আমরা যখন খুব ছোটো, তখন ক্লাসমেট নিপ্পনকে তার নানা স্কুলে নিয়ে আসতেন—স্কুল শেষে বাড়ি ফিরিয়ে নিতেন। নানাকে দেখলেই নিপ্পন একগাল হেসে তাঁর কোলে ঝাঁপ দিত। নানাও নাতিকে আদরে আদরে ভরিয়ে বিস্তারিত..
মা বাবা দুজনেই যদি চাকরি করেন তবে বাচ্চারা প্রায়ই বাসায় একা থাকে। তাই তাদের মধ্যে একদিকে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয় অন্যদিকে তৈরি হয় এক ধরনের অভিমান। এ থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েকটি
আমাদের বন্ধু মিতার মাধ্যমে তাঁর সাথে পরিচয়। পনেরো বছর বয়সে গৃহত্যাগী হয়েছিলেন। তারপর কেটে গেছে যুগের পর যুগ। কেন আমি এ পৃথিবীতে? কী কাজ আমার? কোথায় আমার গন্তব্য?—এ প্রশ্নের সন্ধানে
১) ইন্দ্রপুরীতে এক সন্ধ্যা… তখন আমি চট্টগ্রামে কর্মরত। একটি ক্যাডার সার্ভিসের বার্ষিক ডিনারে দাওয়াত পেলাম। তাতে প্রধান অতিথি ছিলেন সে সার্ভিসের প্রধান। তিনি ঢাকা থেকে আসবেন। রাস্তায় দেখলাম, তাঁকে স্বাগত
‘ইট’স অ্যান অর্ডার।’ এ বাক্যটির শাব্দিক অর্থ বুঝিয়ে বলার দরকার নেই। সবাই জানেন। কিন্তু আমাদের পরিবারে এর একটি আলাদা অর্থ আছে, তা হলো—‘মাইনাস মি ফ্রম ইয়োর লাইফ—অর ওবে মি।’ তোমার
গত পরশু রাতের একটি অভিজ্ঞতা থেকে এ লেখা মাথায় এলো। অভিজ্ঞতাটির কথা এ লেখার শেষের দিকে বলব। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পনের-বিশ বছর ধরে কাজ করছেন এমন অনেকেই তাঁদের একটি দুশ্চিন্তার ব্যাপারে
ঘটনাটি আমি শুনেছিলাম একজন প্রবীণ মানুষের কাছ থেকে। তিনি তাঁর এক বন্ধুর কথা বলেছিলেন। সে ভদ্রলোককেও আমি নামে চিনতাম। পাকিস্তান আমলের সিএসপি অফিসার। এক সময় খুব জাঁদরেল সচিব ছিলেন। আমি
আমি বড় হয়েছি চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের সিজিএস কলোনিতে। এটি মসজিদ কলোনি নামেও পরিচিত। এই কলোনির চাচারা প্রায় সবাই ছিলেন খাঁটি মানুষ। অত্যন্ত সহজ-সরল। তবে তাঁদের অতি সরলতার কারণে মাঝে মাঝে খুব