ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জনই তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিয়ম অনুযায়ী, প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট পেতে ব্যর্থ হওয়ায় এই প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
| নির্বাচনী আসন | প্রার্থীর নাম | রাজনৈতিক দল | প্রাপ্ত ভোট |
|---|---|---|---|
| চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ | মোহা. আফজাল হোসেন | জাতীয় পার্টি | ২,২৬৩ |
| মনিরুল ইসলাম | ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ | ১,০৮৩ | |
| আব্দুল হালিম | বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট | ৫৫৭ | |
| নবাব মো. শামসুল হোদা | ইসলামী ফ্রন্ট | ৪৪৬ | |
| চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ | মু. খুরশিদ আলম | জাতীয় পার্টি | ৮,১৭৫ |
| মো. ইব্রাহিম খলিল | ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ | ১,০৬৯ | |
| মো. সাদেকুল ইসলাম | বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি | ৬২৬ | |
| চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ | মো. মনিরুল ইসলাম | ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ | ৮২০ |
| ফজলুর ইসলাম খাঁন সুমন | জেএসডি | ৬৩৭ | |
| মো. শফিকুল ইসলাম | গণঅধিকার পরিষদ | ৩৬১ |
নিয়ম লঙ্ঘন: ইসি পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত ভোটের মোট ১২.৫% (৮ ভাগের ১ ভাগ) না পেলে আইনত তার জামানত রক্ষা হয় না।
দলগত বিপর্যয়: দেখা গেছে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা তিনটি আসনেই জামানত হারিয়েছেন। জাতীয় পার্টির প্রার্থীরাও প্রত্যাশিত ভোট টানতে ব্যর্থ হয়েছেন।
সর্বনিম্ন ভোট: চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম জেলাজুড়ে সর্বনিম্ন (৩৬১) ভোট পেয়েছেন।
এই গণ-জামানত বাজেয়াপ্তের ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, প্রধান দুই-তিনটি দল বা জোটের বাইরে অন্য দলগুলোর প্রতি সাধারণ ভোটারদের আস্থা ছিল একেবারেই নগণ্য।