১ ) ক্ষত পর্ব- ১৯৯৩ সাল আমি বর্তমান চাকরিতে আসার আগে বছরখানেক একটি ব্যাংকে ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি হিসেবে কাজ করেছিলাম। পদবি ছিল প্রবেশনার অফিসার। আমার প্রথম পোস্টিং ছিল চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ শাখায়। বিস্তারিত..
১) অদ্ভুত! এক ভদ্রলোক আমাকে গল্পটি করেছিলেন। খুব সজ্জ্বন মানুষ। ব্যাংকার ছিলেন। ডিজিএম হিসেবে রিটায়ার করেছিলেন। অভিজ্ঞতাটি তাঁর নিজের। তাই তাঁর মুখেই শুনুন… ‘আমার বাবা ছিলেন পাকিস্তান আমলে খুবই উচ্চপদস্থ
আপনার জীবন নামের ভ্রমণটি কি ৬০ নম্বর স্টেশন অতিক্রম করেছে? যদি তাই হয়, ভেবে দেখি ৬০- এর পরের ভ্রমণটি কেমন হওয়া উচিত। ১) অযথা তর্ক করবেন না। যে সিদ্ধান্ত আপনার
ইদানিং শিশুরা গা শিউড়ে ওঠার মতো বিপদে পড়ছে। প্রতিটি ঘটনা আমাদের বুকে শেলের মতো বিঁধে। আমি মনে করি, প্রত্যেক মা- বাবা ও অন্যান্য অভিভাবকের এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সতর্ক থাকা উচিত।
অভ্যাসগুলো আপাতদৃষ্টিতে হয়তো ক্ষতিকর নয়। নুড়িপাথরের মতো ছোটো। কিন্তু এ পাথরগুলোই সমস্যা নামের কলসিতে জমতে জমতে সেখানে তলানিতে জমে থাকা বিপদ উপরে তুলে আনে। তখন আমাদের দিশেহারা অবস্থা হয়। কোন
আমরা বড় হয়েছি চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ সিজিএস কলোনিতে। এটি মসজিদ কলোনি নামেই বেশি পরিচিত। এখানে সরকারি কর্মকর্তারা থাকতেন। এটি ছিল দুনিয়ার সেরা গ্রাম। কারণ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে চাকরিসূত্রে আসা বাসিন্দারা
১ ) ১৯৮৬ সাল। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম এবং অনেকদিন পর পুস্প আপার যন্ত্রণা আমার উপর আবার নাজেল হলো। ও আমাকে ছোটবেলায় স্কুলে নিয়ে যেতো। মাঝখানে রক্ষা পেয়েছিলাম। এখন আবার
আব্বার সহকর্মীদের মধ্যে একজনের সাথে আমাদের এখনো খুব ভালো সম্পর্ক আছে। যদিও তিনি বয়সে আব্বার অনেক ছোটো ছিলেন কিন্তু তাদের সম্পর্ক ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্নেহের। তাঁর নাম আমিনুর রশিদ।