শিরোনামঃ
২০৩৪ সালের মধ্যে অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে হবে : ববি হাজ্জাজ ঢাকার সব ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক ধারাবাহিক চীন সফর দুদেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেবে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ১২ লাখ রোহিঙ্গার বোঝা একা বহন করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়: আইনমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের কারণেই বর্তমানে বিদ্যুৎ সংকট: চিফ হুইপ নিউমুরিং টার্মিনাল চুক্তিকে দেশ বিক্রির সঙ্গে তুলনা ভিত্তিহীন: বাণিজ্যমন্ত্রী ইজিবাইকে লিথিয়াম ব্যাটারি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: অনিন্দ্য ইসলাম বিদেশি কোম্পানির হাতে টার্মিনাল ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্ন খেলাপি আতঙ্কে থমকে প্রণোদনা নতুন আলোচনা রিকনসিলিয়েশন
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন

২০২৬ সালের রোজা এবং ঈদুল ফিতর কবে

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৬৯ বার
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫

পবিত্র রমজান মাস মুসলিম বিশ্বের জন্য বরকতময়, আত্মশুদ্ধির এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক মহান সুযোগ। প্রতিবছরই এই মাসটির আগমন বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের মাঝে আনে অনন্য এক আধ্যাত্মিক আবহ। ২০২৬ সালের রমজান কবে শুরু হবে—এই প্রশ্নের সম্ভাব্য জবাব দিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিদরা।

এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী ২০২৬ সালের রমজান মাস শুরু হতে পারে ১৯ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) থেকে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সূর্যাস্তের সময় নতুন চাঁদ দেখার অনুকূল সম্ভাবনা রয়েছে। যদি ওই রাতে চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন থেকেই রোজা শুরু হবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞান সংস্থা তাদের এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘শাবান মাসের ২৯ তারিখে সূর্যাস্তের সময় চাঁদের অবস্থান অনুকূল থাকবে। তাই ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রমজান শুরুর ঘোষণা আসার সম্ভাবনা জোরালো।’ তবে সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে, চাঁদ দেখার বিষয়টি ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ, তাই রমজানের শুরুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেশটির ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের চাঁদ দেখার রিপোর্টের ওপর নির্ভর করবে।

একইসঙ্গে তারা ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখও জানিয়েছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুসারে, ২০২৬ সালের পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে ২০ মার্চ (শুক্রবার) এমনটিই জানানো হয়েছে অ্যারাবিয়ান বিজনেসের প্রতিবেদনে।

প্রতিটি দেশ তাদের নিজস্ব ধর্মীয় নীতিমালা অনুসারে চাঁদ দেখার বিষয়টি বিবেচনা করে। যেমন সৌদি আরব, আমিরাত, কুয়েত ও কাতারের মতো দেশগুলো জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনাকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। অন্যদিকে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো চাঁদ দেখার জন্য চোখে দেখাকে প্রধান মানদণ্ড হিসেবে অনুসরণ করে। ফলে দেশে দেশে রমজান শুরুর তারিখে এক বা দুই দিনের পার্থক্য হয়ে থাকে।


এ জাতীয় আরো খবর...