শিরোনামঃ
২ বছরে সাত মামলায় ২৩ জনের মৃত্যুদণ্ড: কার্যকর হয়নি একটিও গণশুনানি এড়িয়ে এলপিজির দাম নির্ধারণ উপসাগরীয় রণক্ষেত্রে পুড়ছে জনশক্তি খাত অরক্ষিত নাগরিক তথ্য ও ডিজিটাল নিরাপত্তার গভীর খাদ সরকার প্রধান হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী নারীস্বাস্থ্য রূপান্তরে বৈশ্বিক অংশীদারত্ব ও উদ্ভাবনী অর্থায়নের আহ্বান জুবাইদা রহমানের অবৈধ অভিবাসন বন্ধে বাংলাদেশ-ইইউ একসঙ্গে কাজ করবে দেশের কারাগারে বন্দি মায়েদের সঙ্গে ৩০৩ শিশু ৫ ধাপে হবে ইউপি নির্বাচন, ২১ জানুয়ারি শুরু বিএনপির নেতাকর্মীদের ফ্যাসিবাদী আচরণ না করার আহ্বান রিজভীর
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন

গণশুনানি এড়িয়ে এলপিজির দাম নির্ধারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২ বার
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

দেশের সাধারণ ভোক্তা ও গৃহস্থালির অপরিহার্য জ্বালানি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস তথা এলপিজির বাজারব্যবস্থা ও মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া নিয়ে আবারও গুরুতর অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে| জনগণের সরাসরি মতামত ও আপত্তি জানানোর একমাত্র আইনি পথ ‘গণশুনানি’ পুরোপুরি বন্ধ রেখে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি একতরফাভাবে মাসের পর মাস এলপিজির দাম পুনর্নির্ধারণ করে চলেছে| নিয়ন্ত্রক এই সংস্থার এমন পদক্ষেপে সাধারণ নাগরিকের স্বার্থ সুরক্ষা হচ্ছে নাকি আমদানিকারক ও সিন্ডিকেটের ব্যবসায়িক মুনাফাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে—তা নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছে দেশের ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)| গতকাল রাজধানীর দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে ‘এলপিজির দাম: ভোক্তার স্বার্থ ক্ষুণ্ন করছে কে?’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বিইআরসির এই ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা ব্যক্ত করেন|

আলোচনা সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করতে গিয়ে ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম স্মরণ করিয়ে দেন যে, উচ্চ আদালতের সুস্পষ্ট রায় থাকা সত্ত্বেও বিইআরসি আইনি বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন করছে| ২০২০ সালের ২৫ আগস্ট হাইকোর্ট এক ঐতিহাসিক নির্দেশনায় স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছিল যে, এলপিজির মূল্য নির্ধারণে অবশ্যই নিয়মিত গণশুনানির আয়োজন করতে হবে| সেই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালের এপ্রিল ও অক্টোবর মাসে কমিশন দুবার গণশুনানি করলেও পরবর্তী সময়ে অত্যন্ত রহস্যজনক কারণে তা পুরোপুরি স্থগিত করে দেওয়া হয়| এমনকি সর্বশেষ চলতি অক্টোবরের চার তারিখে ঘোষিত নতুন মূল্যের ক্ষেত্রেও কোনো ধরনের গণশুনানি করা হয়নি| গণশুনানি মূলত এমন একটি উন্মুক্ত গণতান্ত্রিক মঞ্চ, যেখানে বেসরকারি অপারেটর ও আমদানিকারকরা যেসব আনুসঙ্গিক পরিচালন ব্যয় ও মাশুল হিসাব দেখিয়ে দাম বাড়ানোর দাবি তোলে, তা সাধারণ ভোক্তা ও বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে চুলচেরা যাচাই-বাছাই করা যায়| শুনানি বন্ধ করে দেওয়ায় জ্বালানি কোম্পানিগুলোর দেওয়া কাগুজে হিসাবকে অন্ধের মতো মেনে নেওয়া হচ্ছে, যার চূড়ান্ত আর্থিক দায়ভার চাপছে সাধারণ ভোক্তার কাঁধে|

গণশুনানি ছাড়া জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির এই অনৈতিক চর্চা নিয়ে খোদ জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতেও আগের দিন তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে| সংসদীয় কমিটির বৈঠকে সদস্যরা সরাসরি প্রশ্ন তোলেন যে, যে আইনটির ওপর ভিত্তি করে বিইআরসি গঠিত হয়েছে, সেই আইন প্রণয়নের দীর্ঘ তেইশ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও কেন গণশুনানির জন্য একটি সুস্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ প্রবিধানমালা তৈরি করা সম্ভব হয়নি| এছাড়া বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর তথাকথিত ক্যাপাসিটি চার্জ ও উৎপাদন সক্ষমতার নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাটের বিষয়টির সঠিক সত্য উদঘাটনে একটি নিরপেক্ষ ফরেনসিক অডিট পরিচালনার দাবিও তোলেন সংসদ সদস্যরা| আইন প্রণেতাদের এই অবস্থান প্রমাণ করে যে, জ্বালানি খাতের অস্বচ্ছতা এখন আর কেবল রাজপথের দাবি নয়, বরং নীতিনির্ধারণী মহলেও বড় উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে|

