আমার মেয়ে যখন টিনএজে পড়ল, তখন তার মধ্যে কিছু ব্যাপার খেয়াল করলাম, যেগুলো আমাকে কিছুটা চিন্তিত করে তুলল। যেমন দেখলাম— ১। আগে আমরা যা বলতাম, সে তা-ই মেনে নিত। এখন বিস্তারিত..
দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে আমার মধ্যে একটি অ্যালার্ম সিস্টেম তৈরি হয়েছে। যা আমাকে আগেভাগেই সতর্ক করে। কে যেন ভেতর থেকে বলে- ‘থামো। এটি তোমার ক্ষতি করবে।’ প্রথম প্রথম এসব সতর্কতা পাত্তা
১৯৭৫- ৭৬ সাল। আমার বয়স তখন সাত- আট। আব্বা একদিন হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেললেন। তাঁকে দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো। সেদিনই প্রথম আবিষ্কৃত হলো, আব্বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। তখন
১) ইলেকট্রিসিটি এবং কেমেস্ট্রি পঁচিশে প্রেম হচ্ছে বিদ্যুৎ। হাতে হাত রাখলেই স্পার্ক করে। চল্লিশে প্রেম হচ্ছে,শান্ত, কিছুটা পরিশ্রান্তও। ছুটির দিনে অলস দুপুরে দুজন পাশাপাশি শুয়ে বিশ্রাম নেওয়া হয়- কথা তেমন
ব্যাপারগুলো ছোটো মনে হয়, আসলে কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। অথচ আমরা খেয়াল করি না- করলে নিজেরাও উপকৃত হতাম, সাথে অন্যরাও। ১ ) বিয়ে বাড়িতে বর-কনে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করা উচিত নয়।তারা
১) ক্লাস এইটে স্কুল পালিয়ে ধরা খেলাম। প্রতিদিন বাসা থেকে বেরিয়ে চট্টগ্রামের বাটালি হিল চলে যেতাম। স্কুল টাইম শেষ হলে ফিরতাম। ব্যাপারটা ধরা পড়ল বার্ষিক পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ করার পর।
বডিশেমিং নিয়ে আমার শোনা সেরা উত্তর দিয়েছিলেন শচীন দেব বর্মন। প্রচলিত আছে, তিনি যখন প্রথম রেডিওতে অডিশন দেন তখন একজন পরীক্ষক বিদ্রুপ করে বলেছিলেন- ‘এই নাকি খ্যানখ্যানে গলা নিয়ে তুমি