শিরোনামঃ
অল্প বয়সেই কোমর ও পিঠের যন্ত্রণা ১০ বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন ইনু অপারেশন ক্লিন হার্ট করার মতো কোনো পরিকল্পনা নেই সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপ-নির্বাচনে সন্ত্রাস ও অপতৎপরতা রোধে সচেতন থাকার আহ্বান ইসি সানাউল্লাহর দেশজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে: রিজভী প্রশ্ন ফাঁসে মন্ত্রণালয়ের কেউ জড়িত থাকলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী গাজীপুরে ওষুধ কারখানার আগুন সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্র দাখিলের সময় বাড়ল সৌদিতে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদের সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখা হচ্ছে : প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ক্রয় কমিটির ১১ প্রস্তাব অনুমোদন
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন

অল্প বয়সেই কোমর ও পিঠের যন্ত্রণা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬ বার
প্রকাশ: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

আপনারা যারা ব্যথা নিয়ে আমাদেরকে ফোন কল এবং
কমেন্ট করেন তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ভিউয়ারসের বয়স ৩০ বা এর কম।
তারা জানতে চায় ওষুধ ছাড়াই এ ব্যথা থেকে কীভাবে মুক্তি পাবো। কারণ, ব্যথার জন্য কাজ করতে পারি না, চাকরি ছেড়ে দিয়েছি অথবা চাকরি চলে গেছে।
চলুন জেনে নেই এ তরুণ সমাজ কীভাবে ব্যথা থেকে পরিত্রাণ পাবে।
কারণ, তারা যদি ব্যথাজনিত সমস্যায় ভোগে তাহলে দেশ এবং জাতির কী হবে।
অফিসে একটানা দাঁড়িয়ে কিংবা বসে বসে কাজ করে কোমরে ব্যথায় এখন তরুণ সমাজ ভুগছেন। সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠার পর তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করেন কেউ কেউ। চিকিৎসকেরা বলছেন, বয়সজনিত কারণ ছাড়াও এমন নানা কারণে কোমরে ব্যথা হতে পারে। সারাক্ষণ মোবাইলে মুখ গুঁজে বসে থাকা, ল্যাপটপের সামনে বসে কাজ, মেরুদণ্ডের সমস্যা ইত্যাদি নানা
কারণে ৩০-এর আগেই কোমর, পিঠের ব্যথা নিয়ে ঘুরছেন মানুষজন। তবে ব্যথার ওষুধ বা ইঞ্জেকশন ছাড়াও জীবনধারার কিছু পরিবর্তন আনলে এ ধরনের ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখা যেতে পারে। জেনে নিন কীভাবে যন্ত্রণা থেকে রেহাই মিলবে।
শরীরচর্চা: কোমরের যন্ত্রণা শুরু হলে সে সময়ে নড়াচড়া করাই
মুশকিল হয়। কিন্তু ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকরা বলছেন, একটু কষ্ট করে যদি সাধারণ কয়েকটি যোগাসন এবং স্ট্রেচ করা যায়, তবে আরাম মিলবে। ব্যথা কমলে সাঁতার বা অ্যারোবিক্সও করা যেতে পারে। তবে একদিনেই ফল মিলবে, এমনটা আশা করা যায় না। নিয়মিত করলে তবেই উপকার পাওয়া যাবে। ব্যথা হলে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ধূমপান: মেরুদণ্ডে কোনো রকম সমস্যা হলে তা থেকে রেহাই
পেতে ধূমপায়ীদের অনেকটা সময় লেগে যায়। যারা ধূমপান
করেন না, তারা মেরুদণ্ডের বিভিন্ন সমস্যা থেকে তাড়াতাড়ি সেরে ওঠেন।
পর্যাপ্ত ঘুম: ঘুমের সঙ্গে শারীরবৃত্তীয় বিভিন্ন কার্যকলাপ জড়িয়ে
থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘুম কম হলে কোমরের ব্যথা কিন্তু
বেড়ে যেতে পারে। শরীরের বিভিন্ন পেশী, স্নায়ু সারাদিন কাজ
করার পর এ সময়ে শিথিল হয়ে পড়ে। পরের দিনের জন্য রসদ সংগ্রহ করে ঘুমের মধ্যেই। তাই সুস্থ থাকতে গেলে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো খুবই জরুরি। দেহের ভঙ্গি বদল: সারাদিন হাড়ভাঙ্গা খাটুনির পর বিছানায় পিঠ দেয়া মাত্রই কীভাবে শুয়ে আছেন, সে খেয়াল থাকে না অনেকের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শোয়ার ভুলেও অনেক সময়ে কোমরের উপর চাপ পড়ে। তাই সঠিকভাবে শোয়ার অভ্যাস করতে হবে।
একইভাবে টেবিল-চেয়ারে বসার সময়েও মেরুদণ্ড সোজা করে
বসার চেষ্টা করতে হবে। ওজন কমানো: চেহারা ভারি হলে কোমরে-পিঠের যন্ত্রণা আরো বেড়ে যায়। এ সমস্যা এড়িয়ে চলতে তাই ওজন বাগে রাখা ভীষণ জরুরি। তাই খাওয়া-দাওয়ায় রাশ টানা এবং একসঙ্গে নিয়ম করে শরীরচর্চা করতে হবে।


এ জাতীয় আরো খবর...