গণশুনানি না করার কারণে কীভাবে ভোক্তাদের পকেট কাটা হচ্ছে, তার একটি সুস্পষ্ট ঐতিহাসিক উদাহরণ তুলে ধরেন শামসুল আলম| তিনি জানান, ২০২১ সালের এপ্রিলে অনুষ্ঠিত সেই শুনানিতে অংশ নিয়েছিল প্রায় ২৮টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান| তাদের মধ্যে ১০ থেকে ১২টি প্রতিষ্ঠান তাদের ভাড়ার চালান বা ফ্রেইট চার্জ হিসেবে প্রতি টনে প্রায় ১২০ ডলারের মতো অতিরিক্ত পরিচালন ব্যয় যুক্ত করার দাবি জানিয়েছিল| কিন্তু ক্যাবের পক্ষ থেকে মংলা বন্দর দিয়ে আমদানির নথিপত্র উপস্থাপন করে প্রমাণ করে দেওয়া হয়েছিল যে, প্রকৃত পরিবহন ব্যয় ছিল প্রতি টনে মাত্র ৬৯ ডলার| অথচ অত্যন্ত বিস্ময়করভাবে বিইআরসি ভোক্তাদের পক্ষে উপস্থাপিত সেই দালিলিক প্রমাণ আমলে নেয়নি এবং ব্যবসায়ীদের চড়া দাবির পক্ষেই রায় দিয়েছিল| তিনি প্রশ্ন তোলেন, আমদানিকারকদের প্রস্তাবিত বিভিন্ন ব্যয়ের মধ্যকার এই বিপুল ফারাক কমিশন কি আদৌ কোনো দিন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে দেখেছে? প্রতিটি খরচের উপাদান নিরপেক্ষ প্রমাণ ছাড়া কীভাবে চূড়ান্ত মূল্যে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে, তা বড় একটি রহস্য|

বাজারে চরম অব্যবস্থাপনার আরেকটি নগ্ন প্রমাণ পাওয়া যায় খোদ পরিবেশক সমিতির আনুষ্ঠানিক অভিযোগের মধ্য দিয়ে| গত ২১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশন সরাসরি বিইআরসি এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে অবহিত করে যে, আমদানিকারক ও সরবরাহকারী কোম্পানিগুলো নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দরে সিলিন্ডার বিক্রি করছে| কমিশন যেখানে ১২ কেজি সিলিন্ডারের অফিশিয়াল দর নির্ধারণ করে দিয়েছিল ১ হাজার ৪৭৫ টাকা, সেখানে সরবরাহকারীরা ডিলার ও পরিবেশকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক সিলিন্ডারপ্রতি ১ হাজার ৫৫০ থেকে ১ হাজার ৭২০ টাকা পর্যন্ত আদায় করছে| শামসুল আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ডিলারদের কাছ থেকে এমন সরাসরি ও গুরুতর অভিযোগ পাওয়ার পরও বিইআরসির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি এবং অভিযুক্ত কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি| তিনি বিইআরসি আইনের ১১ ধারা অনুযায়ী কমিশনের সামগ্রিক ভূমিকা তদন্ত করতে একটি বিশেষ জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠনের জোর দাবি জানান|

এসব সমালোচনার জবাবে বিইআরসির বর্তমান চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ কমিশনের অবস্থান তুলে ধরেন| তিনি জানান, ২০২১ সালের এপ্রিল ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত শুনানির সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করেই আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য বা সৌদি আরামকোর কন্ট্রাক্ট প্রাইস (সিপি), জাহাজ ভাড়া, ডলারের বিনিময় হার এবং স্থানীয় পরিবহন খরচের ভিত্তিতে প্রতি মাসে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মূল্য সমন্বয়ের একটি ফর্মুলা গৃহীত হয়েছে| তাঁর যুক্তি অনুযায়ী, এই মৌলিক বিষয়গুলো যেহেতু কমিশনের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং এগুলো আন্তর্জাতিক পরিবর্তনের ওপর নির্ভরশীল, তাই প্রতি মাসে আলাদা করে গণশুনানির আয়োজন করার কোনো বাস্তব প্রয়োজন নেই| চলতি বছরের আগস্টে দায়িত্ব নেওয়া এই চেয়ারম্যান দাবি করেন যে কমিশন কোনোভাবেই আদালতের আদেশ অমান্য করেনি, বরং শুনানির আলোকেই এই মাসিক পদ্ধতি চালু রয়েছে| তবে তিনি স্বীকার করেন যে, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের যে কমিশন ২০২১ সালে নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন এবং সেই কমিশন সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হলে অবশ্যই নতুন করে গণশুনানি করা হবে|

