সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের পক্ষে বক্তব্য দিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েছেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল খালেক। তিনি বলেছেন, গাজী নজরুল ইসলাম যা করেছেন তা ‘অনৈতিক নয়, অসামাজিক’। পরে এই বক্তব্য নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার মুখে তিনি দাবি করেন, তার মূল বক্তব্যকে খণ্ডিত ও বিকৃতভাবে প্রচার করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘এমপি সাহেবের (গাজী নজরুল ইসলাম) বড় ওয়াইফসহ সবাইকে আমরা ডেকে নিয়ে বসেছিলাম। ওই মেয়েটার আবদার—আমি অন্য জায়গায় বিয়ে করব না। আমি যে কয়দিন বাঁচবো, এমপি সাহেবকে সেবা করে যাব। এভাবে মেয়েটির দাবির মুখে তার বাপ-মা বাধ্য হয়ে তাদের বাড়িতে বিয়ের ব্যবস্থা করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ কাজটা অনৈতিক না, অসামাজিক। এ কারণে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং তার এমপি পদও বাতিল হয়ে যাবে। জামায়াতে ইসলামী নৈতিকতার প্রশ্নে কাউকে ছাড় দেয় না।’
তবে তার এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন স্তরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
বিতর্কের মুখে পরে বিবৃতি দিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন এমপি আব্দুল খালেক। তিনি দাবি করেন, অনুষ্ঠানে দেওয়া তার বক্তব্যের একটি অংশ গণমাধ্যমে খণ্ডিতভাবে প্রচার করা হচ্ছে। এতে তার বক্তব্যের প্রকৃত অর্থ বিকৃত হয়েছে এবং ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল নৈতিকতা, আদর্শ ও নেতৃত্বের দায়িত্বশীলতা। আমি স্পষ্টভাবে বলেছি, নেতৃত্বের পর্যায়ে থাকা কোনো ব্যক্তির অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠলে সংগঠন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং নৈতিকতার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়।’
তিনি বলেন, তার বক্তব্য খণ্ডিতভাবে প্রচার করে তাকে ওই ঘটনার সমর্থক বানানোর চেষ্টা ‘অনভিপ্রেত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’।