বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখের সকল অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক কার্যপত্রের মাধ্যমে জানানো হয়:
রাজধানীসহ সারা দেশের সকল বর্ষবরণ অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করতে হবে।
রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবরের মতো জনাকীর্ণ এলাকাগুলোতে বিকেল ৫টার পর নতুন করে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ঐতিহ্যবাহী ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে:
শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা মুখ ঢেকে কোনো মুখোশ পরতে পারবেন না (তবে হাতে বহন করা যাবে)।
শোভাযাত্রা শুরু হওয়ার পর মাঝপথে নতুন করে কেউ এতে যোগ দিতে পারবেন না।
নিরাপত্তার স্বার্থে পহেলা বৈশাখে দেশব্যাপী নিচের বিষয়গুলো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে:
ফানুস ওড়ানো ও আতশবাজি ফোটানো।
গ্যাস বেলুন ও উচ্চশব্দের ভুভুজেলা বাঁশি বাজানো।
রাজধানীর ৩০০ ফুট এলাকায় মোটরসাইকেল ও গাড়ির রেসিং।
মেট্রোরেল: ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (টিএসসি) স্টেশন বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
যানবাহন: ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার পর স্টিকারবিহীন কোনো যানবাহন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশ করতে পারবে না।
এছাড়া ইভ টিজিং, ছিনতাই ও পকেটমার প্রতিরোধে সাদাপোশাকে গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে। অগ্নিকাণ্ড বা যেকোনো দুর্ঘটনা মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দল মোতায়েন থাকবে।