আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে সরকার এক বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। একদিকে যেমন আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের বিশাল খরচ মেটাতে বিস্তারিত..
করোনা মহামারির বিধ্বংসী ধাক্কা কাটিয়ে যখন বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাতটি সবেমাত্র সোজা হয়ে দাঁড়াতে শুরু করেছিল, ঠিক তখনই নতুন করে মরণকামড় বসিয়েছে ভূ-রাজনীতি। সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র আকার ধারণ করা যুক্তরাষ্ট্র,
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতি, গ্যাস সিলিন্ডারের বর্ধিত মূল্য এবং গণপরিবহনের ভাড়ার কারণে দেশের সাধারণ মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো এমনিতেই চরম অর্থনৈতিক হিমশিম অবস্থার মধ্য দিয়ে দিন পার করছে। সংসারের মাসিক খরচের
দেশের দরিদ্র, প্রান্তিক ও অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য হ্রাস, সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে নতুন সরকার। অর্থ
বিগত দেড় দশকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের সবচেয়ে বিতর্কিত, আলোচিত ও সমালোচিত অধ্যায় হলো ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ বা অলস উৎপাদন সক্ষমতার মাশুল। বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন হোক বা না হোক, চুক্তি অনুযায়ী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন তথা বহুল প্রতীক্ষিত বাজেট অধিবেশন আজ রবিবার শুরু হচ্ছে। বিকেল ৩টায় শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি