শিরোনামঃ
৫ দিনে ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় কত? মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তিতে বড় ধাক্কা: কাতারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১১০ কোটি ডলারের রাডার ধ্বংস অগ্নিঝরা ৪ মার্চ: উত্তাল জনসমুদ্র আর স্বাধীনতার অদম্য শপথ ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’-এর যাত্রা অব্যাহত থাকবে: নতুন গভর্নর দুদকের শীর্ষ তিন কর্মকর্তার পদত্যাগ: সচিবালয়ে ১০ মিনিটের আনুষ্ঠানিকতায় বিদায় প্রশাসনে বড় পরিবর্তন: পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব নিয়োগ ১২ মার্চ সংসদে উঠছে অন্তর্বর্তী সরকারের সব অধ্যাদেশ: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ‘একটি দল নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারছে’: শিশির মনির ইউক্রেন যুদ্ধ: রাশিয়ার হয়ে লড়তে যাওয়া শতাধিক বাংলাদেশির মধ্যে ৩৪ জনের মৃত্যুর খবর ইরানে হামলা ও মার্কিন অর্থনীতির ‘অগ্নিপরীক্ষা’
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৬ অপরাহ্ন

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তিতে বড় ধাক্কা: কাতারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১১০ কোটি ডলারের রাডার ধ্বংস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ১ বার
প্রকাশ: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের জেরে মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্র এখন আরও বিধ্বংসী রূপ নিয়েছে। ইরানের গণমাধ্যমগুলোর দাবি অনুযায়ী, তেহরান থেকে চালানো এক শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় এবং অত্যাধুনিক রাডার ব্যবস্থা AN/FPS-132 সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

অপূরণীয় সামরিক ও আর্থিক ক্ষতি

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধ্বংস হওয়া এই রাডারটির আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১১০ কোটি ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকার বেশি)। এটি কেবল আর্থিক ক্ষতিই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার ‘চোখ’ হিসেবে পরিচিত ছিল। এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘপাল্লার গোয়েন্দা নজরদারি এবং ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তকরণ সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কেন এই রাডারটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল?

AN/FPS-132 রাডারটি মূলত একটি ‘আর্লি ওয়ার্নিং রাডার’ (Early Warning Radar)। এটি কয়েক হাজার কিলোমিটার দূর থেকে যেকোনো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের গতিবিধি শনাক্ত করতে সক্ষম। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক কৌশলে এটি ছিল অন্যতম প্রধান ভিত্তি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই রাডার ধ্বংস হওয়ার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা এখন বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ল।

ইরানি গণমাধ্যমের দাবি ও পেন্টাগনের নীরবতা

ইরানি সূত্রগুলো জানিয়েছে, রাডারটির অবস্থান নিখুঁতভাবে শনাক্ত করে সেখানে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানা হয়েছে। একে মার্কিন সামরিক সক্ষমতার ওপর ইরানের এক ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পেন্টাগন বা কাতারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

কৌশলগত প্রভাব

বিশ্লেষকরা বলছেন, বড় ধরনের সামরিক সম্পদ ধ্বংসের পাশাপাশি এটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থানকে দুর্বল করে দেবে। এর ফলে ইরান বা তার প্রক্সিদের চালানো পরবর্তী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শনাক্ত করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়বে।


🛡️ কাতারে মার্কিন রাডার হামলা: এক নজরে

🚩 মার্কিন সামরিক ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট

ধ্বংস হওয়া রাডার AN/FPS-132 (Early Warning Radar)
আর্থিক মূল্য ১১০ কোটি মার্কিন ডলার।
অবস্থান কাতার (যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সামরিক এলাকা)।
প্রধান প্রভাব ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তকরণ ও গোয়েন্দা নজরদারি পঙ্গু হওয়া।
⚠️ এটি এই অঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম একক সামরিক সম্পদ ধ্বংসের ঘটনা।


এ জাতীয় আরো খবর...