিতে। একই বছরে ফ্রান্সে জমা পড়েছিল ছয় হাজার ৪২৯টি এবং আয়ারল্যান্ডে এক হাজার ছয়টি আবেদন।
পরিসংখ্যানের এই ধারা পরবর্তী সময়েও অব্যাহত ছিল। ২০২৩ সালে ফ্রান্সে বাংলাদেশীদের আবেদনের সংখ্যা ছিল ১০ হাজার ২১৫টি, যা সমগ্র ইউরোপীয় প্লাস অঞ্চলে তাদের মোট আবেদনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ বা ২৫ শতাংশ ছিল। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের প্রথমার্ধেও ইতালির আধিপত্য স্পষ্ট লক্ষ্য করা যায়, যেখানে ইউরোপে বাংলাদেশীদের দাখিল করা মোট আবেদনের প্রায় ৭৪ শতাংশই জমা পড়ে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দপ্তরে। রাজনৈতিক নিপীড়ন, বিরোধী রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে মামলা-হামলা, ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু পরিচয়ের নিরাপত্তাহীনতাকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখিয়ে এই বিপুল সংখ্যক আবেদন দাখিল করা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক সুরক্ষার এসব আবেদনের বিপরীতে অনুমোদনের হার অত্যন্ত শোচনীয় ও হতাশাজনক পর্যায়ে নেমে এসেছে।
ফ্রান্সে আশ্রয় আবেদনের এই দীর্ঘ ইতিহাসের পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পটভূমি রয়েছে। ২০১৩ সালের ৪ মার্চ ফ্রান্সের শরণার্থী প্রশাসন বাংলাদেশকে তথাকথিত ‘নিরাপদ উৎস দেশ’-এর তালিকা থেকে বাদ দেয়। এর পরপরই দেশটিতে বাংলাদেশীদের আশ্রয় প্রার্থনার সংখ্যা এক লাফে নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পায় এবং বার্ষিক আবেদন তিন হাজার ছাড়িয়ে যায়। পরবর্তী বছর ২০১৪ সালে ফ্রান্সে মোট তিন হাজার ৫৮২টি আবেদন জমা পড়ে, যার মধ্যে দুই হাজার ৪২৫টি ছিল নতুন আবেদন এবং বাকিগুলো ছিল পূর্বের প্রত্যাখ্যাত আবেদনের পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা। পরিস্থিতি সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য ফ্রান্সের শরণার্থী ও রাষ্ট্রহীন ব্যক্তিদের সুরক্ষা দপ্তর (ওএফপিআরএ) এবং দেশটির জাতীয় আশ্রয় আদালতের (সিএনডিএ) একটি যৌথ উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ সফর করে।
ফরাসি প্রতিনিধি দলের সেই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসে যে আবেদনকারীদের একটি বড় অংশই তৎকালীন বিরোধী রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বিএনপির সাথে সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেছেন। বিরোধী মতাদর্শের কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর রাজনৈতিক নিপীড়ন, গায়েবি ও মিথ্যা মামলা, রাতের আঁধারে গ্রেপ্তার, ব্যবসা-বাণিজ্যে বাধা এবং স্থানীয় পর্যায়ে জমিজমা দখলের অভিযোগগুলো তারা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। বর্তমানে ফ্রান্সে রাজনৈতিক আশ্রয় পেয়ে বসবাসরত বিএনপির এক স্থানীয় নেতা জানান যে তিনি মূলত ভিজিট ভিসায় ফ্রান্সে গিয়েছিলেন। দেশে থাকাকালীন এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে চারটি রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল এবং ব্যবসা করার পরিবেশ ছিল না। পরবর্তীতে তিনি ফ্রান্সে পৌঁছে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা দেন এবং নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে তা গৃহীত হয়।
তবে এই ধরনের সফলতার গল্প হাতে গোনা কয়েকটি মাত্র, কারণ ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশীদের আশ্রয় আবেদন অনুমোদনের হার বর্তমানে একপ্রকার তলানিতে এসে ঠেকেছে। ইইউএএর সর্বশেষ ‘লেটেস্ট অ্যাসাইলাম ট্রেন্ডস: মিড-ইয়ার রিভিউ ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এক করুণ বাস্তবতা। প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ইউরোপে বাংলাদেশীদের করা আবেদনের বিপরীতে ইতিবাচক সিদ্ধান্তের হার ছিল মাত্র ৩ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ধাপে নিষ্পত্তি হওয়া প্রতি এক শটি আবেদনের মধ্যে ৯৭টি আবেদনই সরাসরি বাতিল হয়ে গেছে এবং সুরক্ষা পেয়েছে মাত্র তিনটি। অথচ একই সময়ে ইউরোপে আশ্রয় চাওয়া বিশ্বের সমস্ত দেশের আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে গড় অনুমোদনের হার ছিল ৩১ শতাংশ।
