চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ কিশোর মো. শাওন (১৬) আর নেই। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো দুইজনে। এর আগে সোমবার হাসপাতালে নিয়ে আসার পর শাওনের মা নুরজাহান আক্তার রানীকে (৪০) মৃত ঘোষণা করেছিলেন চিকিৎসকরা।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, মঙ্গলবার সকালে মারা যাওয়া শাওনের শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। বর্তমানে চিকিৎসাধীন বাকি ৭ জনের অবস্থাও অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তাদের মধ্যে:
শাখাওয়াত হোসেন ও পাখি আক্তার: উভয়ের শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
শিপন: শরীরের ৮০ শতাংশ দগ্ধ।
সামির ও আয়েশা: উভয়ের শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ।
উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা: শরীরের ৩৮ শতাংশ দগ্ধ।
ফারহান আহমেদ আনাস: শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে হালিশহর এলাকার এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামে একটি ভবনের তৃতীয় তলায় গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটে। পরে ওইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে পর্যায়ক্রমে দগ্ধ ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আনা হয়। দগ্ধরা সবাই একই পরিবারের সদস্য ও নিকটাত্মীয়।