শিরোনামঃ
স্বস্তিতে শুরু মাধ্যমিকের লড়াই: প্রশ্নফাঁসের শঙ্কা উড়িয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী বাসের ভাড়ায় আসছে সমন্বয়, সাংস্কৃতিক কূটনীতিতে ‘আঞ্চলিক’ নববর্ষের রূপরেখা ত্যাগের মূল্যায়নে স্বজন-ছায়া: নারী আসনে বিএনপির ৩৬ মুখ জোটের শরিকদের ছাড়, নারী আসনে জামায়াত-এনসিপির চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত গম পাচার কেলেঙ্কারি: ভোটের মুখেই ইডির তলবে বিপাকে নুসরাত ব্যাট ছেড়ে মালিকানায় ‘ইউনিভার্স বস’: স্কটিশ ফ্র্যাঞ্চাইজি কিনলেন গেইল জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি—সরকারের সাশ্রয়ের বিপরীতে কতটা পুড়ছে সাধারণ মানুষ? চার দেওয়াল পেরিয়ে দেশ গড়ার অঙ্গীকার: নারী আসনের ভোটে সরগরম নির্বাচন ভবন হামের থাবায় কাঁপছে কুষ্টিয়া: একদিনে হাসপাতালে ২৮ অপহরণ, সালিশ ও ফের পলায়ন: কুমিল্লার মেঘনায় স্কুলছাত্রীকে নিয়ে ধূম্রজাল
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন

নামাজে দরুদ শরিফ পড়ার সঠিক নিয়ম ও ফজিলত

ইসলাম ডেস্ক / ১২ বার
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

নামাজ মুমিনের মিরাজ এবং মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। নামাজের প্রতিটি রুকন ও আমলের রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য। এর মধ্যে নামাজের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদের পর দরুদ পাঠ করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ, যা ‘দরুদে ইবরাহিম’ নামে পরিচিত। নবী করিম (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের শ্রেষ্ঠতম উপায় হলো দরুদ শরিফ। এই দরুদ মুমিনের আমলনামায় অসংখ্য সওয়াব যোগ করে।

নামাজে দরুদ পড়ার শরয়ি বিধান

শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, নামাজের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদের পর দরুদ শরিফ পড়া সুন্নতে মুআক্কাদা। যদি কোনো ব্যক্তি ভুলে বা বিশেষ কারণে এটি ছেড়ে দেয়, তবে তার নামাজ হয়ে যাবে এবং সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব হবে না। কিন্তু এর ফলে নামাজের সওয়াব কিছুটা কমে যায়। তবে কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে বা নিয়মিত অভ্যাস হিসেবে এটি ছেড়ে দেয়, তবে সে সুন্নাত ত্যাগের কারণে গুনাহগার হবে।

কীভাবে দরুদ পড়তে হবে?

হজরত কাব ইবনে উজরা (রা.) বর্ণনা করেন, একদিন সাহাবায়ে কেরাম রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, “হে আল্লাহর রাসুল, আপনার ওপর আমরা কীভাবে দরুদ পড়ব?” জবাবে তিনি ‘দরুদে ইবরাহিম’ পড়ার নির্দেশ দেন। এই দরুদটি সবচেয়ে বিশুদ্ধ ও শক্তিশালী বর্ণনার মাধ্যমে প্রমাণিত, যা বুখারি ও মুসলিম শরিফে স্থান পেয়েছে।

কেন দরুদে ইবরাহিম শ্রেষ্ঠ?

সকল দরুদ শরিফের মধ্যে দরুদে ইবরাহিমকে শ্রেষ্ঠ বলার কারণ হলো, এটি স্বয়ং রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর সাহাবিদের শিক্ষা দিয়েছেন। নামাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতে এই দরুদটি নির্ধারিত হওয়ায় এর মাহাত্ম্য অন্য যেকোনো দরুদের চেয়ে অনেক বেশি।

নবীজি (সা.)-এর প্রতি যথাযথ সম্মান ও ভালোবাসা প্রদর্শনের মাধ্যমে আমরা যেন কিয়ামতের দিন তাঁর শাফায়াত লাভ করতে পারি, মহান আল্লাহ আমাদের সেই তৌফিক দান করুন।


এ জাতীয় আরো খবর...