সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, এতে প্রকৃত পরীক্ষার্থীরা সন্তুষ্ট। এরপরও কেউ যদি পরবর্তী পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারে, তাহলে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত পরীক্ষার সময় তাদের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। অর্থাৎ সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। আর একটি মন্তব্যের কারণে অনেকে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী সংসদে তার বক্তব্যে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তাই এটি নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব বিষয়কে আমরা খুব একটা গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছি না। কারণ, আমরা ঢাকার বাইরে দুই-একটি জেলা এবং কয়েকটি স্থানে এ ধরনের ঘটনা দেখেছি। এসব বিষয়ে কথা বলছেন, এমন মানুষের সংখ্যাও খুব বেশি নয়। হয়তো গণমাধ্যমে আসার কারণে বিষয়গুলো বেশি নজরে আসছে। তারপরও আমরা বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণে রাখছি।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সচিবালয়ে ঢুকে পরীক্ষা স্থগিত করা কিংবা পরীক্ষা ছাড়াই পাসের ঘোষণা আদায়ের মতো একটি অপসংস্কৃতি দেখা গিয়েছিল। তারা সেটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। সেই প্রবণতাই এখনো কিছু মানুষের মধ্যে রয়ে গেছে। তবে শিক্ষার মান ক্ষুণ্ন হয়—এমন কোনো বিষয় সরকার হতে দেবে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা নিতে চাই। বাংলাদেশের শিক্ষার মান অনেক নিচে নেমে গিয়েছিল। সেটিকে পুনরুদ্ধার করে জাতীয়ভাবে একটি শিক্ষিত ও শক্তিশালী জাতি গড়ে তুলতে চাই। সবাই জানেন, কোনো দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হলে সেই জাতির ভবিষ্যৎও ধ্বংস হয়।
তিনি আরও বলেন, অতীতে ঢালাওভাবে জিপিএ-৫ দেওয়া, অটোপাস এবং পরীক্ষায় নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার মতো অপসংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল। এর ফলে শিক্ষার মান অনেক নিচে নেমে গেছে। আমরা সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে চাই। কিছুটা সময় লাগবে, কয়েক বছরও লাগতে পারে। তবে আমরা চাই, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করুক এবং জ্ঞানভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও বিশ্ব প্রতিযোগিতায় সক্ষম একটি জাতি হিসেবে গড়ে উঠুক। এ বিষয়ে সরকার আপসহীন।