আন্তর্জাতিক এই পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের সঙ্গে মিল রয়েছে কেবল রাজনৈতিক সংকটে থাকা ভেনেজুয়েলার, যাদের অনুমোদনের হারও ছিল ৩ শতাংশ এবং মিসরের ক্ষেত্রে তা ছিল মাত্র ২ শতাংশ। অন্যদিকে সংঘাতপীড়িত ও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোর ক্ষেত্রে এই চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। মালির নাগরিকদের ক্ষেত্রে আশ্রয় অনুমোদনের হার ছিল ৮৭ শতাংশ, হাইতির ক্ষেত্রে ৮৪ শতাংশ, আফগানিস্তানের নাগরিকদের জন্য ৭৩ শতাংশ এবং সুদানের ক্ষেত্রে এই হার ছিল ৬৫ শতাংশ। ইইউএএর পূর্ববর্তী তথ্যে দেখা যায় যে ২০২৫ সালে বাংলাদেশীদের শতকরা ৯৪ ভাগ এবং ২০২৪ সালে প্রায় ৯৬ ভাগ আবেদনই সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। দেশভিত্তিক হিসাবে ইতালিতে আবেদন অনুমোদনের হার ছিল মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ, ফ্রান্সে ৭ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যে ১২ দশমিক ৪ শতাংশ। তবে কানাডায় এই অনুমোদনের হার কিছুটা বেশি ছিল, যা প্রায় ২২ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছেছিল।
আবেদনের এই বিপুল পাহাড় ইউরোপের দেশগুলোর আশ্রয় আদালতে এক তীব্র জটের সৃষ্টি করেছে। ২০২৪ সালের সমাপ্তিতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ঝুলে থাকা বাংলাদেশী আবেদনের সংখ্যা ছিল ৪৭ হাজার ৭৭৮টি, যা ২০২৫ সালের মে মাস নাগাদ সামান্য কমে ৪৫ হাজার ১২৯টিতে দাঁড়ায়। এর বাইরে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত মাত্র দেড় বছরেই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রথমবারের মতো নতুন করে আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন ৫৭ হাজার ৫৫০ জন বাংলাদেশী। বর্তমানে ইতালি, ফ্রান্স এবং গ্রিসের মতো প্রধান দেশগুলো এই অনিষ্পন্ন আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করায় গণহারে আবেদন বাতিলের পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ার গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের নির্দিষ্ট কিছু দেশে বাংলাদেশীদের এমন গণআশ্রয় চাওয়ার পেছনে মূলত কয়েকটি পারিবারিক, আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক ফ্যাক্টর কাজ করেছে। অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রামের (ওকাপ) চেয়ারপারসন শাকিরুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন যে অতীতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অভিবাসন ও শরণার্থী নীতি তুলনামূলক কিছুটা শিথিল থাকার কারণে প্রবাসীরা আত্মীয়স্বজন ও পারিবারিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এই সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে বর্তমানে পুরো ইউরোপজুড়ে অভিবাসনবিরোধী কঠোর আইন প্রণয়ন এবং আবেদন বাতিলের হার অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় সেই পথ কার্যত রুদ্ধ হয়ে গেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে বিদেশে গিয়ে মিথ্যা আশ্রয় প্রার্থনার পথ বন্ধ করতে হলে দেশের ভেতরেই যুবসমাজের জন্য সম্মানজনক ও টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
অভিবাসন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর উল্লেখ করেন যে ইউরোপে স্থায়ীভাবে বসবাসের স্বপ্ন দেখা অনেকেরই প্রতিযোগিতামূলক শ্রমবাজারে কাজ করার মতো প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক বা কারিগরি যোগ্যতা থাকে না। ফলে তারা শিক্ষার্থী, ট্যুরিস্ট কিংবা ভিজিট ভিসার সুযোগ নিয়ে বিদেশে প্রবেশ করেন এবং পরবর্তীতে রাজনৈতিক আশ্রয়ের মতো সংবেদনশীল পথ বেছে নেন। একজনের দেখাদেখি অন্যরাও একই পথ অনুসরণ করেন, যেমনটি সিলেটের মানুষ যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে এবং পরবর্তীকালে অন্য অঞ্চলের তরুণরা ইতালি ও গ্রিসের ক্ষেত্রে করেছেন। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সার্বিক মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
বিষয়টি নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো নুরুল হক স্পষ্ট ভাষায় জানান যে বিদেশে গিয়ে নির্বিচারে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করার এই প্রবণতা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করছে। তিনি বলেন যে অতীতের দীর্ঘ স্বৈরশাসনামলে রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা, নির্যাতন ও গুমের মতো ভীতিকর বাস্তবতা থাকলেও বর্তমান বাংলাদেশে সেই ধরনের অস্বাভাবিক পরিবেশ আর বিদ্যমান নেই। তা সত্ত্বেও অনেকেই কেবল উন্নত দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস ও অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার অসদুপায় হিসেবে এই ধরনের আশ্রয়ের আবেদন করে থাকেন। তবে যেহেতু রাজনৈতিক আশ্রয়ের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট দেশের নিজস্ব সার্বভৌম বিচারিক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল, তাই এখানে বাংলাদেশ সরকারের সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখার আইনগত সুযোগ থাকে না।
তথ্যসূত্র: বণিক বার্তা