অন্যদিকে আমদানিকারকদের সংগঠন এলপিজি অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক দাবি করেন, বেসরকারি অপারেটররা কখনোই নিজেদের ইচ্ছামতো বাজার নিয়ন্ত্রণ বা দাম নির্ধারণ করে না| বিইআরসি সৌদি আরামকোর দর এবং অন্যান্য ব্যয় কাঠামো হিসাব করেই প্রতি মাসের অফিশিয়াল বিক্রয়মূল্য ঘোষণা করে থাকে| তবে তিনি খোলাখুলি স্বীকার করেন যে, মাঠপর্যায়ের চরম অরাজকতার কারণে সাধারণ ভোক্তাদের বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে শতকরা ৩০ থেকে ৪০ ভাগ পর্যন্ত বাড়তি অর্থ ব্যয় করে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে| লোয়াবের পক্ষ থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর এক বিজ্ঞপ্তিতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারী বা নির্ধারিত দরের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি করা ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল| তিনি জানান, তাদের সংগঠনের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার—কোনো অপারেটর, ডিলার বা খুচরা ব্যবসায়ী যদি অতিরিক্ত মুনাফা করে, তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, জেলা প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উচিত তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করা|

ওমেরা এলপিজির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) মতিন্দ্র দে জয়সা জানান, কোম্পানিগুলো কমিশনের নির্ধারিত দর মেনেই ডিলারদের কাছে পণ্য বিক্রি করে থাকে, কিন্তু খুচরা বাজারের ওপর তাদের কোনো প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ থাকে না| সরবরাহ শৃঙ্খলের একেবারে শেষ প্রান্তে থাকা বিক্রেতারা সুযোগ বুঝে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেয়| তিনি এ প্রসঙ্গে শ্রীলঙ্কার সফল নজরদারি ব্যবস্থার উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে ভোক্তা অধিকার কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক বাজার তদারকি করে, হটলাইনের মাধ্যমে দ্রুত অভিযোগ গ্রহণ করে এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশিতে বিক্রিকারীদের ওপর বিপুল অঙ্কের আর্থিক জরিমানা চাপিয়ে দেয়| বাংলাদেশেও এমন কঠোর প্রশাসনিক তদারকি ছাড়া কেবল কোম্পানিগুলোর ওপর দায় চাপিয়ে খুচরা বাজার নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব|

ফ্রেশ এলপিজির প্রধান বিপণন কর্মকর্তা আবু সাঈদ রেজা আন্তর্জাতিক বাজারের বাস্তবতাকে তুলে ধরে বলেন যে, ২০২৩ সালের জুলাই মাসে যেখানে সৌদি সিপির দর ছিল প্রতি টনে মাত্র ৩৮৩ ডলার, তা চলতি বছরের অক্টোবরে এসে ৭১২ ডলার ৫০ সেন্টে উন্নীত হয়েছে| এই বৈশ্বিক দরবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের এপ্রিলে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকায় উঠেছিল| পরবর্তীতে বিশ্ববাজারে ওঠানামার কারণে অক্টোবরের জন্য কমিশন তা ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে| ফলে আন্তর্জাতিক বাজার বিবেচনায় বিইআরসির বর্তমান নির্ধারিত দরটি কোনোভাবেই অতিরিক্ত নয় বলে দাবি করেন তিনি|

তবে বাজার বিশেষজ্ঞদের চূড়ান্ত মূল্যায়ন হলো, আন্তর্জাতিক মূল্য যা-ই হোক না কেন, ভোক্তা পর্যন্ত পণ্যটি পৌঁছানোর মধ্যবর্তী প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান দায়িত্ব| সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলা এই পণ্যটির মূল্য নির্ধারণে যদি নিয়মিত গণশুনানি না থাকে, তবে বাজার পুরোপুরি করপোরেট সিন্ডিকেটের করুণার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে| বিইআরসিকে তাই কাগুজে বিজ্ঞপ্তির আড়ালে আত্মতুষ্টিতে ভোগার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে| আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী গণশুনানির সাংবিধানিক ও আইনি পথ পুনর্বহাল করা, পরিবহন ব্যয়ের প্রতিটি নথিপত্র জনসমক্ষে উন্মুক্ত করা এবং খুচরা বাজারে নির্ধারিত দর কার্যকর করতে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নিয়মিত কঠোর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি| অন্যথায় সিলিন্ডারপ্রতি অতিরিক্ত অর্থ গোনার এই অবিচার সাধারণ মানুষকে এক সীমাহীন অর্থনৈতিক ক্ষোভের দিকে ঠেলে দেবে|

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার


এ জাতীয় আরো খবর...