শিরোনামঃ
সিংগাইরে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী সন্তানের বয়স ১৮ থেকে ২৪: বাবা-মায়ের জন্য ১০টি পরামর্শ শিশু ইরা মনি হত্যা মামলার রায় পেছাল সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সংকেত বহাল সারাদেশে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে কোমে খামেনির জানাজা সম্পন্ন স্পেনের কাছে হারের পর পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজের পদত্যাগ চিকিৎসাকে বিশেষ সুবিধা নয় অধিকার ভাবার আহ্বান জুবাইদা রহমানের
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:১২ পূর্বাহ্ন

ফ্যাসিস্ট ও তাদের দোসররা যেন সংসদ কলুষিত করতে না পারে: নাহিদ ইসলাম

সংসদ প্রতিবেদক / ৭০ বার
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এক জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি স্পিকারের কাছে দাবি জানান, কোনো ফ্যাসিস্ট বা তাদের দোসররা যেন এই সংসদে বক্তব্য দিয়ে পরিবেশ কলুষিত করতে না পারে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ফ্যাসিবাদমুক্ত সংসদের অঙ্গীকার

নাহিদ ইসলাম তার বক্তব্যের শুরুতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের স্মৃতি চারণ করে বলেন, “সেদিন ছাত্র-জনতার মিছিল নিয়ে আমরা এই সংসদ প্রাঙ্গণে এসেছিলাম এবং সংসদকে ফ্যাসিস্টমুক্ত করেছিলাম। আজ হাজারো শহীদের রক্ত আর পঙ্গুত্ব বরণকারী দেশপ্রেমিকদের ত্যাগের ফসল হিসেবে আমরা এখানে বসতে পেরেছি। শহীদদের রক্তের সঙ্গে আমরা কোনো বেইমানি করব না।”

শহীদদের স্মরণ ও বিচার দাবি

তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিমসহ দেড় শতাধিক শিশুর আত্মত্যাগের কথা ভারাক্রান্ত হৃদয়ে উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে তিনি শরিফ ওসমান হাদী, আবরার ফাহাদ এবং সীমান্ত হত্যায় শহীদ ফেলানীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা জুলাই গণহত্যার বিচার চাই। বিগত সময়ের লুটপাট, গুম-খুন ও দুর্নীতির বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

সংবিধান সংস্কার ও নতুন বন্দোবস্ত

জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে একটি ‘নতুন বন্দোবস্ত’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার ওপর জোর দেন। জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠায় অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্যদের শপথ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

আন্দোলনের সহযোদ্ধাদের স্বীকৃতি

আন্দোলনে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি, ছাত্র অধিকার পরিষদসহ বাম ও ইসলামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি তাদের ‘অভ্যুত্থানের ভ্যানগার্ড’ হিসেবে স্বীকৃতি দেন। পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ তরুণ সমাজকে অনুপ্রাণিত করেছে বলে তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের এই কড়া অবস্থান সংসদে এক নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।


এ জাতীয় আরো খবর...